দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার পর মুক্তিযোদ্ধা কোটায় জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে তিন উপসচিবকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে মন্ত্রণালয় থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাঁদের ওএসডি করা হয়।
ওএসডি হওয়া তিন কর্মকর্তা হলেন জামালপুর জোনের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার উপসচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের পরিচালক উপসচিব রকিবুর রহমান খান এবং বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের সচিব উপসচিব নাহিদা বারিক।
তাঁরা সবাই ২৯তম বিসিএসের কর্মকর্তা। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পেলেও তাঁদের কেউই ওই কোটায় প্রার্থী হিসেবে আবেদন করেননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন তদন্ত করে দুদক। তদন্তে এই তিন উপসচিবসহ ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জালিয়াতির তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। বাকি তিন কর্মকর্তা অন্য ক্যাডারের। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে ২৯তম বিসিএস পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রায় ছয় মাস পর ছয় প্রার্থীকে অবৈধভাবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের কোটায় বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হয়। এসব ক্যাডারের মধ্যে রয়েছে প্রশাসন, পুলিশ, পরিবার পরিকল্পনা ও সাধারণ শিক্ষা।
তবে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
এসি/আপ্র/২৯/১০/২০২৬