জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের গানে বর্ষা বরাবরই এক অনন্য ও বহুমাত্রিক রূপ পেয়েছে। তার রচিত বর্ষার গানগুলোতে বিরহের করুণ সুরের পাশাপাশি বৃষ্টির উদ্দামতা ও আনন্দঘন রূপ সমানভাবে ফুটে উঠেছে।নজরুলের জনপ্রিয় এবং কালজয়ী বহু বর্ষার গানের মধ্যে "বরষা ঋতু এলো এলো " গানটি অনন্য।
গানটিতে কন্ঠের সাথে মূলত সেতারকেই প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।দেশের নন্দিত নজরুল সংগীত শিল্পী বর্ণালী সরকার তার কন্ঠ মাধুর্য ও অপূর্ব গায়কীতে এবং তরুন প্রতিভাবান সেতার শিল্পী জাহাঙ্গীর আলম (শ্রাবণ) এর অনন্য সংগত এবং সংগীতায়োজনে গানটি অসাধারণ এক সৃজনশীল সৃষ্টিতে পরিণত হয়েছে বলে ইতিমধ্যে বোদ্ধা শ্রোতাগন মন্তব্য করেছেন।এই গানের মাধ্যমে বর্ষার আবহকে শ্রোতাদের কাছে আরো জীবন্ত ও হৃদয়গ্রাহী করে তুলতে গানটির শুধু কথা আর সুর নয় সাথে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে বাদ্যযন্ত্রের বিন্যাসকে। নজরুল সংগীতের সুর ও সৌন্দর্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে কিছুটা ভিন্নভাবে তৈরী করা এই সংগীতায়োজন নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছেও সমাদৃত হবে বলে আশা করা যায়।।
কাজী নজরুল ইসলামের বর্ষার গান ‘বরষা ঋতু এলো এলো’ এবং বর্ষার রাগ ‘মেঘ’-এর সমন্বয়ে তৈরী করা হয়েছে কম্পোজিশনটি। গানটিতে পাখাওয়াজ ও তবলায় সঙ্গত করেছেন বিশিষ্ট তবলাশিল্পী রবীন্দ্রনাথ পাল এবং পিয়ানোয় সঙ্গত করেছেন কৌশিক আহমেদ অন্তর।গানটির মিক্সিং এবং মাস্টারিং করেছেন ইফতে খাইরুল আলম শুভ এবং চিত্রায়ণ করেছেন শ্যাডো ক্রিয়েটিভস।গানটি শিল্পীদ্বয়ের নিজস্ব অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল (Covered by Shraban এবং Barnali Sarkar), সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যাম ও বিভিন্ন অনলাইন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
শিল্পী বর্ণালী সরকার নজরুল ইসলামের এই প্রিয় গানটিকে যথাযথ মূল্যায়ন করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন যা প্রজন্মের শিক্ষার্থী শিল্পীদের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে ও নজরুল প্রেমী শ্রোতাদের অন্তরে এই অসাধারণ যুগলবন্দী মুগ্ধতায় পরিপূর্ণ হয়ে থাকবে।
উল্লেখ্য, বর্ণালী সরকার মূল ধারার সংগীত চর্চার সাথে যুক্ত। তিনি এ সময়ের জনপ্রিয় একজন নজরুল সংগীত শিল্পী। ইতোমধ্যে তার নজরুল সংগীতের একক এবং বেশ কয়েকটি মিক্স এ্যলবাম প্রকাশিত হয়েছে।এছাড়াও বাংলাদেশ টেলিভিশন, বেতার এবং বেসরকারি টিভি চ্যানেলেও নিয়মিত সংগীত পরিবেশ করছেন।
এসি/আপ্র/২৪/০৬/২০২৬