গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

মেনু

শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা নন-এমপিও শিক্ষকদের

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:১২ পিএম, ১০ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২২:৫৪ এএম ২০২৬
শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা নন-এমপিও শিক্ষকদের
ছবি

শিক্ষকদের লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি চলছে -সংগৃহীত ছবি

দেশের বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্তির দাবিতে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষকরা। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারা এ কর্মসূচি পালন করবেন।

বুধবার (১০ জুন) বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সম্মিলিত নন-এমপিও ঐক্য পরিষদের ব্যানারে গত রোববার থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি করছেন শিক্ষকরা। বুধবার এ কর্মসূচির চতুর্থ দিন চলছে।

আন্দোলনরত নন-এমপিও শিক্ষকরা বলেন, আজকের মধ্যে এমপিও আবেদনের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখ পদযাত্রা করা হবে।

নন-এমপিও ঐক্য পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যক্ষ সেলিম মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো চরম বৈষম্যের শিকার। শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। অবিলম্বে সব নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে হবে। তা না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আমাদের বরাদ্দের টাকা অন্য খাতে ব্যয় করা অন্যায়। নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা এখন দেশের শিক্ষাখাতের সবচেয়ে যৌক্তিক দাবি।
সংগঠনের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মো. নাজমুস সাহাদাত আজাদী বলেন, ২৫ বছর ধরে আমরা বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছি। বর্তমান সরকারের কাছে আমাদের জোর দাবি এ বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে সব নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে হবে।

সাংগঠনিক সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মনিমুল হক বলেন, আমরা দীর্ঘদিন রাজনৈতিক কারণে বৈষম্যের শিকার হয়েছি। এখন সময় এসেছে সব নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একযোগে এমপিওভুক্ত করার। আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চাই। তবে দাবি আদায়ে প্রয়োজনে কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।

অনশন অব্যাহত রাখার ঘোষণা ইবতেদায়ী শিক্ষকদের: দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন অনুদানভুক্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকরা।

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে চলমান অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে শিক্ষক নেতারা এ ঘোষণা দেন।

শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, ২০২৫ সালের এমপিও নীতিমালার আওতায় গত বছরের জুলাইয়ে আবেদন করার প্রায় ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা এখনও এমপিওভুক্ত হয়নি। এছাড়া অনুমোদিত শূন্য পদে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-অনুদানও ছাড় করা হয়নি।

তাদের দাবি, দেশের বিভিন্ন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় প্রায় ১ হাজার ৬৯০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা কর্মরত থাকলেও তারা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি আর্থিক সুবিধার বাইরে রয়েছেন। এতে শিক্ষকরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন এবং শিক্ষার মানও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

শিক্ষক নেতারা আরো বলেন, ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এসব মাদ্রাসাকে স্বীকৃতি দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাকে এমপিওভুক্ত বা জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়নি।

তাই দ্রুত এমপিওভুক্ত, বকেয়া বেতন-অনুদান ছাড় এবং দাবিগুলো বাস্তবায়নে তাদের অনশন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা
সানা/আপ্র/১০/৬/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিভাগ বাতিলের খবর ভিত্তিহীন: শিক্ষা মন্ত্রণালয়
০৯ জুন ২০২৬

অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিভাগ বাতিলের খবর ভিত্তিহীন: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

অনার্স (স্নাতক সম্মান) পর্যায় থেকে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিষয় তুলে দেওয়া হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম...

চার বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিলো সরকার
০৯ জুন ২০২৬

চার বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিলো সরকার

দেশের চারটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার।সোমবার (৮ জুন) শিক্ষা মন্ত...

মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ
০৯ জুন ২০২৬

মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ

এস এ খান শিল্টু, মেহেরপুর: মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অধ্যাপ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেদনের ভিত্তি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে টিআইবির প্রতিক্রিয়া

টিআইবির প্রতিবেদন শুধু পত্রিকার কাটিংয়ের ওপর নির্ভর করে প্রণীত হয়-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলেছে, গবেষণা প্রতিবেদনকে ঢালাওভাবে পত্রিকার কাটিং-নির্ভর বলা মূল বিষয়কে পাশ কাটানোর ব্যর্থ প্রয়াস ছাড়া কিছু নয়। আপনি কি মনে করেন যে, টিআইবির এই বিবৃতি যৌক্তিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 20 ঘন্টা আগে