গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

প্রধান শিক্ষিকার ব্যাগে মিড-ডে মিলের ডিম-রুটি, তদন্ত কমিটি

জেলা প্রতিনিধি, বরিশাল

জেলা প্রতিনিধি, বরিশাল

প্রকাশিত: ১৪:২৪ পিএম, ২৭ জুন ২০২৬ | আপডেট: ০১:৩৭ এএম ২০২৬
প্রধান শিক্ষিকার ব্যাগে মিড-ডে মিলের ডিম-রুটি, তদন্ত কমিটি
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বরিশালের বাকেরগঞ্জে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার ব্যাগে শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ মিড-ডে মিল কর্মসূচির ডিম ও রুটি পাওয়ার ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ।

শনিবার (২৭ জুন) সকালে বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও নজরে আসার পর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিন ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদি ইউনিয়নের রানিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছুটি শেষে বাড়ি ফেরার সময় প্রধান শিক্ষিকা রেশমা আক্তার মিষ্টিকে স্থানীয় কয়েকজন আটকে তার ব্যাগ তল্লাশি করেন। এ সময় ব্যাগ থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি বরাদ্দের দুই ডজন ডিম ও ২২টি রুটি উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার (২৬ জুন) ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ওই প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ খাদ্যসামগ্রী নিয়মিত আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয়দের অনুরোধে প্রথমে ব্যাগ দেখাতে অনীহা প্রকাশ করেন প্রধান শিক্ষিকা। পরে তাদের চাপে ব্যাগ খুলে দিলে সেখান থেকে সরকারি বরাদ্দের ডিম ও রুটি বেরিয়ে আসে।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার আত্মসাতের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষিকা রেশমা আক্তার মিষ্টি দাবি করেন, বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে বিরোধের জেরেই তার সঙ্গে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এরপর তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ।

এসি/আপ্র/২৭/০৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

সেতুর বাইপাস থেকে মোটরসাইকেলসহ সবুজের লাশ উদ্ধার
২৯ অক্টোবর ২০২৬

সেতুর বাইপাস থেকে মোটরসাইকেলসহ সবুজের লাশ উদ্ধার

সুজাউদ্দৌলা সুজন, জামালপুর: সড়কের একদিকে মোটরসাইকেল, আরেকদিকে পড়ে থাকা এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে...

এমএফসের অপব্যবহার তদন্ত ও প্রতিরোধ বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত
২৯ অক্টোবর ২০২৬

এমএফসের অপব্যবহার তদন্ত ও প্রতিরোধ বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

এস এ খান শিল্টু মেহেরপুর: মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফস) অপব্যবহার তদন্ত ও প্রতিরোধ বিষয়ক স...

সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী আহত, ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবি
২৯ অক্টোবর ২০২৬

সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী আহত, ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবি

টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার ছুটির পর সড়ক প...

দিনব্যাপী নিরাপদ অভিবাসন, মানব পাচার বিষয়ে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন
২৯ অক্টোবর ২০২৬

দিনব্যাপী নিরাপদ অভিবাসন, মানব পাচার বিষয়ে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুর এ ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রকল্পের আয়োজনে ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন-এর অর্থায়নে ২৯...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পুলিশকে শক্তিশালী না করলে দিনে-রাতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলা যাবে না

পুলিশকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির, পিপিএম বলেছেন, “আপনারা সাংবাদিক ভাইয়েরা পুলিশকে ব্যবহার করেন। পুলিশকে শক্তিশালী না করলে আমরা সমাজে দিনে-রাতে কেউই স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারব না।” রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট পুলিশ লাইনে জেলা পুলিশের আয়োজনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন আইজিপি সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 দিন আগে