গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

মেনু

দেড় বছরের মধ্যে পেঁয়াজ আমদানি থেকে বেরিয়ে আসবে দেশ: কৃষিমন্ত্রী

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬:০০ পিএম, ১৫ জুন ২০২৬ | আপডেট: ০৫:৩৭ এএম ২০২৬
দেড় বছরের মধ্যে পেঁয়াজ আমদানি থেকে বেরিয়ে আসবে দেশ: কৃষিমন্ত্রী
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশ আগামী দেড় বছরের মধ্যে পেঁয়াজ আমদানি থেকে বেরিয়ে আসবে। সেই সঙ্গে আগামী তিন বছরের মধ্যে আদা ও রসুন উৎপাদনেও স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়েছে। পাট ও পেঁয়াজবীজের আমদানি নির্ভরতা থেকেও পর্যায়ক্রমে বেরিয়ে আসা হবে।

সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে দেশের কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা নিয়ে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব পরিকল্পনার কথা জানান কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ খাতগুলোতে সরকারের উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ রয়েছে। বরাদ্দ অর্থ কতটুকু কার্যকরভাবে প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছে, সে বিষয়ে গবেষণা ও মূল্যায়নকে সরকার সবসময় ইতিবাচকভাবে নেয়। কারণ তথ্যভিত্তিক গবেষণা ও সুপারিশ নীতিনির্ধারণে কার্যকর সহায়তা দেয়।

কৃষিমন্ত্রী জানান, সরকার কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন করেছে। কৃষিকে আরো উৎপাদনশীল, লাভজনক ও টেকসই খাতে পরিণত করতে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও বিপণন ব্যবস্থার উন্নয়ন, পাটবীজ, পেঁয়াজবীজ ও আদা উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, মাটির অম্লতা হ্রাস এবং সারের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সৌরশক্তিনির্ভর সেচব্যবস্থার সম্প্রসারণের মাধ্যমে ডিজেল ও বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সংরক্ষণ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আমদানি-নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে রয়েছে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য এয়ার-ফ্লো প্রযুক্তি সরবরাহ, ফল ও সবজি সংরক্ষণের জন্য মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন, বস্তায় আদা চাষ সম্প্রসারণ, চুক্তিভিত্তিক পাটবীজ উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষক কার্ড ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ, খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।

আমিন উর রশিদ জানান, আম, কাঁঠালসহ বিভিন্ন ফল ও সবজি প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষিকে আরও বাণিজ্যিক ও রপ্তানিমুখী খাতে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উচ্চমূল্যের ও রপ্তানিমুখী ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক প্যাকিং হাউস, ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, কোয়ারেন্টাইন সুবিধা এবং ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালুর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরো বৃদ্ধি পাবে।

কৃষিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সরকার, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থায় টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরো শক্তিশালী হবে।

অনুষ্ঠানে বিশ্বব্যাংক, সানেম ও বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মন্ত্রী বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনের মোড়ক উন্মোচন করেন।

এসি/আপ্র/১৫/০৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

সঞ্চয়পত্রে কর বাড়েনি, নেই কালোটাকা বৈধের সুযোগ
১৭ জুন ২০২৬

সঞ্চয়পত্রে কর বাড়েনি, নেই কালোটাকা বৈধের সুযোগ

প্রস্তাবিত বাজেটে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর কর বাড়ানো হয়নি এবং কালোটাকা বৈধ করার কোনো সুযোগও রাখা হয়নি...

বাজারে চাল ও নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল: বাণিজ্যমন্ত্রী
১৭ জুন ২০২৬

বাজারে চাল ও নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল: বাণিজ্যমন্ত্রী

হুট করে ঢাকার দুটি বাজার পরিদর্শন করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও খাদ্য প্রতিমন্ত্র...

১০০ উপজেলায় একটি করে স্কুল ও কলেজ হবে
১৬ জুন ২০২৬

১০০ উপজেলায় একটি করে স্কুল ও কলেজ হবে

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) মোট ৭ হাজার ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ৫টি উন্নয়...

একনেকে ৭ হাজার কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন
১৬ জুন ২০২৬

একনেকে ৭ হাজার কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) মোট ৭ হাজার ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ৫টি উন্নয়...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই