গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উন্নয়নে ১০০ কোটি টাকার তহবিল

জেলা প্রতিনিধি, রংপুর

জেলা প্রতিনিধি, রংপুর

প্রকাশিত: ০৯:৫৩ পিএম, ২৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১০:৪৮ এএম ২০২৬
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উন্নয়নে ১০০ কোটি টাকার তহবিল
ছবি

ছবি সংগৃহীত

সমতলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ১০০ কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এই তহবিল থেকে উদ্যোক্তা সৃষ্টি, ক্ষুদ্র বিনিয়োগ এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগে সহায়তা দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা (পার্বত্য চট্টগ্রাম ব্যতীত)’ কর্মসূচির আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে সেলাই মেশিন, বাইসাইকেল, শিক্ষাবৃত্তির চেক ও ঘর বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, যারা উদ্যোক্তা হতে চান, বিনিয়োগ করতে চান কিংবা ছোট ছোট প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চান, তারা এ তহবিল থেকে সহায়তা পাবেন। পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর এলাকায় বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও সরকার উদ্যোগ নেবে। তাদের উন্নয়নে সরকার একসঙ্গে কাজ করতে চায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, দেশের কোনো রাজনৈতিক দল এই প্রথম সমতলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর একজন প্রতিনিধিকে সংসদীয় আসনে মনোনয়ন দিয়েছে। একই সঙ্গে খ্রিষ্টান, হিন্দু সম্প্রদায় এবং তফসিলভুক্ত নারীদেরও মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। সব সম্প্রদায়কে উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত করাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানান তিনি।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্যদের উদ্দেশে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। অনেক ক্ষেত্রে তাদের জমি দখলের ঘটনাও ঘটে। নিজেদের অধিকার আদায়ে তাদের আরও সচেতন ও সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বৈষম্য দূর করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সমান সুযোগ নিশ্চিত করতেই সরকার কাজ করছে।

বিগত ১৫ থেকে ১৬ বছরের শাসনামলের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ওই সময়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক কাঠামো ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার ক্ষতি হয়েছে। ফলে বর্তমান সরকারকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন করে কাজ শুরু করতে হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, নতুন যাত্রার অংশ হিসেবে সরকার দরিদ্র পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, নারীর ক্ষমতায়ন, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি এবং ধর্মীয় নেতাদের জন্য ভাতাসহ একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে। ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, পাদ্রি এবং সাবেক খেলোয়াড়দের জন্যও ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

নারীদের ক্রীড়া সাফল্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দেশের মেয়েরা এখন ফুটবল, ক্রিকেট ও হকিসহ বিভিন্ন খেলায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জন করছে। তাদের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া এবং সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার ফলেই এ অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।

এসি/আপ্র/২৯/৭/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

কুড়িগ্রামে সড়ক মেরামতের পাশাপাশি নারীর কর্মসংস্থানে এলজিডি
২৯ জুলাই ২০২৬

কুড়িগ্রামে সড়ক মেরামতের পাশাপাশি নারীর কর্মসংস্থানে এলজিডি

আশির্বাদ রহমান: দীর্ঘদিনের ভাঙাচোরা সড়ক, দুর্বল যোগাযোগব্যবস্থা এবং সীমিত কর্মসংস্থানের কারণে কুড়িগ্...

কর্ণফুলী টানেলে চার রাত এক টিউবে চলবে যানবাহন
২৯ জুলাই ২০২৬

কর্ণফুলী টানেলে চার রাত এক টিউবে চলবে যানবাহন

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: কর্ণফুলী টানেলে রুটিন রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী চার রাত নিয়ন্ত্রিতভাবে যান...

প্রশাসনের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত
২৯ জুলাই ২০২৬

প্রশাসনের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত

বাগেরহাট জেলার সরকারি খাল অবৈধ দখলমুক্ত করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করার দাবিতে চলা তিন দিনব্যাপী অবস্থ...

চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা
২৯ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা

একেএম ফজলুল হক: বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহয...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 10 ঘন্টা আগে