গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

মেনু

দিনে-দুপুরে নেমে আসবে অন্ধকার, জানা গেল বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের তারিখ

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৩২ পিএম, ০৭ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১৪:৩৮ এএম ২০২৬
দিনে-দুপুরে নেমে আসবে অন্ধকার, জানা গেল বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের তারিখ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

দুই বছরেরও বেশি সময় পর মহাকাশে দেখা যাবে এক বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণ। আগামী ১২ আগস্ট চাঁদ যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে দাঁড়াবে, তখন সূর্যের আলো সম্পূর্ণভাবে ঢাকা পড়ে যাবে। এর ফলে পৃথিবীর কিছু সুনির্দিষ্ট অঞ্চলে দিনের বেলায়ও সাময়িকভাবে রাতের অন্ধকার ছেয়ে যাবে। খবর গালফ নিউজের। 
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার তথ্যমতে, চাঁদ যখন সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে অবস্থান করে এবং চাঁদের ছায়া পৃথিবীর ওপর পড়ে, তখনই পূর্ণ সূর্যগ্রহণ ঘটে। এই মহাজাগতিক ঘটনার কারণে নির্দিষ্ট কিছু এলাকা থেকে সূর্যকে সম্পূর্ণ আড়াল হতে দেখা যায়।

এবারের পূর্ণ সূর্যগ্রহণটি মূলত গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, স্পেন এবং উত্তর-পূর্ব পর্তুগালের কিছু অংশ থেকে সরাসরি দেখা যাবে। এসব অঞ্চলে ‘টোটালিটি’ বা সূর্য সম্পূর্ণ আড়াল হওয়ার মুহূর্তে দিনের আকাশ কিছু সময়ের জন্য পুরোপুরি অন্ধকার হয়ে যাবে। এ ছাড়া ইউরোপ, আফ্রিকা ও উত্তর আমেরিকার বিস্তীর্ণ এলাকায় আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে, যেখানে সূর্যের একটি অংশ চাঁদের আড়ালে থাকবে।

ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপের মূল ভূখণ্ড থেকে সর্বশেষ পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা গিয়েছিল ২০০৬ সালে। আর স্পেনের মূল ভূখণ্ড থেকে এমন ঘটনা শেষবার দেখা গিয়েছিল ১৯০৫ সালে। ফলে স্পেনের মানুষের জন্য এটি শত বছরেরও বেশি সময় পর এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এবারের গ্রহণে গ্রিনল্যান্ডের দর্শকেরা দুই মিনিটেরও বেশি সময় ধরে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ উপভোগ করতে পারবেন। অন্যদিকে উত্তর স্পেনে এই পূর্ণ অন্ধকার বজায় থাকবে মাত্র ২০ সেকেন্ডের মতো।

এদিকে সূর্যগ্রহণ দেখার ক্ষেত্রে চোখের সুরক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, বিশেষ সুরক্ষা চশমা ছাড়া কখনোই সরাসরি সূর্যের দিকে তাকানো নিরাপদ নয়। শুধুমাত্র পূর্ণ সূর্যগ্রহণের ওই নির্দিষ্ট সময়টুকুতে, যখন সূর্য পুরোপুরি চাঁদের আড়ালে ঢাকা থাকে, কেবল তখনই খালি চোখে দেখা সম্ভব। তবে সূর্যের আলো সামান্য ফিরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন গ্রহণ-চশমা (আইএসও সার্টিফাইড সোলার ভিউয়ার) ব্যবহার করতে হবে।

নাসা স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছে, সাধারণ সানগ্লাস কোনোভাবেই এই বিশেষ গ্রহণ-চশমার বিকল্প নয়। এ ছাড়া ছেঁড়া, আঁচড়যুক্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত চশমা ব্যবহার করা থেকেও বিরত থাকতে হবে। এমনকি গ্রহণ-চশমা পরে কোনো ধরনের টেলিস্কোপ, দূরবীন বা ক্যামেরার লেন্স দিয়ে সরাসরি সূর্যের দিকে তাকানোও সমান বিপজ্জনক। কারণ সোলার ফিল্টার ছাড়া এসব যন্ত্রের মাধ্যমে আসা সূর্যের তীব্র আলো চোখের রেটিনার মারাত্মক ও স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে।

এসি/আপ্র/০৭/০৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

তিন হাজারের বেশি পুরোনো গাড়ির শোভাযাত্রায় বিশ্বরেকর্ড
০৪ জুন ২০২৬

তিন হাজারের বেশি পুরোনো গাড়ির শোভাযাত্রায় বিশ্বরেকর্ড

যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমা অঙ্গরাজ্যের টোলসা শহরে তিন হাজারের বেশি পুরোনো মডেলের গাড়ি নিয়ে আয়োজিত এক বর...

কম্পিউটারে সরাসরি এআই চলার চিপ আনল এনভিডিয়া
০৪ জুন ২০২৬

কম্পিউটারে সরাসরি এআই চলার চিপ আনল এনভিডিয়া

ব্যক্তিগত কম্পিউটারে সরাসরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সুবিধা পৌঁছে দিতে নতুন প্রজন্মের একটি চিপ উন...

বিল গেটসের বিরুদ্ধে ২০ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ
০৪ জুন ২০২৬

বিল গেটসের বিরুদ্ধে ২০ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ

মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের বিরুদ্ধে তার সাবেক স্ত্রী মেলিন্ডা গেটসের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের...

এআই নিরাপত্তায় সীমিত নির্বাহী আদেশে সই ট্রাম্পের
০৩ জুন ২০২৬

এআই নিরাপত্তায় সীমিত নির্বাহী আদেশে সই ট্রাম্পের

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সাইবার নিরাপত্তা-সংক্রান্ত সীমিত পরিসরের একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন য...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ঢাকা আর বাসযোগ্য নেই, সব রোগের মূল বুড়িগঙ্গা

রাজধানী ঢাকার বর্তমান পরিবেশ ও নাগরিক দুরবস্থা নিয়ে চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘এটা (ঢাকা) আর বাসযোগ্য মনে হয় না। ঘর থেকে বেরোলেই নিঃশ্বাস নেওয়া যায় না, চারদিকে দূষিত বাতাস। আমার তো মনে হয়, ঢাকার সব রোগের মূলেই বুড়িগঙ্গা। আপনি কি মন্ত্রীর এই বক্তব্যে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 23 ঘন্টা আগে