গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

রাজৈরের মৃধা বাড়ির দুর্গোৎসব

ধর্ম-বর্ণের সীমানা পেরিয়ে সাংস্কৃতিক মিলনমেলা, সম্প্রীতি ও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

জেলা প্রতিনিধি, মাদারীপুর

জেলা প্রতিনিধি, মাদারীপুর

প্রকাশিত: ১৯:৪৮ পিএম, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ২১:১৭ এএম ২০২৬
ধর্ম-বর্ণের সীমানা পেরিয়ে সাংস্কৃতিক মিলনমেলা, সম্প্রীতি ও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
ছবি

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

অনাদি কুমার মন্ডল: উৎসবের প্রকৃত সৌন্দর্য কেবল আলোকসজ্জা, ধর্মীয় আচার কিংবা বর্ণাঢ্য আয়োজনে নয়; এর পূর্ণতা আসে মানুষের সঙ্গে মানুষের মিলনে। ভিন্ন ধর্ম ও পরিচয়ের মানুষ যখন একসঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেয়, তখন উৎসব হয়ে ওঠে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও মানবিকতার প্রতিচ্ছবি। মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার কদমবাড়ি ইউনিয়নের মৃধা বাড়ি সার্বজনীন দুর্গাপূজা মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত রাতব্যাপী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান তেমনই এক আনন্দঘন আয়োজন।


গতকাল শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত ১০টায় শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠান চলে পরদিন শনিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত। দীর্ঘ রাতজুড়ে গান, নাচ, অভিনয়, কৌতুক, হাসি আর উচ্ছ্বাসে মুখর ছিল পুরো আয়োজন। শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে গ্রামের বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মৃধা বাড়ি পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়। এটি কেবল একটি পূজামণ্ডপকেন্দ্রিক অনুষ্ঠান ছিল না; ছিল মানুষের সঙ্গে মানুষের পরিচিত হওয়া, আনন্দ ভাগ করে নেওয়া এবং সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধন আরো দৃঢ় করার আন্তরিক প্রয়াস।
বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশিষ্টজনদের উপস্থিতি: বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট গৌরাঙ্গ বসুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা কার এক্সপ্রেসের স্বত্বাধিকারী প্রাণতোষ মজুমদার, রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম, ওসি তদন্ত কুতুব উদ্দিন, উপপরিদর্শক ফারুক ও মো. জামাল উদ্দিন, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের মাদারীপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক জীবন বোস, রাজৈর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব কুমার দাস এবং সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা সুধাংশু কুমার গাইনসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। সোনালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার মিল্টন মন্ডল, তন্ময় গাইন ও সাকিব বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দীপক গাইন ও নীতিশ বসু। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সভাপতি অ্যাডভোকেট গৌরাঙ্গ বসু। বিশিষ্টজনদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানের মর্যাদা বাড়ালেও আয়োজনটির প্রাণ ছিল সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। সামাজিক অবস্থান কিংবা পরিচয়ের পার্থক্য ভুলে সবাই একত্র হয়েছিলেন আনন্দ ভাগ করে নিতে, প্রতিযোগীদের উৎসাহ দিতে এবং সম্মিলিতভাবে উৎসব উপভোগ করতে।

প্রতিভার স্বীকৃতিতে পুরস্কার, আনন্দে সার্থকতা: সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় দলীয় নৃত্য, একক নৃত্য, একক সংগীত এবং কৌতুক ও অভিনয়- এই চারটি বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। শিশু-কিশোর ও তরুণ প্রতিযোগীদের পরিবেশনায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে মঞ্চ। কারও নৃত্যের ছন্দ, কারও কণ্ঠের মাধুর্য, আবার কারও অভিনয় ও কৌতুক দর্শকদের আনন্দ দেয়। পুরস্কার বিতরণী পর্বে যোগ হয় বাড়তি উচ্ছ্বাস। দলীয় নৃত্য বিভাগে নিশান গ্রুপ প্রথম পুরস্কার হিসেবে একটি ফ্রিজ অর্জন করে। এ বিভাগে দ্বিতীয় পুরস্কার ছিল ৩২ ইঞ্চি এলইডি স্মার্ট টিভি, তৃতীয় পুরস্কার ২৪ ইঞ্চি এলইডি টিভি, চতুর্থ পুরস্কার ২০ ইঞ্চি এলইডি টিভি এবং পঞ্চম পুরস্কার ১৮ ইঞ্চি এলইডি টিভি। একক নৃত্য বিভাগে ২৪ ইঞ্চি এলইডি টিভিসহ মোট আটটি টিভি এবং বিভিন্ন বিভাগে আরো আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ করা হয়। তবে পুরস্কারের চেয়েও বড় হয়ে উঠেছিল প্রতিযোগীদের মুখের হাসি, বিজয়ীদের উচ্ছ্বাস এবং দর্শকদের করতালি। কারণ, পুরস্কার হাতে পাওয়ার আনন্দ সাময়িক হলেও প্রতিভার স্বীকৃতি একজন শিশুর মনে দীর্ঘদিন আত্মবিশ্বাস জোগাতে পারে। আজ যারা মঞ্চে দাঁড়িয়ে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরছে, তাদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যতে উঠে আসতে পারে শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী কিংবা সমাজে ইতিবাচক অবদান রাখা মানুষ।

নতুন প্রজন্মের সৃজনশীলতা বিকাশে এমন আয়োজনের গুরুত্ব এখানেই।

ধর্ম যার যার, উৎসবের আনন্দ সবার: মৃধা বাড়ির দুর্গোৎসবের অন্যতম তাৎপর্য হলো, উৎসবের আনন্দ একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বিভিন্ন ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে প্রমাণিত হয়েছে, বিশ্বাসের ভিন্নতা পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার পথে বাধা হতে হবে না। আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্য থাকলে ভিন্ন পরিচয়ের মানুষও একই আনন্দে একত্র হতে পারেন।

একটি শিশুর হাসির কোনো ধর্মীয় পরিচয় নেই। বিপদে প্রতিবেশীর পাশে দাঁড়ানো কিংবা তার আনন্দে আনন্দিত হওয়ার জন্য একই ধর্মের অনুসারী হওয়া জরুরি নয়। মানুষের প্রতি মানুষের এই অকৃত্রিম অনুভূতিই সামাজিক বন্ধনের অন্যতম মূল্যবান ভিত্তি।

বাংলাদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে বিভিন্ন ধর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষের সহাবস্থান গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। এই বহুত্বের মধ্যে ঐক্যের চর্চা ধরে রাখাই আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব। দুর্গাপূজা হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব হলেও এর আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মধ্য দিয়ে সমাজের সব মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা বাড়তে পারে।

তবে সম্প্রীতি শুধু উৎসবের মঞ্চে পাশাপাশি বসা কিংবা একসঙ্গে ছবি তোলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রকৃত সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হয় তখনই, যখন প্রত্যেকে নিরাপদে নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারেন, অন্যের বিশ্বাস ও অধিকারকে সম্মান করেন এবং বিপদে-আপদে একে অপরের পাশে দাঁড়ান। উৎসবের বাইরেও এই মানবিক দায়িত্ব পালন করতে হবে।

গ্রামবাংলার সংস্কৃতি বেঁচে থাকুক: গ্রামবাংলার মেলা, যাত্রাপালা, লোকসংগীত, নৃত্য ও নাট্যচর্চা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সম্মিলিত আনন্দের উৎস হিসেবে ভূমিকা রেখেছে। সময়ের পরিবর্তনে বিনোদনের মাধ্যম বদলেছে, কিন্তু মানুষের সঙ্গে মানুষের সরাসরি মেলামেশা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার আকাঙ্ক্ষা এখনো অমলিন।

এ বাস্তবতায় মৃধা বাড়ির মতো গ্রামীণ জনপদে রাতব্যাপী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এ ধরনের উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মকে সরাসরি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেয়, আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটায়। একই সঙ্গে ভিন্ন বয়স ও পরিচয়ের মানুষের মধ্যে পরিচিতি, সহযোগিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

এ ধরনের উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা গেলে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মী তৈরি হওয়ার সুযোগ বাড়বে। উৎসব তখন কয়েক দিনের আনন্দে সীমাবদ্ধ থাকবে না; হয়ে উঠবে দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক বন্ধন ও মানবিক বিকাশের অনুপ্রেরণা।

সম্প্রীতির ধারা ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র: একটি সফল আয়োজনের পেছনে থাকে আয়োজকদের শ্রম, শুভানুধ্যায়ীদের সহযোগিতা, অতিথিদের উপস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের আন্তরিক অংশগ্রহণ। মৃধা বাড়ির এ আয়োজনেও সেই সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রতিফলন ঘটেছে।

মৃধা বাড়ি সার্বজনীন দুর্গাপূজা মন্দির কমিটির সভাপতি হিসেবে এ আয়োজনের তাৎপর্য উপলব্ধি করার বিশেষ সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রত্যাশা, সম্প্রীতির এই ধারা আরো বিস্তৃত হবে, নতুন প্রজন্ম সাংস্কৃতিক চর্চায় উৎসাহিত হবে এবং সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ দৃঢ় হবে। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কোনো মানুষ যেন অবহেলা, বৈষম্য কিংবা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হন- এ নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠা করাও জরুরি।

২৩ অক্টোবর রাত থেকে ২৪ অক্টোবর সকাল ১০টা পর্যন্ত চলা অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে। একসময় মঞ্চের আলো নিভবে, বাদ্যযন্ত্রের শব্দ থামবে, অতিথিরা ফিরে যাবেন নিজ নিজ কর্মস্থলে। কিন্তু শিশু-কিশোরদের প্রাপ্তির স্মৃতি, দর্শকদের আনন্দ এবং ভিন্ন ধর্মের মানুষের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া মুহূর্তগুলো থেকে যাবে দীর্ঘদিন।

দেবী দুর্গার আরাধনার অন্তর্নিহিত শিক্ষা অশুভের বিরুদ্ধে শুভের জয়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা এবং অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর অভিযাত্রা। এই শিক্ষাকে বাস্তব জীবনে ধারণ করার অর্থ হলো মানুষের দুঃখে পাশে দাঁড়ানো, অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং ভিন্নমত ও ভিন্ন ধর্মের মানুষের অধিকারকে সম্মান করা।

আমরা এমন এক বাংলাদেশ চাই, যেখানে প্রত্যেকে স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করবেন, অন্যের বিশ্বাসকে শ্রদ্ধা করবেন এবং দেশ ও সমাজের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করবেন। যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের চেয়ে বড় হবে মানুষের মর্যাদা, আর নিরাপদে বেঁচে থাকার অধিকার নিশ্চিত হবে সবার জন্য।

মৃধা বাড়ির দুর্গোৎসব সেই প্রত্যাশার পথে একটি ছোট অথচ অর্থবহ পদক্ষেপ। উৎসব শেষ হয়, কিন্তু সম্প্রীতি যেন শেষ না হয়। মানুষে মানুষে ভালোবাসা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার বন্ধন অটুট থাকুক; মানবিকতাই হোক আমাদের সম্মিলিত শক্তি।
সানা/আপ্র/২৪/১০/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

চাঁদাবাজি দমনে নতুন আইন হচ্ছে: আইজিপি
২৪ অক্টোবর ২০২৬

চাঁদাবাজি দমনে নতুন আইন হচ্ছে: আইজিপি

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নতুন আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপ...

বদরগঞ্জে দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, চালক-গার্ডকে মারধর
২৪ অক্টোবর ২০২৬

বদরগঞ্জে দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, চালক-গার্ডকে মারধর

মাহাবুব রহমান বিপ্লব, বদরগঞ্জ: রংপুরের বদরগঞ্জে ১৩ নম্বর রেলওয়ে কোচিং এলাকায় দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্র...

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার স্লোগানে কুমিল্লায় ছাত্রলীগের মিছিল, গ্রেফতার ১৮
২৪ অক্টোবর ২০২৬

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার স্লোগানে কুমিল্লায় ছাত্রলীগের মিছিল, গ্রেফতার ১৮

কুমিল্লা সংবাদদাতা: কুমিল্লা নগরে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার স্লোগান...

রাজৈরে ২৭ দরিদ্র পরিবার পেল ছাগল, মুরগি ও ঘর
২৪ অক্টোবর ২০২৬

রাজৈরে ২৭ দরিদ্র পরিবার পেল ছাগল, মুরগি ও ঘর

মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার কদমবাড়িতে ২৭টি দরিদ্র পরিবারের মধ্যে বিনামূল্যে ২৪টি...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দল বিশৃঙ্খলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: প্রধানমন্ত্রী

দেশের বিভিন্ন স্থানে ও কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টির পেছনে পলাতক স্বৈরাচার ও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ বিষয়ে তাঁর কাছে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে দাবি করে তিনি বলেছেন, এক পক্ষ সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ সরবরাহ করছে, অন্য পক্ষ দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে