গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৩ প্রতিষ্ঠানকে শোকজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:৪৫ পিএম, ২১ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৬:৫৬ এএম ২০২৬
কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৩ প্রতিষ্ঠানকে শোকজ
ছবি

ফাইল ছবি

কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটে হোটেল শিখা ইনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাত বাংলাদেশিসহ নয়জনের মৃত্যুর পর ওই এলাকার হোটেল-রেস্তোরাঁয় অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ ফায়ার সার্ভিস। এরই মধ্যে নিরাপত্তাবিধি যথাযথভাবে না মানার অভিযোগে ৯টি হোটেল ও ৪টি রেস্তোরাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ জানতে চেয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে অগ্নিনিরাপত্তা বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা কেন নেওয়া হয়নি। নোটিশের সন্তোষজনক জবাব না দিলে প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স বাতিল করা হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

বাংলাদেশি পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় মির্জা গালিব স্ট্রিটে পাঁচতলা একটি ভবনের তৃতীয় তলায় ছিল শিখা ইন। সম্প্রতি সেখানে ভয়াবহ আগুনে সাত বাংলাদেশি ও দুই ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়। আগুন ও ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে কুষ্টিয়ার এক সাংবাদিক, তাঁর স্ত্রী, শিশুসন্তান ও শ্বশুর ছিলেন। নিহত দুই ভারতীয়র একজন শিখা ইনের ১৯ বছর বয়সী কর্মী সন্দ্বীপ পাসোয়ান। তাঁর বাড়ি ঝাড়খন্ডের গিরিডিতে। অপরজন যোগ নারায়ণ আগরওয়াল, বয়স ৬৮ বছর; তাঁর বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে।

প্রাথমিক তদন্তে হোটেলের অভ্যর্থনাকক্ষে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল বলে জানা গেছে। পরে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে ভবনের অন্যান্য অংশে।
হোটেল পরিচালনায় অনিয়মের অভিযোগ: অগ্নিকাণ্ডের পর শিখা ইন পরিচালনা নিয়েও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। হোটেলটির মূল মালিক বীরেশ্বর মিত্র। প্রায় পাঁচ মাস আগে তিনি আবুজাফর নামের এক ব্যক্তির স্ত্রীর কাছে মাসিক ৪০ হাজার রুপি ভাড়ায় ১১ মাসের জন্য হোটেলটি ইজারা দেন।

অগ্নিকাণ্ডের সময় হোটেলে মোট ১০ জন অতিথি ছিলেন। তাঁদের মধ্যে সাতজনই বাংলাদেশি পর্যটক।

ঘটনার পর হোটেলটির ইজারাদার আবুজাফরকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। তাঁর স্ত্রী এখনো পলাতক। একই মালিকের আরেকটি হোটেল ‘যাপন’-এর এক কর্মীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে তাঁর পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

আবুজাফরকে আদালতে হাজির করা হলে কলকাতার আদালত তাঁকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছেন।

ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের পর মির্জা গালিব স্ট্রিটের অন্য হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থাও এখন কঠোর নজরদারির আওতায় এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের শোকজ নোটিশের পাশাপাশি পরবর্তী সময়ে এসব প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো কঠোরভাবে যাচাই করা হতে পারে।
সানা/আপ্র/২১/৮/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

ইলন মাস্ককে ‘প্রকৃত প্রতিভাবান’ আখ্যা দিয়েছেন পুতিন
২৯ অক্টোবর ২০২৬

ইলন মাস্ককে ‘প্রকৃত প্রতিভাবান’ আখ্যা দিয়েছেন পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও স্পেসএক্সের প্রধান ইলন মাস্ককে ‘প্র...

স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬৮, তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা
২৯ অক্টোবর ২০২৬

স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬৮, তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা

স্পেনে দ্রুতগতির দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে ৬৮ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় তিন দিনের শোক ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার।...

নেতানিয়াহুর জোটের জয়েও সরকার গঠন নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা
২৯ অক্টোবর ২০২৬

নেতানিয়াহুর জোটের জয়েও সরকার গঠন নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা

ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচনের আংশিক ফলাফলে এগিয়ে রয়েছেন দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।...

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন স্পাই ড্রোন আটকানোর দাবি ইরানের
২৯ অক্টোবর ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন স্পাই ড্রোন আটকানোর দাবি ইরানের

হরমুজ প্রণালির পশ্চিমাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোয়েন্দা ড্রোন নিরাপদে ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরানে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পুলিশকে শক্তিশালী না করলে দিনে-রাতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলা যাবে না

পুলিশকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির, পিপিএম বলেছেন, “আপনারা সাংবাদিক ভাইয়েরা পুলিশকে ব্যবহার করেন। পুলিশকে শক্তিশালী না করলে আমরা সমাজে দিনে-রাতে কেউই স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারব না।” রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট পুলিশ লাইনে জেলা পুলিশের আয়োজনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন আইজিপি সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 দিন আগে