গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৫৪ পিএম, ৩১ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৫:৩২ এএম ২০২৬
নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়েছে
ছবি

ছবি সংগৃহীত

নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী এলাকায় হিমবাহ ধসে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ক্রমেই বাড়ছে। গত ২৬ আগস্টের ভয়াবহ এই দুর্যোগে সোমবার (৩১ আগস্ট) পর্যন্ত নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চলে অন্তত ৮০০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন তিন হাজারের বেশি মানুষ।

দুর্যোগের আকস্মিকতায় দিশেহারা ভুক্তভোগীদের উদ্ধারে অভিযান চলার মধ্যেই আগাম সতর্কবার্তা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় নেপাল-চীনের সমন্বয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যা আঘাত হানার আগে স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য পাঁচ মিনিট সময়ও পাননি।

নেপালি কর্মকর্তাদের অভিযোগ, সীমান্তবর্তী হিমবাহ ও আবহাওয়ার অস্বাভাবিক পরিবর্তন সম্পর্কে চীনের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য যথাসময়ে পাওয়া যায়নি। রয়টার্সকে নেপালের বন্যা পূর্বাভাস বিভাগের জলসম্পদবিদ সৌহার্দ্র যোশি জানান, সীমান্ত অঞ্চলের হিমবাহগুলোর অস্বাভাবিক পরিবর্তন সম্পর্কে আগাম তথ্য চাওয়া হলেও প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া যায়নি।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী ধরম রাজ উপ্রেতি বলেন, উচ্চ পার্বত্য এলাকায় পর্যাপ্ত নিজস্ব আবহাওয়া স্টেশন না থাকায় সীমান্তের ওপারের তথ্যের ওপর নির্ভর করতে হয়। প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও তথ্য বিনিময়ের ঘাটতির কারণে অন্তত পাঁচ মিনিট আগেও স্থানীয়দের সতর্ক করা সম্ভব হয়নি।

তবে নেপালি কর্তৃপক্ষের অভিযোগ সরাসরি নাকচ করেছে চীন। তেহরান ও কাঠমান্ডুতে অবস্থিত চীনা দূতাবাস এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে দাবি করেছে, প্রযুক্তিগত ও প্রাকৃতিক নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মে মাসের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর থেকে প্রয়োজনীয় সব তথ্য নেপালকে যথাসময়ে জানানো হয়েছে।

এদিকে ভয়াবহ এই দুর্যোগের পর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তিব্বত মালভূমিজুড়ে সব হিমবাহ ও হিমবাহ-হ্রদের ভৌগোলিক জরিপ দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন। ভবিষ্যতে এমন দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা জোরদারের কথাও জানিয়েছে দেশটির কমিউনিস্ট পার্টি।

গত ২৬ আগস্ট পাহাড়ে হিমবাহ ধসে বরফ, কাদা ও পাথরের বিশাল স্রোত উপত্যকার বসতিগুলোতে আছড়ে পড়ে। এতে বিস্তীর্ণ এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এখনো নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এসি/আপ্র/৩১/০৮/২০২৬

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

শান্তি আলোচনার আশায় বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম
২৯ অক্টোবর ২০২৬

শান্তি আলোচনার আশায় বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা আবার শুরুর সম...

ভোটের জটিল সমীকরণে তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু
২৯ অক্টোবর ২০২৬

ভোটের জটিল সমীকরণে তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেলেও আসনস...

স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬৮, তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক
২৯ অক্টোবর ২০২৬

স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬৮, তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক

স্পেনের মধ্যাঞ্চলে দুটি দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৬৮ জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তিন...

৮৩ বছর বয়সে অবসর, আকাশে ৬৩ বছরের দীর্ঘ কর্মজীবন
২৮ অক্টোবর ২০২৬

৮৩ বছর বয়সে অবসর, আকাশে ৬৩ বছরের দীর্ঘ কর্মজীবন

যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকান এয়ারলাইনসের সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ সক্রিয় বিমানবালা ক্যারল ফেয়ার ৮৩ বছর বয়সে অবসরে গ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পুলিশকে শক্তিশালী না করলে দিনে-রাতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলা যাবে না

পুলিশকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির, পিপিএম বলেছেন, “আপনারা সাংবাদিক ভাইয়েরা পুলিশকে ব্যবহার করেন। পুলিশকে শক্তিশালী না করলে আমরা সমাজে দিনে-রাতে কেউই স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারব না।” রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট পুলিশ লাইনে জেলা পুলিশের আয়োজনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন আইজিপি সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 দিন আগে