গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

চট্টগ্রামে ১৫ বছরে ৯৯ শতাংশ ভবন নকশাবহির্ভূত

জেলা প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম

জেলা প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত: ১৪:৩৮ পিএম, ২৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৫:৫৮ এএম ২০২৬
চট্টগ্রামে ১৫ বছরে ৯৯ শতাংশ ভবন নকশাবহির্ভূত
ছবি

ছবি সংগৃহীত

গত ১৫ বছরে চট্টগ্রাম মহানগরীতে অনুমোদন পাওয়া প্রায় ৩০ হাজার ভবনের মধ্যে প্রায় ৯৯ শতাংশই অনুমোদিত নকশা অনুসরণ করে নির্মিত হয়নি বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। সংস্থাটি বলছে, নকশাবহির্ভূত ভবন নির্মাণ ঠেকাতে এবার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ভবিষ্যতে অনুমোদিত নকশা লঙ্ঘন করে নির্মিত ভবনে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ দেওয়া হবে না।

সিডিএর তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মোট ২৯ হাজার ৭০০টি ভবনের নকশা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর অধিকাংশ ভবনের নির্মাণ শেষ হলেও বাস্তবে অনুমোদিত নকশার নানা শর্ত মানা হয়নি।

সংস্থাটির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, কোথাও রাস্তার জায়গা দখল করে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে, কোথাও ছয়তলার অনুমোদন নিয়ে ১০ তলা পর্যন্ত ভবন নির্মাণ হয়েছে। এছাড়া অধিকাংশ ভবনে বাধ্যতামূলক পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়নি।

সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, অনেক ভবনেই সামনের, পাশের ও পেছনের নির্ধারিত খোলা জায়গা রাখা হয়নি। কোথাও পাহাড় কেটে, আবার কোথাও ড্রেন-নালার ওপর স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে নগরীর পরিবেশ ও সৌন্দর্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি জানান, পরিকল্পিত নগরায়ণের লক্ষ্যে স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ হচ্ছে কি না, তা তদারকির দায়িত্বও সিডিএর। তবে গত দেড় দশকে এ তদারকি কার্যকরভাবে পরিচালিত হয়নি এবং নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

নগরবিদ প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদারের মতে, আইন ভঙ্গ করে যে সুবিধা পাওয়া যায়, তার তুলনায় শাস্তির মাত্রা কম হওয়ায় অনেকেই নিয়ম মানতে আগ্রহী হন না। তিনি বলেন, অবৈধ ভবনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে সিডিএকে জেলা প্রশাসন ও পুলিশের সহযোগিতার ওপর নির্ভর করতে হয়। সমন্বিত প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা গেলে নগর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন আরও কার্যকর হবে।

সিডিএ জানিয়েছে, এখন থেকে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি চালানো হবে। নকশা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভবনে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ দেওয়া হবে না।

চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন বলেন, দীর্ঘদিনের অনিয়ম থেকে বেরিয়ে পরিকল্পিত, সবুজ ও দৃষ্টিনন্দন চট্টগ্রাম গড়ে তোলাই সংস্থার লক্ষ্য।

এদিকে, অনুমোদনহীন ও নকশাবহির্ভূত ভবন নির্মাণ প্রতিরোধে মন্ত্রণালয় গঠিত একটি কমিটিও কাজ করছে বলে জানিয়েছে সিডিএ।

এসি/আপ্র/২৯/০৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ছাত্রদল-এনসিপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি: হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি
২৯ জুলাই ২০২৬

ছাত্রদল-এনসিপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি: হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি

ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং এনসিপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়...

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উন্নয়নে ১০০ কোটি টাকার তহবিল
২৯ জুলাই ২০২৬

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উন্নয়নে ১০০ কোটি টাকার তহবিল

সমতলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ১০০ কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল গঠনের...

কুড়িগ্রামে সড়ক মেরামতের পাশাপাশি নারীর কর্মসংস্থানে এলজিডি
২৯ জুলাই ২০২৬

কুড়িগ্রামে সড়ক মেরামতের পাশাপাশি নারীর কর্মসংস্থানে এলজিডি

আশির্বাদ রহমান: দীর্ঘদিনের ভাঙাচোরা সড়ক, দুর্বল যোগাযোগব্যবস্থা এবং সীমিত কর্মসংস্থানের কারণে কুড়িগ্...

কর্ণফুলী টানেলে চার রাত এক টিউবে চলবে যানবাহন
২৯ জুলাই ২০২৬

কর্ণফুলী টানেলে চার রাত এক টিউবে চলবে যানবাহন

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: কর্ণফুলী টানেলে রুটিন রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী চার রাত নিয়ন্ত্রিতভাবে যান...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 15 ঘন্টা আগে