গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

দেশে ফিরলেন ভারতে পাচারের শিকার শিশুসহ ১৮ জন

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:৪২ পিএম, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১৩:৫৫ এএম ২০২৬
দেশে ফিরলেন ভারতে পাচারের শিকার শিশুসহ ১৮ জন
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ভারতে পাচারের শিকার ১৮ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগ শেষে দেশে ফেরত আনা হয়েছে। এদের মধ্যে নিখোঁজের ১৫ বছর পর ৩৫ বছর বয়সী মানসিক প্রতিবন্ধী আনজুকে ও দেশে ফেরত আনা হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে এসব নারী-পুরুষ ও শিশুকে হস্তান্তর করেন। এরা খুলনা, সাতক্ষীরা, গাইবান্ধা, নরসিংদী, বরিশাল, যশোর, গোপালগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলার বাসিন্দা।

ফেরত আসা ব্যক্তিরা হলেন, সিয়াম হাওলাদার (১৪), নিউটন কুমার (১৮), জয় কুমার (১৭), আনজু বেগম (৩৫), শাপলা খাতুন (২২), সাকিবুল সরদার (৬), আব্দুর রহমান (১৫), স্বপন জোহা (৬), শাহীন মোল্লা (৮), লিমা বালাভ (১৬), সুমি খাতুন (১২), পপি রায় (১৫), সনি আক্তার (১৪), সালমান (১), জান্নাতি খাতুন (১২), ইশারত জাহান শ্রাবণী (১৪), বাসন্তী রায় (১৬) ও মেহেদী হাসান (১৫)।

এর মধ্যে নিখোঁজের ১৫ বছর পর ৩৫ বছর বয়সী মানসিক প্রতিবন্ধী আনজুকে ও দেশে ফেরত আনা হয়েছে। তিনি ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ভোমরাদহ ইউনিয়নের জোসনা বেগমের মেয়ে। আনজুু মানসিক অসুস্থতার কারণে প্রায় ১৫ বছর আগে নিখোঁজ হন এবং সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে যান। ২০১৭ সালে কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার খোঁজ মেলে এবং পরবর্তীতে তাকে কলকাতার মানবিক সহায়তা সংস্থা ‘ঈশ্বর সংকল্প’-এর আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকে অ্যামেচার রেডিও সোসাইটি অব বাংলাদেশ এর সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকার বনানী রোটারি ক্লাবের সদস্য মো. শামসুল হুদার প্রচেষ্টায় আনজুকে দেশে ফেরত আনা হয়েছে।

দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কলকাতার বাংলাদেশের উপহাইকমিশন এবং পশ্চিমবঙ্গের নারী-শিশু পাচার রোধ বিষয়ক টাস্কফোর্সের সমন্বিত প্রচেষ্টায় তাদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

ফেরত আসারা বিভিন্ন সময় অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। এরা পশ্চিমবঙ্গের ধ্রুবআশ্রম, চিনি, সংকল্প, কিশলয়া, রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ আশ্রম, এস এম এম হোম, সুকন্যা হোম, শহীদ বন্দনা বালিকা স্মৃতি আবাস, সুবায়ন হোমের হেফাজতে ছিল। পরবর্তী সময়ে নাগরিকত্ব যাচাইপূর্বক ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করে ফিরিয়ে আনা হলো।

কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের একটি প্রতিনিধি দল বেনাপোল-পেট্রাপোল নোম্যান্সল্যান্ডে স্থানীয় ইউএনও, উপজেলা মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা, বিজিবি ও পুলিশ প্রশাসনের নিকট উদ্ধারকৃত এসব নারী-পুরুষ ও শিশুদের হস্তান্তর করেন। এ ছাড়াও এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার সময় বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় এনজিও কর্তৃপক্ষ এবং ভারতের বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও বিএসএফ কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান জানান, ট্রাভেল পারমিটে ফেরত আসা বাংলাদেশি নারী-পুরুষ ও শিশুদের কার্যক্রম শেষে পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামের একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের গ্রহণ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবেন বলে জানা গেছে।

এসি/আপ্র/১৭/৯/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা

গত আগস্ট মাসে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার...

শিল্পাঞ্চল ও আবাসিকে গ্যাস সরবরাহে আরেো উন্নতি
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শিল্পাঞ্চল ও আবাসিকে গ্যাস সরবরাহে আরেো উন্নতি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আশ্বাসের পর দেশের অধিকাংশ শিল্পাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্...

সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ফেরাতে ভারতের জবাব মেলেনি
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ফেরাতে ভারতের জবাব মেলেনি

ভারতে অবস্থানরত সাজাপ্রাপ্ত ও পলাতক আসামিদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে জা...

গ্যাসের প্রবাহ বেড়েছে, সংকট কাটার আশা
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গ্যাসের প্রবাহ বেড়েছে, সংকট কাটার আশা

সরকারের সাত মাস পূর্তি উপলক্ষে ব্রিফিংয়ে মাহদী আমিন

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

জুয়া ও মাদক অনেক অপরাধের মূল কারণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বর্তমানে সংঘটিত অনেক অপরাধের পেছনে জুয়া ও মাদককে অন্যতম মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, অপরাধের পর শুধু গ্রেফতার, বিচার ও শাস্তি দিলেই এটা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। অপরাধ কেন সংঘটিত হচ্ছে, তার মূল কারণ খুঁজে বের করে তা মোকাবিলা করতে হবে। প্রিয় পাঠক, মন্ত্রীর কথার সঙ্গে আপনি কি একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 12 ঘন্টা আগে