গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

মেনু

পাম্পে সংকট, খোলাবাজারে তেলের রমরমা

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:১২ পিএম, ২০ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ২২:২৪ এএম ২০২৬
পাম্পে সংকট, খোলাবাজারে তেলের রমরমা
ছবি

ছবি সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতজনিত জ্বালানি সংকটের মধ্যে দেশে তেলের দাম বাড়লেও পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনের দৃশ্য অপরিবর্তিত রয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও অনেক চালক তেল পাচ্ছেন না, অথচ খোলাবাজারে কয়েকগুণ বেশি দামে সহজেই তেল মিলছে—এমন অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন এলাকার চালকদের কাছ থেকে।

রাজধানীর আগারগাঁও, আসাদগেটসহ বিভিন্ন এলাকায় পাম্পগুলোতে রোববার সকাল থেকেই কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। মোটরসাইকেল আর গাড়ির সারি ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাচ্ছে না বলে জানান চালকরা। অনেকেই ছয় থেকে ১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষার কথা বলেছেন।

চালকদের অভিযোগ, পাম্পে তেল না মিললেও খোলা বাজারে লিটারপ্রতি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় তেল পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয় কিছু চক্র পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

একজন বাইকার জানান, পাম্পের আশপাশে সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, যারা তেল আসার আগাম খবর পেয়ে দ্রুত সংগ্রহ করে বাইরে বিক্রি করছে। আবার অন্য একজন বলেন, নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় সহজেই উচ্চমূল্যে তেল পাওয়া যাচ্ছে, যদিও পাম্পে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

সরকারের নতুন নির্ধারিত দামে ডিজেল লিটারপ্রতি ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকা করা হয়েছে। এর আগে কয়েক মাস ধরে এসব তেলের দাম প্রায় স্থিতিশীল ছিল।

পাম্পে তেল সংকটের পাশাপাশি অনলাইনে গাড়ি থেকে তেল নামানো ও সংরক্ষণের সরঞ্জামের বিজ্ঞাপনও বেড়েছে। ব্যবহারকারীরা জানান, সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন দোকান এসব পণ্য বিক্রির প্রচারণা চালাচ্ছে। এতে তেল মজুদের প্রবণতা আরো বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, সংকটের আগেই বিদেশ থেকে এসব সরঞ্জাম আমদানি করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে দেশে বসেই কিছু পণ্য তৈরি হচ্ছে বলেও জানা গেছে। অনেক ক্ষেত্রে তেল সংরক্ষণের জন্য বিশেষ পাত্রও বিক্রি করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সরবরাহ সংকট ও অতিরিক্ত চাহিদার সুযোগ নিয়ে একটি চক্র অবৈধভাবে তেল মজুদ ও বিক্রি করছে। এর ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে এবং সাধারণ ভোক্তারা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং বাজারে কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করা এখন জরুরি হয়ে উঠেছে।
সানা/আপ্র/২০/৪/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

কম দামে ইউরিয়া সার দিতে আগ্রহী রাশিয়া
২৮ জুলাই ২০২৬

কম দামে ইউরিয়া সার দিতে আগ্রহী রাশিয়া

বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ...

সরবরাহ সংকটে কাঁচামরিচের দাম প্রায় ৩০০ টাকা
২৮ জুলাই ২০২৬

সরবরাহ সংকটে কাঁচামরিচের দাম প্রায় ৩০০ টাকা

সরবরাহ কমে যাওয়ায় বগুড়ার কাঁচামরিচের বাজারে আবারো ঊর্ধ্বমুখী দাম দেখা দিয়েছে। মাত্র এক দিনের ব্যবধান...

৫ বছরে খাদ্য মজুত সক্ষমতা হবে ৩৪ লাখ টন
২৮ জুলাই ২০২৬

৫ বছরে খাদ্য মজুত সক্ষমতা হবে ৩৪ লাখ টন

দেশে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত নিরাপদ সীমার অনেক ওপরে রয়েছে। একই সঙ্গে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সরকারি খ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই