গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

সরবরাহ বাড়লেও ইলিশ মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫:২৫ পিএম, ১৮ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২৩:৩৫ এএম ২০২৬
সরবরাহ বাড়লেও ইলিশ মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বর্ষা মৌসুমে বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়লেও উচ্চ দামের কারণে মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে রয়ে গেছে জাতীয় মাছ। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশ ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়ায় অনেক ক্রেতাকেই খালি হাতে ফিরতে দেখা গেছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের টাউন হল, চন্দ্রিমা, ঢাকা উদ্যান, কাদেরাবাদ হাউজিং ও জেনেভা ক্যাম্প বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে ইলিশের উপস্থিতি থাকলেও দাম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন ক্রেতারা। অনেকেই শুধু দাম জেনে ফিরে যাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ বাধ্য হয়ে ছোট আকারের ইলিশ বা বিকল্প মাছ কিনছেন।

বাজারে ৪৫০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা কেজি দরে। ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম ১ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার টাকা। আর এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশের দাম ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা কেজি।

টাউন হল বাজারের ক্রেতা শাওন বলেন, ইলিশ কিনতে এসেও দাম শুনে ছোট মাছ নিয়েই ফিরতে হচ্ছে। সংসারের খরচ সামলে এত দামে ইলিশ কেনা সম্ভব নয়।

একই বাজারের আরেক ক্রেতা চন্দনা রানী জানান, কয়েকটি দোকান ঘুরে এক কেজির কিছু বেশি ওজনের দুটি ইলিশ ৪ হাজার ২০০ টাকায় কিনেছেন। তার দাবি, বাজারে তাজা ইলিশের তুলনায় হিমাগারের মাছই বেশি।

চন্দ্রিমা বাজারের ক্রেতা সাইফুল বলেন, সন্তানদের ইচ্ছা পূরণ করতে ছোট একটি ইলিশ কিনেছেন। বড় ইলিশ কেনার সামর্থ্য তার নেই।

জেনেভা ক্যাম্প বাজারের এক চাকরিজীবী বলেন, ইলিশের মৌসুমে অন্তত একবার কিনতে চান। কিন্তু এক কেজি ইলিশ কিনতেই কয়েক দিনের বাজারের বাজেট শেষ হয়ে যায়।

ঢাকা উদ্যান বাজারের গৃহিণী খাদিজা বেগমের ভাষ্য, বাজারে মাছের অভাব নেই, কিন্তু দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, এখনো পর্যাপ্ত পরিমাণে তাজা ইলিশ বাজারে আসেনি। চন্দ্রিমা বাজারের মাছ বিক্রেতা মামুন বলেন, তার দোকানে ছোট আকারের ইলিশ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৪৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। উচ্চমূল্যের বড় ইলিশ তারা আনেন না, কারণ তাদের ক্রেতাদের বেশিরভাগই নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত।

টাউন হল বাজারের বিক্রেতা বাদশা মিয়া জানান, এক কেজি বা তার কিছু বেশি ওজনের ইলিশ ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তার মতে, বাজারের অধিকাংশ ইলিশ এখনো হিমাগারে সংরক্ষিত, তাজা মাছের সরবরাহ সীমিত।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতার উপস্থিতি থাকলেও উচ্চমূল্যের কারণে ইলিশ কেনায় আগ্রহ কম। মধ্যবিত্তের প্রত্যাশা, মৌসুমে সরবরাহ আরও বাড়লে দাম কমে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আসবে।

এসি/আপ্র/১৮/০৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

কৃষিতে ঋণ বিতরণ বৃদ্ধিতেও খেলাপি ও বকেয়া আদায়ে উদ্বেগ
২৯ অক্টোবর ২০২৬

কৃষিতে ঋণ বিতরণ বৃদ্ধিতেও খেলাপি ও বকেয়া আদায়ে উদ্বেগ

কৃষি খাতে ঋণ বিতরণ বাড়লেও খেলাপি ঋণ ও বকেয়া আদায় নিয়ে উদ্বেগ কাটছে না। গত অর্থবছরের শেষে কৃষিঋণের খে...

বিনিয়োগের বিকল্প সুযোগে বন্ডের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বিএসইসি
২৯ অক্টোবর ২০২৬

বিনিয়োগের বিকল্প সুযোগে বন্ডের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বিএসইসি

পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি অর্থের নতুন উৎস তৈরি এবং বিনিয়োগের বিকল্প সুযোগ বাড়াতে করপোরেট বন্ডের ওপর গু...

খোলা বাজারে ডলারের দাম ১২৮ টাকা, বাড়ছে চাহিদা
২৯ অক্টোবর ২০২৬

খোলা বাজারে ডলারের দাম ১২৮ টাকা, বাড়ছে চাহিদা

জ্বালানি আমদানির ব্যয় বৃদ্ধি, বিশ্ববাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্য এবং আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়...

১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়িয়ে ১,৯৭৬ টাকা করার সুপারিশ
২৯ অক্টোবর ২০২৬

১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়িয়ে ১,৯৭৬ টাকা করার সুপারিশ

বেসরকারি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) বিভিন্ন পর্যায়ে অপারেটর, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতার মাশ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পুলিশকে শক্তিশালী না করলে দিনে-রাতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলা যাবে না

পুলিশকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির, পিপিএম বলেছেন, “আপনারা সাংবাদিক ভাইয়েরা পুলিশকে ব্যবহার করেন। পুলিশকে শক্তিশালী না করলে আমরা সমাজে দিনে-রাতে কেউই স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারব না।” রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট পুলিশ লাইনে জেলা পুলিশের আয়োজনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন আইজিপি সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 দিন আগে