গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

১২ বছর আগের সোনা চুরির রহস্য উন্মোচন

জেলা প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম

জেলা প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত: ১৩:১২ পিএম, ১২ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১৪:১১ এএম ২০২৬
১২ বছর আগের সোনা চুরির রহস্য উন্মোচন
ছবি

ছবি সংগৃহীত

রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় দীর্ঘ ১২ বছর আগে ঘর থেকে চুরি হয়ে যাওয়া সোনার গহনা চট্টগ্রামের একটি জুয়েলার্স থেকে উদ্ধার ও বন্ধক রাখার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে লংগদু থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালে বাঘাইছড়ি উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের খেদারমারা এলাকার চান মিয়ার মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে লংগদুর মাইনীমুখ এলাকার বাসিন্দা জামাল উদ্দিন বেপারীর ছেলে মো. রমজানের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় দেনমোহরসহ মোট ৪ ভরি ৪ আনা ১ রতি সোনা সাবিনা ইয়াসমিনকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ২০১২ সালে তাদের ঘর থেকেই ওই সোনার গহনাগুলো চুরি হয়ে যায়। সে সময় অনেক খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

দীর্ঘদিন পর ২০২৪ সালে সাবিনা ইয়াসমিন জানতে পারেন যে, তার স্বামীর বড় ভাই আবু হানিফ (যিনি মাইনীমুখ বাজারের ‘ঢাকা বীজ ভাণ্ডার -এর মালিক এবং গাউসপুরের বাসিন্দা) ও তার পরিবারের লোকজন ওই চুরি হওয়া সোনা চট্টগ্রামের একটি জুয়েলার্সে বন্ধক রেখেছেন।

এ বিষয়ে চট্টগ্রামের ‘উমা জুয়েলার্স’-এর মালিক অমল বাবু জানান, ২০১২ সালের ১৫ মে এক ভরি তেরো আনা তিন রতি সোনা বিক্রির জন্য আনা হয়েছিল। দোকানের ক্রয়কৃত মেমো না থাকায় সেটি বন্ধক রাখা হয় এবং ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। সে সময় দোকানে আবু হানিফ, রাবেয়া ও মেহরাজ উপস্থিত ছিলেন। তবে মেহরাজের নামে সোনাটি এন্ট্রি করা হয় এবং খাতায় তার স্বাক্ষর রয়েছে। বাকী সোনা কোথায় বিক্রি করা হয়েছে সে বিষয়ে জুয়েলার্স মালিক কিছু বলতে পারেননি।

এদিকে অভিযুক্ত আবু হানিফের সঙ্গে সোনার বিষয়ে কথা বলতে গেলে তিনি তা অস্বীকার করেন।

অন্যদিকে স্বামী রমজান জানান, তাদের বিবাহিত জীবনে স্ত্রীকে দেওয়া সোনা তার ভাই ঘর থেকে চুরি করেছিলেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন পারিবারিক অসন্তোষ চলতে থাকে এবং একপর্যায়ে ২০২৪ সালে তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে অনেক খোঁজাখুঁজির পর চট্টগ্রামের উমা জুয়েলার্সে ১ ভরি তেরো আনা তিন রতি সোনা বন্ধক দেওয়ার সন্ধান পান তারা। বাকি সোনা কোথায় বিক্রি করা হয়েছে তা তার জানা নেই।

চুরি হওয়া সোনা ও এর সঙ্গে জড়িতদের সন্ধান পাওয়ার পর গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে লংগদু থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে লংগদু থানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে পুলিশ জানায়, অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসি/আপ্র/১২/১০/২০২৬
 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

জার্মান পর্যটকের চুরি হওয়া ল্যাপটপ নাটোরে উদ্ধার, হেফাজতে বাবা-ছেলে
১২ অক্টোবর ২০২৬

জার্মান পর্যটকের চুরি হওয়া ল্যাপটপ নাটোরে উদ্ধার, হেফাজতে বাবা-ছেলে

জার্মান পর্যটক ক্রিল ল্যান্ডার উইবারের চুরি হওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার করেছে নাটোরের পুলিশ। রোববার (১১ অক্ট...

দুর্গাপূজায় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে পাশে থাকার আশ্বাস বিএনপির
১২ অক্টোবর ২০২৬

দুর্গাপূজায় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে পাশে থাকার আশ্বাস বিএনপির

এস এ খান শিল্টু: মেহেরপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে আ...

তারাগঞ্জে মাদক সেবনে তিনজনের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
১২ অক্টোবর ২০২৬

তারাগঞ্জে মাদক সেবনে তিনজনের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড

খলিলুর রহমান খলিল, তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি: রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় মাদক সেবনের দায়ে তিন ব্যক্তি...

টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
১২ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

মোঃ আকরাম হোসেন: পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি ও সবুজের বিস্তার ঘটানোর লক্ষ্যে টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

অটোরিকশার দাবির পক্ষে বলা নেতার আছে ৭০০ বাহন

অটোরিকশা চালকদের দাবি মেনে নেওয়ার পক্ষে বক্তব্য দেওয়া জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের ৭০০টি অটোরিকশা রয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, জনগণের কাছে বারবার খোলস বদলে পার পাওয়া যাবে না। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মিরপুর-১২ থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেলের পিলারে জুলাইয়ের চিত্রাঙ্কন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি করেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের সাত শ অটোরিকশা থাকার অভিযোগকে কাল্পনিক, অসত্য ও ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে এর পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ চেয়েছে দলটি| প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন প্রশাসক সত্য বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে