গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

প্রতিবেশী দেশগুলোকে স্বনির্ভর হওয়া ও ‘প্রকৃত ভ্রাতৃত্ব’ গ্রহণের আহ্বান ইরানের

ক্রীড়া ডেস্ক

ক্রীড়া ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৩০ পিএম, ০৮ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৯:০৮ এএম ২০২৬
প্রতিবেশী দেশগুলোকে স্বনির্ভর হওয়া ও ‘প্রকৃত ভ্রাতৃত্ব’ গ্রহণের আহ্বান ইরানের
ছবি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি -ফাইল ছবি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রতিবেশী দেশগুলোকে স্বনির্ভর হওয়ার পাশাপাশি ‘প্রকৃত ভ্রাতৃত্ব’ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী সামরিক শক্তির বিরুদ্ধে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

শনিবার (৮ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন আরাঘচি।

তিনি বলেন, মুসলিমরা ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ালে বহিরাগতদের সৃষ্ট যেকোনো চ্যালেঞ্জ সরাসরি মোকাবিলা করা সম্ভব। এখন সময় নিজেদের ওপর নির্ভর করা এবং প্রকৃত ভ্রাতৃত্বকে গ্রহণ করার।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান সংঘাতকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে তেহরানের অবস্থান তুলে ধরেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ইরান সংলাপে বসতে প্রস্তুত। তবে ইরানের সার্বভৌমত্ব বা প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে দুর্বল করে-এমন কোনো দাবি তেহরান মেনে নেবে না।

পেজেশকিয়ান আরো বলেন, আঞ্চলিক সংঘাতের মধ্যে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করা এবং আঞ্চলিক বিভাজন ঠেকানো জরুরি।

এদিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের তৈরি ‘চোরাবালিতে’ আটকা পড়েছে এবং সামরিক ও গণমাধ্যমের নানা প্রচেষ্টা সত্ত্বেও ইরানের বিরুদ্ধে নিজেদের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।

আইআরজিসির দাবি, চলমান সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের ‘কৌশলগত অচলাবস্থা’, পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যে বিভাজন এবং দেশটির আধিপত্যের দুর্বলতার নতুন দিক সামনে এনেছে। এই পরিস্থিতি তুলে ধরতে সাংবাদিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলেও দাবি করেছে সংগঠনটি।

আরাঘচি তার পোস্টে আরো দাবি করেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সামরিক শক্তির মুখোমুখি হয়ে নিজেদের প্রস্তুতি, সক্ষমতা ও শক্তিমত্তার প্রমাণ দিয়েছে।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর কয়েক মাস ধরে চলা আঞ্চলিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটেই এসব মন্তব্য করেন আরাঘচি। সংঘাতের বিভিন্ন পর্যায়ে ইরানের ভূখণ্ডে হামলার জবাবে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলসহ এর বাইরেও বিভিন্ন মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে।

তবে সংঘাতের পক্ষগুলোর সামরিক সাফল্য ও ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে করা দাবিগুলো পৃথকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
সানা/ডিসি/আপ্র/৮/৮/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

ব্যাটিং ধসের পর বোলিংয়ে লড়াইয়ে ফিরল বাংলাদেশ
২৯ অক্টোবর ২০২৬

ব্যাটিং ধসের পর বোলিংয়ে লড়াইয়ে ফিরল বাংলাদেশ

মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ব্যাটিং বিপর্যয়ে বড় সংগ্রহ গড়তে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। তবে দিনের শেষ ভাগ...

গাজার শিশুদের জন্য ১০ লাখ পাউন্ডের বেশি তহবিল সংগ্রহ হামজার
২৯ অক্টোবর ২০২৬

গাজার শিশুদের জন্য ১০ লাখ পাউন্ডের বেশি তহবিল সংগ্রহ হামজার

ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিধ্বস্ত শিশুদের সহায়তায় ১০ লাখ পাউন্ডের বেশি তহবিল সংগ্রহ করেছেন বাংলাদেশি ব...

বিশাল জয়ের ম্যাচে কেইনকে গার্ড অব অনার বায়ার্নের
২৯ অক্টোবর ২০২৬

বিশাল জয়ের ম্যাচে কেইনকে গার্ড অব অনার বায়ার্নের

ক্যারিয়ারে প্রথমবার ব্যালন দ’র জয়ের পর হ্যারি কেইনকে বিশেষ সম্মান জানিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। বুধবার জা...

ইরাকে কম্পাউন্ড নারী এককে সোনা জিতলেন বন্যা
২৯ অক্টোবর ২০২৬

ইরাকে কম্পাউন্ড নারী এককে সোনা জিতলেন বন্যা

ইরাকে এশিয়া কাপ ওয়ার্ল্ড র‍্যাঙ্কিং টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ধাপে কম্পাউন্ড নারী এককে সোনা জিতেছেন বাংল...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পুলিশকে শক্তিশালী না করলে দিনে-রাতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলা যাবে না

পুলিশকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির, পিপিএম বলেছেন, “আপনারা সাংবাদিক ভাইয়েরা পুলিশকে ব্যবহার করেন। পুলিশকে শক্তিশালী না করলে আমরা সমাজে দিনে-রাতে কেউই স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারব না।” রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট পুলিশ লাইনে জেলা পুলিশের আয়োজনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন আইজিপি সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 দিন আগে