গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

মেনু

ধর্ষণের পর রামিসাকে হত্যা

আদালত যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, সেটি ন্যায়বিচারের অংশ: আসামিপক্ষের আইনজীবী

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫:৩৬ পিএম, ০৭ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১৬:৪৪ এএম ২০২৬
আদালত যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, সেটি ন্যায়বিচারের অংশ: আসামিপক্ষের আইনজীবী
ছবি

ছবি সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে আসামিপক্ষের রাষ্ট্রীয় খরচে নিযুক্ত আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুসা আলিমুল্লাহ বলেছেন, সোহেল রানা কোনো সাফাই সাক্ষী উপস্থাপন করেনি। সে নিজেই আত্মস্বীকৃত অপরাধী। ফলে আদালত যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, সেটিকে আমি ন্যায়বিচারের অংশ হিসেবেই দেখি।

রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের বিচারিক ইতিহাসে এত অল্প সময়ে এ ধরনের আলোচিত মামলার বিচার নিষ্পত্তির নজির আমার জানা নেই। এই রায়ের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে একটি স্পষ্ট বার্তা গেছে, অপরাধী অপরাধ করলে সে কোনোভাবেই নিস্তার পাবে না।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র ও সরকার এই বিচারের মাধ্যমে সমাজের কাছে একটি বার্তা দিতে চেয়েছে যে, দেশের মা-বোন ও শিশুরা যেন নিজ বাসা এবং বাইরে নিরাপদে চলাচল করতে পারে। বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াতেও এই রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রায়ে নিজের সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে মুসা আলিমুল্লাহ বলেন, আমি মনে করি এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়েছে। উচ্চ আদালতে কী হবে, সেটা পরবর্তী বিষয়। তবে ট্রাইব্যুনালে যে বিচার হয়েছে, সেখানে আসামির নিজের বক্তব্য ও মামলার উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

তিনি বলেন, প্রধান আসামি সোহেল রানা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, বিচার চলাকালে ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনের সময়ও তিনি আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং নিজের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি অস্বীকার করেননি।

মুসা আলিমুল্লাহ বলেন, আইন অনুযায়ী আসামিদের উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা চাইলে হাইকোর্টে আপিল করতে পারবেন। তবে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

আসামিপক্ষের এই আইনজীবী আ বলেন, মাত্র কয়েক কার্যদিবসের মধ্যে বিচার শেষ করে রাষ্ট্র একটি নজির স্থাপন করেছে। এই মামলার বিচার ভবিষ্যতে উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং সমাজে সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এটি অপরাধীদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবেও কাজ করবে।

ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন বহুল আলোচিত এ মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

এসি/আপ্র/০৭/০৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

আবারো হাইকোর্টে জয়া আহসান, রুল জারি
০৭ জুন ২০২৬

আবারো হাইকোর্টে জয়া আহসান, রুল জারি

হাতির ওপর নির্যাতন বন্ধে রিটের পর সম্প্রতি ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য বন্ধে হাইকোর্টের দারস্থ হয়েছেন অভিন...

রায়ে খুশি, দ্রুত কার্যকর চাই: রামিসার বাবা
০৭ জুন ২০২৬

রায়ে খুশি, দ্রুত কার্যকর চাই: রামিসার বাবা

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা...

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল রানা-স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড
০৭ জুন ২০২৬

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল রানা-স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ঢাকা আর বাসযোগ্য নেই, সব রোগের মূল বুড়িগঙ্গা

রাজধানী ঢাকার বর্তমান পরিবেশ ও নাগরিক দুরবস্থা নিয়ে চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘এটা (ঢাকা) আর বাসযোগ্য মনে হয় না। ঘর থেকে বেরোলেই নিঃশ্বাস নেওয়া যায় না, চারদিকে দূষিত বাতাস। আমার তো মনে হয়, ঢাকার সব রোগের মূলেই বুড়িগঙ্গা। আপনি কি মন্ত্রীর এই বক্তব্যে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে