বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মঞ্চে নাচ, গান ও আবৃত্তির পরিবেশনায় দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিল্পীরা। সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে তাঁদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘আয় তব সহচরী হাতে হাতে ধরি’ গানের সঙ্গে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের শিক্ষার্থীরা। এরপর একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন শাহিন রেজা রাসেল।
‘এই রাঙামাটির পথে লো’ গানের সঙ্গে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন ল্যাবরেটরি মডেল স্কুলের শিক্ষার্থীরা। ‘মন আমার দেহ ঘড়ি সন্ধান করি’ গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেন সুইড বাংলাদেশের শিল্পীরা।
একক সংগীত পর্বে চুয়াডাঙ্গার জেলা কালচারাল অফিসার সুজন রহমান ‘আলগা করো গো খোঁপার বাঁধন’ গানটি পরিবেশন করেন। এরপর শারমিন আক্তার শিকু গেয়ে শোনান ‘আমার মনের কোণের বাইরে’ এবং সায়মা শারমিন ইমা পরিবেশন করেন ‘আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে’।
পরবর্তী পর্বে রাফিয়া খন্দকারের পরিচালনায় ‘ই এক্সপ্রেশন ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’ পরিবেশন করে সমবেত নৃত্য ‘বিহুর এ লগন মধুর এ লগন’। শান্ত রহমানের ‘আমার স্বপ্নগুলো কেন এমন হয়’ গান পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
অনুষ্ঠানের আলোচনা পর্বে শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) হারুন-অর-রশীদ বলেন, “সাংস্কৃতিক অধিকার প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার। এখানে শারীরিক বা মানসিক কোনো সীমারেখা থাকা উচিত নয়। বরং সৃজনশীলতা ও প্রতিভা প্রকাশের মাধ্যমই হওয়া উচিত আমাদের মূল্যবোধের ভিত।”
সানা/আপ্র/০৩/১১/২০২৬