সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের ঠিকাদারী লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী রাকেশ মল্লিকের বিরুদ্ধে। অভিযোগের বিষয়ে ইতোমধ্যে তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন, ২০২৬) বিকেলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আছাদুজ্জামান এ তদন্ত কার্যক্রম শেষ করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান ২০২৫ সালে জেলা পরিষদের ঠিকাদারী লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেন। আবেদনটি পরবর্তীতে অনুমোদনের জন্য মাসিক সভায় উপস্থাপন করা হয় এবং তদন্তের জন্য সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠানো হয়। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জেলা পরিষদে জমা দেওয়া হয়।
এরপর ভুক্তভোগী লাইসেন্সের খোঁজ নিতে গেলে উচ্চমান সহকারী রাকেশ মল্লিক তার কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়া আটকে দেওয়া হয় এবং পরে কাগজপত্রও ‘উধাও’ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করলে ৭ জুন ২০২৬ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশনার পর ১৮ জুন তদন্তকারী কর্মকর্তা উভয় পক্ষকে ডেকে বক্তব্য শোনেন।
অভিযুক্ত রাকেশ মল্লিক অভিযোগ অস্বীকার না করে বলেন, দুই পক্ষের শুনানি হয়েছে, বিস্তারিত বিষয়ে মোবাইলে কিছু বলা সম্ভব নয়, সরাসরি দেখা করতে হবে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা আছাদুজ্জামান জানান, উভয় পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সানা/আপ্র/২৫/৬/২০২৬