গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

অবিবাহিতদের মধ্যে ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি

স্বাস্থ্য ডেস্ক

স্বাস্থ্য ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮:২১ পিএম, ০২ মে ২০২৬ | আপডেট: ০০:২৮ এএম ২০২৬
অবিবাহিতদের মধ্যে ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি
ছবি

প্রতীকী ছবি

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক বিস্তৃত গবেষণায় দেখা গেছে, যারা কখনো বিয়ে করেননি তাদের মধ্যে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি। ২০১৫ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ১২টি অঙ্গরাজ্যে নথিভুক্ত চার মিলিয়নেরও বেশি ক্যান্সার রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করে এ ফলাফল পাওয়া যায়।

গবেষণায় দেখা যায়, অবিবাহিত পুরুষদের ক্ষেত্রে ক্যান্সারের হার বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৬৮ শতাংশ বেশি, আর নারীদের ক্ষেত্রে এ হার প্রায় ৮৫ শতাংশ বেশি।

তবে গবেষকেরা স্পষ্ট করেছেন, বিয়ে নিজেই ক্যান্সার প্রতিরোধ করে না। বরং জীবনযাপন পদ্ধতি ও সামাজিক নানা উপাদান এই পার্থক্যের পেছনে ভূমিকা রাখে। গবেষণার সহলেখক ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট ফ্র্যাঙ্ক পেনেডো বলেন, অবিবাহিত ব্যক্তিদের ক্যান্সারের ঝুঁকি সম্পর্কে বেশি সচেতন থাকা জরুরি এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় স্ক্রিনিং করানো উচিত।

গবেষণায় আরো দেখা গেছে, কিছু পরিচিত ঝুঁকির কারণ বৈবাহিক অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত। এর মধ্যে রয়েছে ধূমপান, দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপ এবং প্রজননসংক্রান্ত বিষয়। পাশাপাশি একটি সম্ভাবনা হচ্ছে-স্বাস্থ্যবান ব্যক্তিরাই তুলনামূলকভাবে বেশি বিয়ে করেন। এ গবেষণায় একসঙ্গে বসবাসকারী অবিবাহিত দম্পতিদেরও অবিবাহিত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

বিশেষভাবে এইচপিভি-সংক্রান্ত ক্যান্সারের ক্ষেত্রে পার্থক্য বেশি লক্ষ্য করা গেছে। অবিবাহিত পুরুষদের মধ্যে পায়ুপথের ক্যান্সার প্রায় পাঁচ গুণ বেশি, আর নারীদের মধ্যে সার্ভাইক্যাল ক্যান্সার প্রায় তিন গুণ বেশি দেখা গেছে।

গবেষকেরা মনে করেন, দাম্পত্য জীবনে সঙ্গীর উৎসাহে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর প্রবণতা থাকায় রোগ দ্রুত শনাক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। তবে যেসব ক্যান্সারের জন্য নিয়মিত স্ক্রিনিং ব্যবস্থা রয়েছে, যেমন স্তন ও প্রোস্টেট ক্যান্সার-সেসব ক্ষেত্রে এ পার্থক্য তুলনামূলকভাবে কম।

গবেষণার সীমাবদ্ধতা প্রসঙ্গে গবেষক পাওলো পিনহেইরো বলেন, সামাজিক অবস্থান ক্যান্সারের ঝুঁকির একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হতে পারে। তাই প্রতিরোধ ও স্ক্রিনিং কর্মসূচিতে বৈবাহিক অবস্থাকেও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

অন্যদিকে, বিভিন্ন গবেষণায় অবিবাহিত জীবনের কিছু ইতিবাচক দিকের কথাও উঠে এসেছে-যেমন বিস্তৃত সামাজিক যোগাযোগ ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। আবার কিছু গবেষণায় বিবাহিতদের মধ্যে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বেশি বলেও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ফলে কোন সম্পর্কের অবস্থা বেশি স্বাস্থ্যকর-এ বিষয়ে এককভাবে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো কঠিন।
সানা/ডিসি/আপ্র/২/৫/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে জীবনযাপনে যেসব পরিবর্তন জরুরি
২৯ অক্টোবর ২০২৬

স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে জীবনযাপনে যেসব পরিবর্তন জরুরি

বয়স বৃদ্ধি ও বংশগত ইতিহাস স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তবে জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন, দীর্ঘমেয়াদি রোগ...

একদিনে হামের উপসর্গে আরো ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩১৫
২৯ অক্টোবর ২০২৬

একদিনে হামের উপসর্গে আরো ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩১৫

দেশে ২৪ ঘণ্টায় উপসর্গ নিয়ে আরো ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে নিশ্চিত হামে ১০৫ জন এবং হামের উ...

অতিরিক্ত লবণে যেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে লিভার
২৯ অক্টোবর ২০২৬

অতিরিক্ত লবণে যেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে লিভার

স্বাস্থ্য প্রতিদিন----------------------

ওসমানী হাসপাতালে সাংবাদিকদের মাথা ফাটালেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা
২৯ অক্টোবর ২০২৬

ওসমানী হাসপাতালে সাংবাদিকদের মাথা ফাটালেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পুলিশকে শক্তিশালী না করলে দিনে-রাতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলা যাবে না

পুলিশকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির, পিপিএম বলেছেন, “আপনারা সাংবাদিক ভাইয়েরা পুলিশকে ব্যবহার করেন। পুলিশকে শক্তিশালী না করলে আমরা সমাজে দিনে-রাতে কেউই স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারব না।” রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট পুলিশ লাইনে জেলা পুলিশের আয়োজনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন আইজিপি সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 দিন আগে