গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দর টার্মিনাল নির্মাণেও সহযোগিতা

পাঁচ খাতে জাপানি বিনিয়োগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:৫৬ পিএম, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ২২:৩৬ এএম ২০২৬
পাঁচ খাতে জাপানি বিনিয়োগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি

বুধবার স্থানীয় সময় বিকেলে টোকিওতে জাপান বৈদেশিক বাণিজ্য সংস্থার (জেট্রো) হলে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরাম সংলাপে মূল বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান -ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশের মোটরযান উৎপাদন, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও মহাকাশ সহযোগিতা, রেলপথ ও সরবরাহব্যবস্থা এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও উৎপাদনশিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে জাপানি কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে সমুদ্রবন্দর এবং ঢাকায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল নির্মাণসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতার বিষয়টিও দুই দেশের আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে।

বাংলাদেশের বৃহৎ ভোক্তাবাজার, তরুণ শ্রমশক্তি ও ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণির সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, উন্নয়ন সহযোগিতার গণ্ডি পেরিয়ে শিল্পায়ন, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী বিনিয়োগ অংশীদারত্বে রূপান্তরের সময় এসেছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেলে টোকিওতে জাপান বৈদেশিক বাণিজ্য সংস্থার (জেট্রো) হলে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরাম সংলাপে মূল বক্তব্যে এসব কথা বলেন তারেক রহমান। বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় জেট্রো ও জাপান-বাংলাদেশ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা কমিটি যৌথভাবে এ সংলাপের আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী ৩০ থেকে ৫০ বছরের অংশীদারত্ব ও সহযোগিতার লক্ষ্য নিয়ে দুই দেশকে এগিয়ে যেতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৩৫০টি জাপানি কোম্পানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে বাংলাদেশে জাপানের প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ এখনো ৫০ কোটি মার্কিন ডলারের কম। দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও বিদ্যমান অর্থনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তিতে এ বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

দুই দেশের বাণিজ্যের চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, সর্বশেষ অর্থবছরে জাপানে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ছিল ১৩৬ কোটি মার্কিন ডলার। একই সময়ে জাপান থেকে বাংলাদেশ ২১৬ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। বাণিজ্যের এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তিতে নতুন সুযোগ: প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলতি বছর বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো দেশের এটিই প্রথম এ ধরনের চুক্তি। চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য জাপানের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। অন্যদিকে, ইস্পাত, মোটরযানের যন্ত্রাংশ ও বৈদ্যুতিক উপাদানসহ জাপানি পণ্য বাংলাদেশে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা পাবে।

চুক্তিটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারেক রহমান। জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা, রপ্তানি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বাংলাদেশের বাজারের সম্ভাবনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৮ কোটির বেশি মানুষের বাজার, গড়ে ২৭ বছর বয়সী তরুণ শ্রমশক্তি এবং ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণি দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ ১০টি ভোক্তা অর্থনীতির একটি হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে জাপানি কোম্পানিগুলো উৎপাদন, প্রযুক্তি ও শিল্প খাতে বিনিয়োগ করতে পারে।

মোটরযান ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আহ্বান: মোটরযান উৎপাদন খাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, চলতি মাসের শুরুর দিকে টয়োটা বাংলাদেশে যানবাহন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের কাজ শুরুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। ২০২৯ সালের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ উৎপাদন শুরুর লক্ষ্য রয়েছে। এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে টয়োটাকে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। একই সঙ্গে অন্য জাপানি কোম্পানিগুলোকেও এ খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

জ্বালানি খাতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের অবকাঠামো, দক্ষ গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সামগ্রিক জ্বালানি খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশের স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো এসব পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে পারে। এ ক্ষেত্রে জাপানের জ্বালানি কোম্পানি জেরার সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি।

উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্ক গড়ার পরিকল্পনা: রেলপথ ও সরবরাহব্যবস্থার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশালসহ দেশের প্রধান শহরগুলোকে যুক্ত করে দেশব্যাপী উড়ালপথে উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে সরকার। এ প্রকল্পের প্রস্তুতি ও বাস্তবায়নে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর কারিগরি দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও বিনিয়োগ সহায়তা চান তিনি।

তারেক রহমান বলেন, প্রস্তাবিত রেল নেটওয়ার্ক বাস্তবায়নের আগে জাতীয় রেল নেটওয়ার্কের মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন, যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের চাহিদা বিশ্লেষণ, রুটের অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা প্রয়োজন। এসব ক্ষেত্রে জাপানের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের পরিকল্পনা প্রণয়ন ও ভবিষ্যৎ অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে দুই দেশের নেতাদের বৈঠকেও অবকাঠামো উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সানায়ে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান। পরে দুই নেতার মধ্যে প্রায় ২৫ মিনিটের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে সমুদ্রবন্দর এবং ঢাকায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল নির্মাণসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বঙ্গোপসাগর শিল্প প্রবৃদ্ধি বলয় উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সানায়ে বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সেতুবন্ধ হিসেবে বাংলাদেশের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। জাপানের অর্থনীতির জন্যও বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারেক রহমান বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্বকে অর্থনীতি, সুযোগ সৃষ্টি ও অভিন্ন সমৃদ্ধির শক্তিশালী চালিকাশক্তিতে পরিণত করাই তাঁদের লক্ষ্য।

দুই দেশের নেতারা প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি দ্রুত কার্যকর করার লক্ষ্যে কাজ করতেও সম্মত হয়েছেন। এ ছাড়া মুক্ত ও অবাধ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, উত্তর কোরিয়া ও মিয়ানমারের পরিস্থিতি এবং জাপানের সরকারি নিরাপত্তা সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে সম্ভাবনা: কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও উৎপাদনশিল্পে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের ফসল, ফলমূল ও শাকসবজি উৎপাদিত হয়। এসব কৃষিপণ্যকে কেন্দ্র করে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তোলার বড় সুযোগ রয়েছে। এ খাতের সম্ভাবনা যাচাই করে জাপানি কোম্পানিগুলোকে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের জন্য জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। সুমিতোমো করপোরেশন জাপানি মানদণ্ড অনুসরণ করে এ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছে। সেখানে কারখানা স্থাপন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে জাপানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের উৎপাদন ও রপ্তানি খাতে অবদান রাখতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রযুক্তি, মহাকাশবিজ্ঞান ও কৃত্রিম উপগ্রহ প্রকৌশলেও জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন তারেক রহমান। এসব ক্ষেত্রে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা গড়ে তোলার সুযোগ খুঁজতে চায় বাংলাদেশ।

ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়নে গুরুত্ব: বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে জাপানি কোম্পানিগুলোর উদ্বেগের বিষয়েও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ, দক্ষ অবকাঠামো এবং শুল্কছাড় ও করব্যবস্থায় পূর্বানুমানযোগ্যতা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বলে জানান তিনি।

তারেক রহমান বলেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন, ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ উন্নত করা, বিদ্যমান সমস্যার সমাধান এবং বিনিয়োগের উপযোগী পরিস্থিতি তৈরি করা সরকারের দায়িত্ব। জাপানি বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগের বিষয়গুলো সরকার শুনেছে এবং সেগুলো সমাধানে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও দক্ষতা উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রতিবছর বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনের জন্য জাপানে যান। পরে দেশে ফিরে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগান। এ প্রক্রিয়াকে আরো কার্যকর করতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জাপানি ভাষা শেখানোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার।

কারিগরি দক্ষতার পাশাপাশি লাখ লাখ তরুণকে জাপানি ভাষায় দক্ষ করে তোলার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। জাপানি ভাষায় দক্ষ বাংলাদেশি পেশাজীবীরা দুই দেশের কর্মসংস্থানের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

যৌথ উদ্যোগ ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের প্রত্যাশা: সংলাপে জেট্রোর প্রেসিডেন্ট সুসুমু কাতাওকা উদ্বোধনী বক্তব্য দেন। অতিথি বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্পবিষয়ক সংসদীয় উপমন্ত্রী শিনজি ওয়াকায়ামা। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও জাপানের ব্যবসায়ী নেতারা অংশ নেন। এ সময় সমঝোতা স্মারক বিনিময়ের পাশাপাশি বিনিয়োগ ও সহযোগিতামূলক প্রকল্পের ঘোষণাও দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলার বিষয়ে বক্তব্য দেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাংলাদেশে বিনিয়োগ সহজ করতে গৃহীত সংস্কার ও নতুন উদ্যোগগুলো তুলে ধরেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের ভিত্তি গড়ে তোলার সময় জাপান পাশে ছিল। এখন শিল্পায়ন, নতুন ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে আরো শক্তিশালী অংশীদারত্বে রূপান্তরের সময় এসেছে। বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় জাপানি কোম্পানিগুলোকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি দুই দেশের জনগণের জন্য পারস্পরিক সুযোগ ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সানা/আপ্র/২৮/১০/২০২৬

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে মেলার স্থাপনা ভাঙচুর শেকৃবি শিক্ষার্থীদের
২৮ অক্টোবর ২০২৬

সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে মেলার স্থাপনা ভাঙচুর শেকৃবি শিক্ষার্থীদের

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগের প্রতিবাদে আন্দোলনরত...

রিক্রুটিং এজেন্সির গ্রেডিং নেই, যাচাইয়ে ভোগান্তিতে বিদেশগামীরা
২৮ অক্টোবর ২০২৬

রিক্রুটিং এজেন্সির গ্রেডিং নেই, যাচাইয়ে ভোগান্তিতে বিদেশগামীরা

বিদেশে কর্মী পাঠানোর কাজে নিয়োজিত রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর কার্যকর গ্রেডিং বা শ্রেণিবিন্যাস ব্যবস্থা এ...

ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বার্তা
২৮ অক্টোবর ২০২৬

ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বার্তা

মার্কিন বি১/বি২ ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য সতর্কতামূলক এক নতুন বার্তা দেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট...

বাংলাদেশে সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দর টার্মিনাল নির্মাণ করবে জাপান
২৮ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশে সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দর টার্মিনাল নির্মাণ করবে জাপান

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে সমুদ্রবন্দর এবং ঢাকায় একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল নির্মাণে সহযোগ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পুলিশকে শক্তিশালী না করলে দিনে-রাতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলা যাবে না

পুলিশকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির, পিপিএম বলেছেন, “আপনারা সাংবাদিক ভাইয়েরা পুলিশকে ব্যবহার করেন। পুলিশকে শক্তিশালী না করলে আমরা সমাজে দিনে-রাতে কেউই স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারব না।” রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট পুলিশ লাইনে জেলা পুলিশের আয়োজনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন আইজিপি সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে