গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

সুন্দরবনে দস্যুদের আত্মসমর্পণের আহ্বান

ফকির হাসান আলী, বাগেরহাট প্রতিনিধি

ফকির হাসান আলী, বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০২:১৪ পিএম, ২২ মে ২০২৬ | আপডেট: ০৬:৫২ এএম ২০২৬
সুন্দরবনে দস্যুদের আত্মসমর্পণের আহ্বান
ছবি

ছবি কোস্ট গার্ডের মিডিয়া সেল থেকে

সরকারের ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতির আলোকে সুন্দরবনে সক্রিয় সব বনদস্যুকে দ্রুত আত্মসমর্পণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। আত্মসমর্পণকারীদের পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে, অন্যথায় আরো কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে  কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ড সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও কঠোর অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করছে। সরকারের দিকনির্দেশনায় বনদস্যু নির্মূল ও উপকূলীয় জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালি ও বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

এই অভিযানের অংশ হিসেবে “অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন” ও “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড” নামে দুটি অভিযান চলমান রয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে এ পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ২৬টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ, ওয়াকিটকি উদ্ধার এবং ২১ জন বনদস্যুকে আটক করা হয়েছে। এ সময় জিম্মি অবস্থায় থাকা ২০ জনকে উদ্ধার করে নিরাপদে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কোস্ট গার্ড জানায়, ধারাবাহিক অভিযানের ফলে সুন্দরবনে সক্রিয় দস্যু বাহিনীগুলো বর্তমানে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। গোয়েন্দা তৎপরতা ও নিয়মিত অভিযানের চাপে অনেক দস্যু আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ মে ২০২৬ রাতে মোংলা থানাধীন নন্দবালা খাল এলাকায় সুন্দরবনের ছোট সুমন বাহিনীর সাত সদস্য অস্ত্রসহ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে। তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

আত্মসমর্পণকারীরা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতি, জেলে ও বনজীবীদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে জানায় কোস্ট গার্ড।

কোস্ট গার্ড আরো জানায়, আত্মসমর্পণকারীদের পুনর্বাসনসহ আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে যেসব দস্যু এখনো আত্মসমর্পণ করেনি, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান আরো জোরদার করা হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, কোস্ট গার্ডের চলমান অভিযানে দস্যু চক্রের একটি অংশ বিভিন্নভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে, তবে তা অভিযানকে ব্যাহত করতে পারবে না।

সংস্থাটি সুন্দরবনের সব সক্রিয় দস্যুকে দস্যুবৃত্তি ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির আওতায় সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত করতে অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
সানা/আপ্র/২২/৫/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ইতালি পাঠানোর প্রলোভনে ৫৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ, লিবিয়ায় ১৭ মাস বন্দি সুমন
২৯ অক্টোবর ২০২৬

ইতালি পাঠানোর প্রলোভনে ৫৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ, লিবিয়ায় ১৭ মাস বন্দি সুমন

অনাদি কুমার মণ্ডল: ইতালিতে সরাসরি পাঠানো ও ভালো বেতনের চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৫৮...

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে নামছেন চাঁদপুরের অর্ধলক্ষাধিক জেলে
২৯ অক্টোবর ২০২৬

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে নামছেন চাঁদপুরের অর্ধলক্ষাধিক জেলে

মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে আবারও নদীত...

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু
২৯ অক্টোবর ২০২৬

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শ...

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদের অংশগ্রহণ জরুরি
২৯ অক্টোবর ২০২৬

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদের অংশগ্রহণ জরুরি

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্র...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পুলিশকে শক্তিশালী না করলে দিনে-রাতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলা যাবে না

পুলিশকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির, পিপিএম বলেছেন, “আপনারা সাংবাদিক ভাইয়েরা পুলিশকে ব্যবহার করেন। পুলিশকে শক্তিশালী না করলে আমরা সমাজে দিনে-রাতে কেউই স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারব না।” রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট পুলিশ লাইনে জেলা পুলিশের আয়োজনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন আইজিপি সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 দিন আগে