গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

পাকিস্তানি নারীদের হাতে তৈরি বিশ্বকাপের ফুটবল

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:০৪ পিএম, ০১ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ০৫:০৯ এএম ২০২৬
পাকিস্তানি নারীদের হাতে তৈরি বিশ্বকাপের ফুটবল
ছবি

ছবি সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রতিটি গোল, পেনাল্টি আর শেষ মুহূর্তের জয়সূচক শট—সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে পাকিস্তানের তৈরি ফুটবল। বিশ্বের অন্যতম জমকালো এই টুর্নামেন্টে ব্যবহৃত ‘ট্রিওন্ডা’ বলটি তৈরি হয়েছে পাকিস্তানের শিয়ালকোট শহরে। যদিও বিশ্বকাপ ফুটবলে পাকিস্তানের জাতীয় দলের অংশগ্রহণ নেই, কিন্তু দেশটির তৈরি বল ছাড়া ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই মহোৎসব যেন অপূর্ণ।

পাকিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর শিয়ালকোট বিশ্বজুড়ে ‘ফুটবলের কারখানা’ হিসেবে পরিচিত। সারা বিশ্বে ব্যবহৃত মোট ফুটবলের প্রায় ৭০ শতাংশই এই শহর থেকে তৈরি হয়। ১৯১২ সাল থেকে শিয়ালকোটে ফুটবল তৈরির ঐতিহ্য চলে আসছে; যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একটি বিশাল রফতানি শিল্পে রূপ নিয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন এই শহর থেকে প্রায় তিন লাখ বল সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

ওই বল তৈরির নেপথ্যে রয়েছেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার খাজা মাসুদ আখতার। ১৯৯১ সালে মাত্র ২০ জন কর্মী এবং একটি ছোট রুম নিয়ে তিনি ‘ফরোয়ার্ড স্পোর্টস প্রাইভেট লিমিটেড’ প্রতিষ্ঠা করেন। তার তৈরি কোম্পানি ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপ, ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপ, ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ এবং এখন ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের জন্য অফিসিয়াল ম্যাচ বল তৈরি করে আসছে। ১৯৯৪ সালে অ্যাডিডাসের সঙ্গে অংশীদারিত্ব হওয়ার পর থেকে কোম্পানিটি আর পেছনে ফিরে তাকায়নি।

ফরোয়ার্ড স্পোর্টস শুধু হাতে সেলাই করা বলেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তারা প্রযুক্তিতেও বিনিয়োগ করেছে। থার্মো-বন্ডিং প্রযুক্তি থেকে শুরু করে লেজার-কাটিং সিস্টেম এবং সেন্সর-যুক্ত বল তৈরির মাধ্যমে তারা আধুনিক ফুটবল শিল্পের মান বজায় রাখছে।

ইন্টারনেটে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮২ সাল থেকে শুরু করে দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে পাকিস্তানের শিয়ালকোট বিভিন্ন বিশ্বকাপের ম্যাচ বল তৈরির বিশ্বস্ত স্থান হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে।

বিশ্বের বড় বড় টুর্নামেন্টের বল তৈরির এই সাফল্যে নারীদের ভূমিকাও অপরিসীম। কারখানায় কাজ করা দক্ষ নারী কর্মীদের নিখুঁত কারুকার্যের কারণেই আজ বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তানের বলের এতো কদর। পাকিস্তানের এই অর্জন প্রমাণ করে যে, ইচ্ছা ও পরিশ্রম থাকলে যেকোনো অসাধ্য সাধন করা সম্ভব।

আপ্র/কেএমএএ/০১.০৭.২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

শিক্ষাজীবনের শুরুটা শিশুর স্বস্তিদায়ক করতে পরিবারের ভূমিকা
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শিক্ষাজীবনের শুরুটা শিশুর স্বস্তিদায়ক করতে পরিবারের ভূমিকা

শিক্ষাজীবনের শুরু একটি শিশুর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। যে কোনো নতুন জায়গার সঙ্গে মানিয়ে নিতে শিশুদ...

মজুরিভিত্তিক নারী শ্রমিকদের আয় কমে বাড়ছে ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মজুরিভিত্তিক নারী শ্রমিকদের আয় কমে বাড়ছে ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা

ঢাকার রাস্তায় সকাল থেকেই তাপের তীব্রতা বাড়তে থাকে। দুপুর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পিচঢালা রাস্তা যেন উত্তপ...

স্ক্রিনে আসক্ত শিশুরা হারাচ্ছে শৈশব ও শারীরিক বৃদ্ধি
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্ক্রিনে আসক্ত শিশুরা হারাচ্ছে শৈশব ও শারীরিক বৃদ্ধি

বাংলাদেশে দুই দশক ধরে অলিম্পিয়াড আন্দোলন বেশ জনপ্রিয়। গণিত অলিম্পিয়াড থেকে শুরু করে দেশে এখন ২৪-২৫ ধ...

রামাবাইয়ের শাড়ি পরে খালি পায়ে ‘ম্যারাথন’ জয়
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রামাবাইয়ের শাড়ি পরে খালি পায়ে ‘ম্যারাথন’ জয়

মেয়ের পড়াশোনার খরচ জোগাতে শাড়ি পরে খালি পায়ে ম্যারাথনে অংশ নিয়ে জয় পেয়েছেন ভারতের মহারাষ্ট্রের বিড জ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই