গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

স্ত্রী বাবার বাড়ি গেলে পুরুষের মনে যা ঘটে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬:১২ পিএম, ০৯ মে ২০২৬ | আপডেট: ১০:৪৯ এএম ২০২৬
স্ত্রী বাবার বাড়ি গেলে পুরুষের মনে যা ঘটে
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বিয়ের পর ধীরে ধীরে একটি সংসার গড়ে ওঠে অভ্যাস, দায়িত্ব, ঝগড়া, ভালোবাসা আর ছোট ছোট মুহূর্তের সমন্বয়ে। তাই স্ত্রী কয়েক দিনের জন্য বাবার বাড়ি গেলে অনেক পুরুষ বাইরে থেকে স্বস্তিতে থাকলেও ভেতরে ভেতরে নানা ধরনের অনুভূতির মধ্য দিয়ে যান।

শুরুতে আসে একটু স্বাধীনতার অনুভূতি

প্রথম এক-দুই দিন অনেকেই নিজের মতো সময় কাটানোর সুযোগ উপভোগ করেন। রাত জেগে খেলা দেখা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, এলোমেলোভাবে সময় কাটানো বা নিজের পছন্দমতো রুটিনে চলা—এসবের মধ্যে এক ধরনের সাময়িক স্বস্তি কাজ করে।

এটি সম্পর্কের দূরত্ব নয়; বরং প্রতিদিনের ব্যস্ততা ও দায়িত্ব থেকে সামান্য বিরতির অনুভূতি।

এরপর শুরু হয় বাস্তবতা

কয়েক দিন পরই অনেকে বুঝতে পারেন, সংসারের ছোট ছোট কাজগুলো কত গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো খাওয়া, ঘর গুছিয়ে রাখা, কাপড় খুঁজে পাওয়া—এসব বিষয় তখন চোখে পড়ে বেশি।

যে মানুষটি প্রতিদিন নিঃশব্দে অনেক কিছু সামলে দিতেন, তার অনুপস্থিতি তখন অনুভূত হতে শুরু করে।

নীরব ঘর ধীরে ধীরে একাকীত্ব হয়ে ওঠে

প্রথম দিকে যে নীরবতা ভালো লাগছিল, কিছুদিন পর সেটাই অনেকের কাছে ফাঁকা ফাঁকা লাগে। তখন ফোনে বেশি কথা বলা, অকারণে মেসেজ দেওয়া বা “কবে ফিরবে?”—এ ধরনের প্রশ্ন বাড়তে পারে।

কারণ সম্পর্কের উষ্ণতা শুধু বড় মুহূর্তে নয়, প্রতিদিনের সাধারণ কথাবার্তা, হাসি বা ছোটখাটো ঝগড়ার মধ্যেও তৈরি হয়।

বন্ধুদের সঙ্গে সময় বাড়ে

স্ত্রী বাইরে গেলে অনেক পুরুষ পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান, নিজের শখে মন দেন বা বাইরে বেশি সময় থাকেন। সংসারের ব্যস্ততায় যেসব কাজের সময় পাওয়া যায় না, সেগুলো তখন করার সুযোগ তৈরি হয়।

তবে মজার ব্যাপার হলো, সেই আড্ডার মাঝেও অনেক সময় স্ত্রীকে নিয়েই গল্প চলে বা তার ফোনের অপেক্ষা থাকেমনোবিজ্ঞানীদের মতে, সাময়িক দূরত্ব অনেক সময় সম্পর্কে নতুন উপলব্ধি তৈরি করে। একটানা একই রুটিনে চলতে চলতে যে একঘেয়েমি আসে, কিছুদিনের আলাদা থাকা তা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

ফলে স্ত্রী ফিরে এলে অনেকেই আবার নতুন করে সম্পর্কের উষ্ণতা অনুভব করেন।

সম্পর্কের আসল সৌন্দর্য

একটি সুস্থ সম্পর্ক মানে সবসময় একসঙ্গে আটকে থাকা নয়। বরং দুজনেরই নিজস্ব জায়গা থাকবে, আবার প্রয়োজনের সময় একে অপরের অভাবও অনুভব হবে—এটাই স্বাভাবিক।

তাই স্ত্রী বাবার বাড়ি গেলে পুরুষদের মনে স্বাধীনতা, স্বস্তি, অলসতা, একাকীত্ব—সব মিলিয়ে এক ধরনের মিশ্র অনুভূতি কাজ করে। তবে দিনের শেষে অনেকের কাছেই ঘরটা পূর্ণ লাগে তখনই, যখন প্রিয় মানুষটি পাশে থাকে।

এসি/আপ্র/০৯/০৫/২০২৬

 

 

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

যেকোনো বয়সে শরীর বদলাবে ৫ অভ্যাসে
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যেকোনো বয়সে শরীর বদলাবে ৫ অভ্যাসে

ফিট ও সুস্থ শরীর গড়ার জন্য বয়স কম হওয়া কিংবা কঠোর ব্যায়াম ও কড়া খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা সবসময় জরুরি নয়।...

সন্তান আসার পর দাম্পত্যে রোমান্স ফেরাবেন যেভাবে
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সন্তান আসার পর দাম্পত্যে রোমান্স ফেরাবেন যেভাবে

একটি শিশু পৃথিবীতে আসার পর পুরো পরিবারের চিত্রই বদলে যায়। নতুন জীবনের আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি বা...

পেঁয়াজের খোসার পানিতে কি সত্যিই চুল গজায়!
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পেঁয়াজের খোসার পানিতে কি সত্যিই চুল গজায়!

রান্নাঘরে প্রতিদিন এমন অনেক কিছুই ব্যবহার করি, যার প্রয়োজন শেষ হলেই জায়গা হয় ময়লার ঝুড়িতে। পেঁয়াজের...

সঙ্গীকে প্রতিদিন ১০ মিনিট সময় দিন, সম্পর্ক থাকবে উষ্ণ
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সঙ্গীকে প্রতিদিন ১০ মিনিট সময় দিন, সম্পর্ক থাকবে উষ্ণ

অফিসের চাপ, একের পর এক সভা, কাজের সময়সীমা ও পারিবারিক নানা দায়িত্ব—সব মিলিয়ে ব্যস্ত জীবনে সঙ্গীকে পর...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই