গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট না থাকলে দেশ পাকিস্তানই থাকত: স্পিকার

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২:৩৯ পিএম, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ২৩:৪৬ এএম ২০২৬
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট না থাকলে দেশ পাকিস্তানই থাকত: স্পিকার
ছবি

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ -ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, পাকিস্তানের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টই প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ শুরু করেছিল। এই রেজিমেন্ট প্রতিরোধ গড়ে না তুললে বাংলাদেশ এখনো পাকিস্তানের অংশ হয়ে থাকত।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর এসকেএস টাওয়ারে ১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট (সিনিয়র টাইগার্স) আয়োজিত ‘সিনিয়র টাইগার্সের অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের পুনর্মিলনী-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট একটি গৌরবময় নাম। ১৯৪৮ সালে এ রেজিমেন্ট গঠিত হয়। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ ও মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সবচেয়ে বেশি বীরোচিত সাহসিকতার পুরস্কার লাভ করে।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, “১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি প্রকৃত জনতার যুদ্ধ, পুরো জাতির যুদ্ধ। ’৭১-এর যুদ্ধ যারা দেখেনি, তারা জাতির সবচেয়ে গৌরবান্বিত ইতিহাস দেখেনি। শ্রেণি-পেশানির্বিশেষে এ দেশের আপামর জনগণ সেই মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিল।”

তিনি আরো বলেন, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের জীবন ছিল অত্যন্ত রোমাঞ্চকর। প্রতি মুহূর্তে যুদ্ধজয়ের বিজয়োল্লাস ও মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থেকেও তারা সাহসিকতার সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে গেছেন।

স্পিকার উল্লেখ করেন, ১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ ঘোষণা করে। মহান স্বাধীনতার স্থপতি মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। বাঙালি জাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সেই কঠিন যুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিল।

অনুষ্ঠানে ১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সঙ্গে নিজের সামরিক জীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে একপর্যায়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন স্পিকার। অসীম সাহসিকতা ও ধৈর্যের সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধের সম্মুখসমরে অংশগ্রহণ এবং জাতির গৌরবগাথায় নিজের নাম জড়িয়ে যাওয়ার স্মৃতি তিনি উপস্থিত সবার সামনে তুলে ধরেন।

বক্তব্য শেষে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরবময় ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধে এর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে সিনিয়র টাইগার্সদের পক্ষ থেকে স্পিকারকে সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য, ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তা, বিশিষ্ট অতিথি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সানা/আপ্র/১৭/১০/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন, অব্যবস্থাপনায় অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী
১৭ অক্টোবর ২০২৬

সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন, অব্যবস্থাপনায় অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক এলাকা ও হকারমুক্ত ফুটপাতসহ...

তথ্য কমিশনের প্রথম নারী প্রধান হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান
১৭ অক্টোবর ২০২৬

তথ্য কমিশনের প্রথম নারী প্রধান হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

যাত্রা শুরুর প্রায় দেড় যুগ পর প্রথমবারের মতো নারী প্রধান তথ্য কমিশনার পেল তথ্য কমিশন। জাহাঙ্গীরনগর ব...

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, বড় শিক্ষা বললেন শামা ওবায়েদ
১৭ অক্টোবর ২০২৬

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, বড় শিক্ষা বললেন শামা ওবায়েদ

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ঘটনা বাংলাদেশের জন্য বড় শিক্ষা বলে মন্তব্য করেছেন...

পিস্তল হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক, প্রশ্ন ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া
১৭ অক্টোবর ২০২৬

পিস্তল হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক, প্রশ্ন ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া

এক হাতে হ্যান্ড মাইকের মাউথপিস, অন্য হাতে পিস্তল। গাড়ি থেকে নেমে কয়েকজনকে তাড়া করছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পরিচয় যা-ই হোক, চাঁদাবাজ-দখলদারদের ছাড় নয়: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজ, ভূমি দখলবাজ ও মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় বা অবস্থান বিবেচনা না করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ। এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন- কমিশনার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, পুলিশ সদস্যরা তা বাস্তবে তা করতে পারবেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 দিন আগে