গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস ও আমাদের বোধোদয়

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:৩০ পিএম, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২০:৪২ এএম ২০২৬
আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস ও আমাদের বোধোদয়
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ড. আব্দুল ওয়াদুদ

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস জাতিসংঘ ঘোষিত একটা দিবস- যা ২০০৮ সাল থেকে জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত সব দেশে পালিত হয়ে আসছে। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০০৭ সালের ৮ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬২তম অধিবেশনের ৭ নম্বর রেজল্যুশনে ১৫ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সে অনুযায়ী প্রতি বছর জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত সব দেশ দিবসটি পালন করে আসছে।

২০২৬ সালে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের প্রতিপাদ্য স্লোগান হলো ‘কণ্ঠস্বর উত্তোলন, পরামর্শমূলক বা আলাপ, আলোচনামূলক গণতন্ত্রের মাধ্যমে নাগরিক প্রতিনিধিত্ব ও মালিকানা বৃদ্ধি করা।’ এ দিবসটি মানুষের অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং জনগণের অংশগ্রহণের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়। গণতন্ত্র শুধু একটি রাষ্ট্র পরিচালনার পদ্ধতি নয়; এটি মানুষের জীবনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত একটি বহুমাত্রিক ধারণা। ইতিহাস প্রমাণ করেছে যে গণতন্ত্র কোনো এক দিনের অর্জন নয়; এটি প্রজন্মের সংগ্রাম, স্বপ্ন, শোষণবিরোধী আন্দোলন এবং অসীম ধৈর্যের ফল। গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণ শাসনের উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, আইন শাসন এবং জবাবদিহিমূলক প্রশাসন একত্রে কাজ করে। একটি সমাজে এই স্তম্ভগুলো শক্তিশালী থাকলে তা কেবল রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দেয় না, বরং সামাজিক সমতা, ন্যায়বিচার এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নেও অবদান রাখে।

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস কেবল একটি স্মরণীয় দিন নয়; শিক্ষামূলক এবং সচেতনতা বৃদ্ধির এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বিশ্ব জুড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংস্থা এবং সরকার এ দিনকে উদ্যাপন করে সেমিনার, প্রদর্শনী, আলোচনাসভা এবং সচেতনতা অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে। এর মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের ভোটাধিকার যথাযথভাবে ব্যবহার, সরকারের স্বচ্ছতা, মিডিয়ার স্বাধীনতা এবং মানবাধিকারের মূল্য সম্পর্কে অবগত হয়। ডিজিটাল যুগে অনলাইন ভোটিং, ই-গভর্ন্যান্স, সামাজিক মিডিয়া এবং তথ্যপ্রযুক্তি গণতন্ত্রকে জনগণের কাছে আরো নিকটে নিয়ে এসেছে। তবে একই সঙ্গে এসেছে নতুন চ্যালেঞ্জ, যেমন মিথ্যা তথ্য, হ্যাকিং এবং ব্যক্তিগত ডেটার নিরাপত্তা। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং নিয়ন্ত্রণ ছাড়া এই সুবিধাগুলো কখনো কখনো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।

বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক সহিংসতা, দুর্নীতি, মিডিয়ার স্বাধীনতার সীমাবদ্ধতা এবং নাগরিক অধিকার লঙ্ঘনের মতো সমস্যা গণতন্ত্রের মানকে প্রভাবিত করে। তাই নাগরিক সচেতনতা, স্বচ্ছ প্রশাসন, কার্যকর বিচারব্যবস্থা এবং মানবাধিকার রক্ষার অঙ্গীকার অপরিহার্য। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন এবং সংবিধানের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক সংকট, সহিংসতা, দুর্নীতি এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার অভাব দেশের গণতান্ত্রিক মানকে প্রভাবিত করেছে। তবু শিক্ষিত ও সচেতন নাগরিক সমাজ, সক্রিয় রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং মিডিয়ার ভূমিকা ধীর কিন্তু স্থায়ীভাবে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করছে।

একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে এসে গণতন্ত্র এক অদ্ভুত বৈপরীত্যের মুখোমুখি। বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্র নিজেদের কোনো না কোনোভাবে গণতান্ত্রিক বলে দাবি করে, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, রাজনৈতিক দল থাকে, সংসদ থাকে এবং সংবিধানে জনগণের সার্বভৌমত্বের কথা লেখা থাকে। অথচ একই সময়ে রাজনৈতিক অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং নির্বাচনব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

কেন গণতন্ত্র এভাবে দুর্বল হচ্ছে? গণতন্ত্রের অবক্ষয়ের পেছনে একাধিক কারণ কাজ করছে। তা হলো-

প্রথমত, প্রতিষ্ঠানের ওপর আস্থার সংকট। দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক দল, সংসদ, আমলাতন্ত্র, বিচারব্যবস্থা কিংবা সংবাদমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা কমে গেলে গণতন্ত্রের ভিত দুর্বল হয়।

দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিক বৈষম্য। যখন একটি সমাজে সম্পদ ও সুযোগের বড় অংশ অল্পসংখ্যক মানুষের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়, তখন সাধারণ মানুষের মধ্যে এই ধারণা জন্ম নিতে পারে যে, গণতন্ত্র কেবল ক্ষমতাবান ও ধনীদের জন্য কাজ করছে।

তৃতীয়ত, দুর্নীতি ও জবাবদিহির ঘাটতি গণতন্ত্রের প্রতি মানুষের বিশ্বাস নষ্ট করে। নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন সম্ভব হলেও যদি দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিষ্ঠান না থাকে, তাহলে গণতন্ত্র তার নৈতিক গ্রহণযোগ্যতা হারাতে থাকে।

চতুর্থত, রাজনৈতিক মেরুকরণ। মতের পার্থক্য গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শত্রু হিসেবে দেখার প্রবণতা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে বিপজ্জনকভাবে দুর্বল করে।

ডিজিটাল বিপ্লব গণতন্ত্রকে একদিকে অভূতপূর্ব সুযোগ দিয়েছে, অন্যদিকে নতুন ঝুঁকিও তৈরি করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে সাধারণ মানুষ সরাসরি মতামত প্রকাশ করতে পারছে, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারছে এবং রাষ্ট্রের ক্ষমতাবানদের জবাবদিহির আওতায় আনতে পারছে। কিন্তু একই প্ল্যাটফরমে ছড়িয়ে পড়ছে ভুয়া তথ্য, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা, রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং কৃত্রিমভাবে তৈরি কনটেন্ট। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশ এই সমস্যাকে আরো জটিল করেছে। অও-নির্মিত ছবি, ভিডিও ও অডিও বাস্তব ও মিথ্যার সীমারেখাকে অনেক ক্ষেত্রে অস্পষ্ট করে দিতে পারে।

অন্যদিকে গণতন্ত্রে স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে প্রায়ই রাষ্ট্রের ক্ষমতার ওপর একটি সামাজিক নজরদারি ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সরকার কী করছে, সরকারি অর্থ কোথায় ব্যয় হচ্ছে, দুর্নীতি হচ্ছে কি না, নাগরিকের অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে কি না- এসব প্রশ্ন অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে সামনে আসে। কিন্তু সংবাদমাধ্যম যখন রাজনৈতিক চাপ, অর্থনৈতিক নির্ভরতা, মালিকানাগত স্বার্থ অথবা ভয়ের সংস্কৃতির কারণে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না, তখন গণতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই গণতন্ত্র রক্ষার অর্থ শুধু সাংবাদিককে সংবাদ প্রকাশের অনুমতি দেওয়া নয়; বরং তাকে নিরাপদ পরিবেশে সত্য অনুসন্ধানের সুযোগ দেওয়া।

গণতন্ত্রের সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রতিষ্ঠান হলো নির্বাচন। কিন্তু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেই কোনো রাষ্ট্রকে পূর্ণ গণতান্ত্রিক বলা যায় না। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য দরকার প্রতিদ্বন্দ্বিতার সমান সুযোগ, ভোটারের স্বাধীনতা, নিরপেক্ষ প্রশাসন, বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থাপনা, স্বাধীন পর্যবেক্ষণ এবং ফলাফল গ্রহণ করার রাজনৈতিক সংস্কৃতি।

ইন্টারন্যাশনাল আইডিয়ার সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ দেখায়- কিছু দেশে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন, নির্বাচিত সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাধীনতার মতো ক্ষেত্রেও অবনতি ঘটেছে। অর্থাৎ গণতন্ত্রের মূল প্রশ্ন কেবল ‘ভোট হয়েছে কি না’ – তা নয়; বরং ‘মানুষ স্বাধীনভাবে নিজের পছন্দ প্রকাশ করতে পেরেছে কি না’ এবং ‘তার ভোট রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রকৃত রূপান্তরে ভূমিকা রেখেছে কি না’— সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভর করছে তরুণ প্রজন্মের ওপর। তরুণরা যদি রাজনীতি থেকে দূরে সরে যায়, তাহলে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রমশ একটি সীমিত রাজনৈতিক শ্রেণির হাতে বন্দি হয়ে পড়তে পারে। অন্যদিকে তরুণদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ যদি কেবল অনলাইন প্রতিবাদ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তর্কে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে না।

বাংলাদেশের মতো জনবহুল ও তরুণপ্রধান দেশের জন্য গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরেও গণতান্ত্রিক চর্চা বাড়াতে হবে। একটি দল যদি অভ্যন্তরীণভাবে গণতান্ত্রিক না হয়, তাহলে রাষ্ট্র পরিচালনায় তার গণতান্ত্রিক আচরণ দীর্ঘ মেয়াদে কতটা টেকসই হবে- এটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। তাই বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে কেবল নির্বাচনকেন্দ্রিক না করে প্রাতিষ্ঠানিক, অংশগ্রহণমূলক ও অধিকারভিত্তিক গণতন্ত্রে পরিণত করাও জরুরি।

গণতন্ত্রের অবক্ষয় ঠেকাতে কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে; নির্বাচন প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীন ও বিশ্বাসযোগ্য করতে হবে; বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে, মত প্রকাশ এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা করতে হবে; রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সহনশীলতা ও সংলাপের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে; ডিজিটাল যুগের উপযোগী মিডিয়া এবং নাগরিক সাক্ষরতা বৃদ্ধি করতে হবে; তরুণদের রাজনৈতিক ও সামাজিক অংশগ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। গণতন্ত্রকে শুধু সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন হিসেবে নয়, সংখ্যালঘু ও ভিন্নমতের অধিকার রক্ষার ব্যবস্থা হিসেবেও দেখতে হবে।

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, গণতন্ত্র একটি চলমান প্রক্রিয়া- যা প্রতিনিয়ত রক্ষা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির দিকে পরিচালিত হতে থাকে। গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হলে দরকার সরকার ও নাগরিক সমাজের মধ্যে স্বচ্ছতা, তথ্যপ্রাপ্তি এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা, দুর্নীতি হ্রাস, সমতা ও মানবাধিকারের অঙ্গীকার এবং প্রযুক্তির সদ্ব্যবহার। এসব উপাদান একত্রে কাজ করলে গণতন্ত্র কেবল রাষ্ট্রের কাঠামো নয়, বরং মানুষের জীবন ও অধিকার রক্ষাকারী শক্তি হিসেবে স্থায়ী হয়ে উঠতে পারে। গণতন্ত্রের মান ও শক্তি নির্ভর করে নাগরিক সচেতনতা, অংশগ্রহণ এবং প্রতিদিনের কার্যকলাপের ওপর। তাই আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের অঙ্গীকার হওয়া উচিত- শুধু গণতন্ত্রের কথা বলা নয়, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে প্রতিদিনের রাষ্ট্র ও সমাজজীবনে বাস্তবায়ন করা।

গণতন্ত্র কোনো স্থির অর্জন নয়; প্রতিটি প্রজন্মকে এটি নতুন করে রক্ষা করতে হয়। আজ যদি আমরা স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, বহুত্ববাদ ও মানবিক মর্যাদার পক্ষে দাঁড়াই, তাহলে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ এখনো উজ্জ্বল। আর যদি আমরা নীরব থাকি, তাহলে গণতন্ত্রের অবক্ষয় ধীরে ধীরে এমন এক বাস্তবতায় পরিণত হতে পারে, যেখানে নির্বাচন থাকবে—কিন্তু জনগণের প্রকৃত ক্ষমতা থাকবে না।

লেখক: ফিকামলি তত্ত্বের জনক বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক শিক্ষক, গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক
(মতামত লেখকের সম্পূর্ণ নিজস্ব)

কেএমএএ/আপ্র/১০.০৯.২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংকট: মানবতাবাদীরা কোথায়
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংকট: মানবতাবাদীরা কোথায়

মেশকাত সাদিকবাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তে একের পর এক ভারতের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বলি হচ্ছেন, বাংলাদেশে...

কক্সবাজার স্ক্যাম ল্যাব: ডিজিটাল নিরাপত্তায় কোথায় গলদ?
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজার স্ক্যাম ল্যাব: ডিজিটাল নিরাপত্তায় কোথায় গলদ?

ফারাবী বিন জহিরকক্সবাজারে একটি আন্তর্জাতিক সাইবার প্রতারণা চক্র উন্মোচিত হওয়ার ঘটনাকে কেবল পুলিশের আ...

বৈষম্য বা পণ্যের মাপে সুপেয় পানিকে অপবিত্র না করি
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বৈষম্য বা পণ্যের মাপে সুপেয় পানিকে অপবিত্র না করি

ফাইয়াজউদ্দিন আহমদদক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের লোনাপানিতে প্লাবিত কোনও জনপদের কাঠফাটা রোদে মাইলের পর মাইল হে...

ক্ষমতার জৌলুস নয়, মানুষের আস্থা
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ক্ষমতার জৌলুস নয়, মানুষের আস্থা

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম পিএসসি, জি (অব.)রাজনীতির সবচেয়ে বড় সংকট তখনই তৈরি হয়, যখন...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

জুয়া ও মাদক অনেক অপরাধের মূল কারণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বর্তমানে সংঘটিত অনেক অপরাধের পেছনে জুয়া ও মাদককে অন্যতম মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, অপরাধের পর শুধু গ্রেফতার, বিচার ও শাস্তি দিলেই এটা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। অপরাধ কেন সংঘটিত হচ্ছে, তার মূল কারণ খুঁজে বের করে তা মোকাবিলা করতে হবে। প্রিয় পাঠক, মন্ত্রীর কথার সঙ্গে আপনি কি একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে