হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত পঞ্চগড়ে ধীরে ধীরে কমছে তাপমাত্রা। দিনের বেলায় ঝলমলে রোদ থাকলেও সন্ধ্যার পর বাড়ছে ঠান্ডার অনুভূতি। রাত ও ভোরে কুয়াশার সঙ্গে হিমেল বাতাস শীতের আগমনী বার্তা দিচ্ছে। এরই মধ্যে এক দিনের ব্যবধানে জেলার তাপমাত্রা কমেছে প্রায় এক ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল ৯৯ শতাংশ।
এদিকে, সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল তিনটায় জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৩ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
পঞ্চগড় সদর উপজেলার বাসিন্দা আশরাফ আলি বলেন, গত কয়েকদিন ধরে শীতের তীব্রতা অনেকটা বাড়ছে। কিছুদিন আগেও কিন্তু কম শীত করতো। সকাল বেলা এখন ভ্যান নিয়ে বেড় হলে হালকা শীতের কাপড় নিতে হচ্ছে। সকাল বেলা ভ্যান চালাতে খুবই কষ্ট হচ্ছে।
পঞ্চগড় শহরের বাসিন্দা লোকমান মিয়া বলেন, পুরোদমে শীত আসতে আরো ২০-২৫ দিন বাকী আছে। তবে তার আগেই শীত অনুভূতি কড়া নাড়ছে। সন্ধ্যার পরে হালকা কাপড় না পড়লে মোটরসাইকেল চালানো যায় না। রাতে পাতলা কম্বল মুড়ি দিয়ে ঘুমাতে হয়। ফ্যান চালানো তো বন্ধ করে দিয়েছি ১০-১৫ দিন আগেই।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, গত কয়েকদিন ধরে আকাশে মেঘ না থাকায় হিমালয়ের বাতাসে জেলায় তাপমাত্রার পারদ কমছে। শীত আসতে শুরু করেছে। তবে ৩১ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর জেলায় বৃষ্টি বলয় কেটে গেলে শীতের তীব্রতা আরো বাড়বে।
এসি/আপ্র/২৭/১০/২০২৬