গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

মেনু

জাতীয় সংসদে উপস্থাপন আজ

ঋণ, ঘাটতি ও চাপে ইতিহাসের বৃহত্তম বাজেট

সুখদেব কুমার সানা

সুখদেব কুমার সানা

প্রকাশিত: ০৩:০৬ পিএম, ১১ জুন ২০২৬ | আপডেট: ০৪:২৬ এএম ২০২৬
ঋণ, ঘাটতি ও চাপে ইতিহাসের বৃহত্তম বাজেট
ছবি

ছবি সংগৃহীত

রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট, ক্রমবর্ধমান ঋণের বোঝা এবং মন্থর বিনিয়োগ পরিস্থিতির মধ্যেই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ বাজেট নিয়ে জাতীয় সংসদে হাজির হচ্ছে বিএনপি সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বাজেট হিসেবে প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এ বাজেট আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) উপস্থাপন করবেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আকারের দিক থেকে এটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট। একই সঙ্গে রাজস্ব আহরণ, উন্নয়ন ব্যয়, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি এবং ঋণনির্ভর অর্থায়নের ক্ষেত্রেও এটি নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, এই বাজেটের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এর আকার নয়, বরং বাস্তবায়ন সক্ষমতা। কারণ যে অর্থনীতির ভেতরে এখনও মূল্যস্ফীতির চাপ, রাজস্ব আদায়ে স্থবিরতা, বিনিয়োগে অনিশ্চয়তা এবং ব্যাংক খাতে চাপ বিদ্যমান, সেখানে এত বড় বাজেট বাস্তবায়ন সরকারের জন্য কঠিন পরীক্ষায় পরিণত হতে পারে।

এক বছরে বেড়েছে প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জাতীয় বাজেটের আকার ছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে বাজেটের আকার বাড়ছে প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা, যা প্রায় ১৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধির সমান।

সাধারণত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সম্প্রসারণ, উন্নয়ন ব্যয় বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিস্তার এবং মূল্যস্ফীতির প্রভাব বিবেচনায় বাজেটের আকার বাড়ানো হয়। কিন্তু অর্থনীতির বর্তমান বাস্তবতায় এত বড় সম্প্রসারণকে অনেকেই উচ্চাভিলাষী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

রাজস্বে সবচেয়ে বড় বাজি
নতুন বাজেটে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে আদায়ের লক্ষ্য ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা, এনবিআর-বহির্ভূত উৎস থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা এবং করবহির্ভূত রাজস্ব থেকে ৬৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।

এটি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, গত কয়েক বছর ধরেই রাজস্ব বোর্ড ধারাবাহিকভাবে লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। চলতি অর্থবছরেও রাজস্ব আহরণে এক লাখ কোটি টাকার বেশি ঘাটতি রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, করজাল সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি রোধ, রাজস্ব প্রশাসনের আধুনিকীকরণ এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত না করে এত বড় রাজস্ব লক্ষ্য অর্জন করা অত্যন্ত কঠিন হবে। আর লক্ষ্য অর্জিত না হলে সরকারকে আরো বেশি ঋণের ওপর নির্ভর করতে হবে।

রেকর্ড ঘাটতির বাজেট
প্রস্তাবিত বাজেটে অনুদান বাদে সামগ্রিক ঘাটতি ধরা হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে অন্যতম সর্বোচ্চ বাজেট ঘাটতি।

এই ঘাটতি পূরণে সরকার ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা, ব্যাংকবহির্ভূত উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ ও সহায়তা থেকে প্রায় ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।

অর্থাৎ বাজেট ঘাটতির প্রায় পুরো অংশই ঋণনির্ভর।

বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের অতিরিক্ত ব্যাংকঋণ বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ সংকুচিত করতে পারে। এতে শিল্পায়ন, নতুন বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির গতি বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়লে ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধের চাপও বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।

সুদ পরিশোধেই এক লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা
নতুন বাজেটের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিকগুলোর একটি হলো ঋণের সুদ পরিশোধ ব্যয়। আগামী অর্থবছরে শুধু সুদ পরিশোধের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

এর মধ্যে দেশীয় ঋণের সুদ বাবদ ব্যয় হবে ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণের সুদ বাবদ ২২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

তবে অর্থ বিভাগের নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী প্রকৃত সুদ ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। অর্থাৎ সম্ভাব্য ব্যয়ের তুলনায় প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা কম বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের ভাষ্য, সুদ পরিশোধ এমন একটি বাধ্যতামূলক ব্যয়, যা কোনোভাবেই এড়ানো সম্ভব নয়। ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি কিংবা সামাজিক সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয় বাড়ানোর সক্ষমতা ক্রমেই সীমিত হয়ে পড়ছে।

বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের নতুন বাস্তবতা
গত এক দশকে দেশের বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক ঋণ নেওয়া হয়েছে। এখন সেই ঋণ পরিশোধের সময় শুরু হয়েছে।

বাজেট অনুযায়ী, আগামী অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করতে হবে। ফলে আগামী বছরগুলোতে এই ব্যয় আরো বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বড় চ্যালেঞ্জ

সরকার আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, পশ্চিম এশিয়ার ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং দেশীয় জ্বালানির মূল্য সমন্বয়ের সম্ভাবনা মূল্যস্ফীতিকে আরো চাপের মুখে ফেলতে পারে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না এলে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুফলও অনেকাংশে ম্লান হয়ে যাবে।

প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ৬ দশমিক ৫ শতাংশ
আগামী অর্থবছরের জন্য মোট দেশজ উৎপাদন প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ। তবে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলোর পূর্বাভাস তুলনামূলকভাবে অনেক সতর্ক। তাদের মতে, প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের আশপাশে থাকতে পারে।

উচ্চ সুদের হার, বিনিয়োগ স্থবিরতা, শিল্প উৎপাদনের ধীরগতি এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জনকে কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বড় বরাদ্দ
আগামী অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আকার ধরা হয়েছে ৩ লাখ কোটি টাকা। পরিবহন, জ্বালানি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, গ্রামীণ উন্নয়ন, গৃহায়ন এবং জলবায়ু সহনশীলতা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা করা হচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও মাতৃত্বকালীন সহায়তা কর্মসূচির আওতা সম্প্রসারণ করা হবে।

অন্যদিকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতেও রেকর্ড পরিমাণ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা খাতে প্রায় ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা এবং স্বাস্থ্য খাতে প্রায় ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।

কৃষিতে বরাদ্দ বাড়লেও কমছে অংশীদারত্ব
কৃষি মন্ত্রণালয়ের জন্য ২৮ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় বেশি। তবে মোট বাজেটের অনুপাতে কৃষি খাতের অংশ কমে যাচ্ছে। ফলে কৃষি অর্থনীতিবিদদের একাংশ মনে করছেন, খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু ঝুঁকির বাস্তবতায় কৃষি আরো বড় অগ্রাধিকার পাওয়ার দাবি রাখে।

কালোটাকা বৈধকরণ ও নতুন অর্থনীতির বার্তা
নতুন বাজেটে আবাসন খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার সুযোগ রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রথমবারের মতো তথ্যপ্রযুক্তি, উদ্যোগভিত্তিক ব্যবসা, মুক্তপেশা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও উদ্ভাবনভিত্তিক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে ‘সৃজনশীল অর্থনীতি’কে নতুন প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

ব্যাংক খাতে আস্থা ফেরানোর প্রতিশ্রুতি

বাজেট ঘোষণার আগের দিন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং সমাজের বঞ্চিত মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ থাকবে নতুন বাজেটে।

তিনি বলেন, সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কল্যাণের বিষয় বিবেচনায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, কামার, কুমার থেকে শুরু করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ও সুরক্ষার বিষয়গুলো এতে গুরুত্ব পেয়েছে।

বাস্তবায়নই হবে বড় পরীক্ষা
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট একদিকে উচ্চাভিলাষী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রতিচ্ছবি, অন্যদিকে অর্থনীতির বিদ্যমান দুর্বলতার মুখে একটি বড় পরীক্ষাও। সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো খাতে ব্যয় বৃদ্ধির ইতিবাচক দিক থাকলেও রেকর্ড ঘাটতি, ঋণনির্ভর অর্থায়ন, বাড়তে থাকা সুদ ব্যয় এবং রাজস্ব আহরণের অনিশ্চয়তা বাজেট বাস্তবায়নের পথকে কঠিন করে তুলতে পারে।

ফলে বিএনপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটের সফলতা নির্ভর করবে ঘোষণার জৌলুসের ওপর নয়; বরং রাজস্ব আহরণ, ব্যয় ব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, ব্যাংকিং খাত সংস্কার এবং অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার সক্ষমতার ওপর। কারণ বাজেট ঘোষণা করা সহজ, কিন্তু সেই বাজেটের প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে রূপ দেওয়া অনেক বেশি কঠিন।
সানা/আপ্র/১১/৬/২০২৬

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

সম উন্নয়ন, স্বচ্ছ প্রশাসনে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা
১১ জুন ২০২৬

সম উন্নয়ন, স্বচ্ছ প্রশাসনে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

সংসদে উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা, প্রশাসন ও বিরোধী দলের বিষয়ে বক্তব্য

সাংবাদিক আসাদুজ্জামানকে হয়রানি না করার আহ্বান সিপিজের
১১ জুন ২০২৬

সাংবাদিক আসাদুজ্জামানকে হয়রানি না করার আহ্বান সিপিজের

সাংবাদিকতার কারণে সাংবাদিক আসাদুজ্জামানকে হয়রানি না করার আহ্বান জানিয়েছে সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় স...

ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি চালনা করছে বিএনপি
১০ জুন ২০২৬

ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি চালনা করছে বিএনপি

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, যারা বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করছেন, ত...

লালনের আখড়া মাদকমুক্তের উদ্যোগ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন আমির হামজার
১০ জুন ২০২৬

লালনের আখড়া মাদকমুক্তের উদ্যোগ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন আমির হামজার

কুষ্টিয়ার লালন শাহের আখড়াবাড়ি এলাকাকে মাদকমুক্ত ঘোষণা করার কোনো সরকারি উদ্যোগ আছে কি না, তা জাতীয় সং...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেদনের ভিত্তি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে টিআইবির প্রতিক্রিয়া

টিআইবির প্রতিবেদন শুধু পত্রিকার কাটিংয়ের ওপর নির্ভর করে প্রণীত হয়-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলেছে, গবেষণা প্রতিবেদনকে ঢালাওভাবে পত্রিকার কাটিং-নির্ভর বলা মূল বিষয়কে পাশ কাটানোর ব্যর্থ প্রয়াস ছাড়া কিছু নয়। আপনি কি মনে করেন যে, টিআইবির এই বিবৃতি যৌক্তিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে