গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:০২ পিএম, ২৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২২:০০ এএম ২০২৬
ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
ছবি

প্রতীকী ছবি

বিশাল রহমান, ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত ইউপি সদস্যকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্যের নাম মো. আলাউদ্দীন (৫৬)। তিনি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৭ নম্বর চিলারং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান সদস্য।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুলাই সোমবার দুপুরে চিলারং গ্রামের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীর বাবা পেশায় একজন দিনমজুর। ঘটনার দিন সকালে তিনি অসুস্থ বড় মেয়েকে চিকিৎসকের কাছে দেখানোর জন্য দিনাজপুরে যান। একই সময়ে তাঁর স্ত্রী কাজের জন্য বাইরে বের হলে ১৫ বছর বয়সী ছোট মেয়ে বাড়িতে একা ছিল।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়, দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন ওই বাড়িতে গিয়ে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে কিশোরীর কাছে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি চান। কিশোরী ফটোকপি দেওয়ার পর তিনি পরিবারের অন্য সদস্যদের বিষয়ে খোঁজ নেন।

অভিযোগে আরো বলা হয়, বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ইউপি সদস্য ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে কিশোরীর শরীরে হাত দেন এবং একপর্যায়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। আত্মরক্ষার্থে কিশোরী খাটের নিচে লুকিয়ে পড়ে। পরে সুযোগ বুঝে ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। এ সময় অভিযুক্ত ইউপি সদস্য পালিয়ে যান।

পরে দিনাজপুর থেকে বাবা বাড়িতে ফিরে মেয়ের গলায় আঁচড়ের দাগ ও শারীরিক অসুস্থতা দেখতে পান। এরপর দ্রুত তাকে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন কোনো সমাধানের উদ্যোগ না নিয়ে উল্টো হুমকি দেন।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান আলী জানান, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত আলাউদ্দীনকে গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকাবাসী অভিযুক্ত ইউপি সদস্যের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
সানা/কেএমএএ/আপ্র/২৯/৭/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

চট্টগ্রামে ৯০ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেটসহ একজন গ্রেফতার
২৯ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামে ৯০ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেটসহ একজন গ্রেফতার

একেএম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম অফিস: চট্টগ্রাম মহানগরে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৯০ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিম...

দিনাজপুর পৌর উন্নয়নে নাগরিক ভাবনা নিয়ে সমাবেশ
২৯ জুলাই ২০২৬

দিনাজপুর পৌর উন্নয়নে নাগরিক ভাবনা নিয়ে সমাবেশ

দিনাজপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন, নাগরিক সেবা আরো জনবান্ধব করা এবং শহরের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে করণীয়...

খালে ইয়াবা ফেলেও রক্ষা পেলেন না দুই মাদক কারবারি
২৯ জুলাই ২০২৬

খালে ইয়াবা ফেলেও রক্ষা পেলেন না দুই মাদক কারবারি

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে খালের পানিতে ইয়াবার প্যাকে...

খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার
২৯ জুলাই ২০২৬

খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার

সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নকে নতুন আঙ্গিকে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 21 ঘন্টা আগে