গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

মেনু

আলোচিত মাসদার হোসেনের ‘আইনজীবী’ সনদ স্থগিত

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১:১২ পিএম, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ২১:২৮ এএম ২০২৬
আলোচিত মাসদার হোসেনের ‘আইনজীবী’ সনদ স্থগিত
ছবি

মাসদার হোসেন -ছবি সংগৃহীত

সাবেক জেলা ও দায়রা জজ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিচার বিভাগীয় সংস্কার কমিশনের সদস্য মো. মাসদার হোসেনের ‘আইনজীবী’ হিসেবে প্রাকটিস করার সনদ স্থগিত করেছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। সরকারের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের মামলা করে (বাদী হিসেবে) আলোচনায় উঠে আসেন তিনি।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) বার কাউন্সিল ভবনে আয়োজিত এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১২ এপ্রিল দৈনিক কালবেলা পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইনজীবী মাসদার হোসেন কর্তৃক মক্কেলের কাছ থেকে সোয়া কোটি টাকা আত্মসাৎ করা সংক্রান্ত সংবাদটি বার কাউন্সিলের গোচরীভূত হয়েছে। উল্লিখিত সংবাদমতে আইনজীবী মাসদার হোসেন ওই বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা ও পেশাগত নৈতিকতার প্রশ্ন বিবেচনায় নিয়ে বার কাউন্সিল আজকের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রাথমিক উপাদান থাকায় সাময়িকভাবে তার সনদ স্থগিত করে তার সনদ কেন স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে না, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই অবধি তার সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মূলত মো. মাসদার হোসেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং আইনজীবী। তিনি সরকারের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথককরণ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক ‘মাসদার হোসেন মামলা’র বাদী হিসেবে দেশব্যাপী সুপরিচিত। ১৯৯৯ সালে তিনি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার লক্ষ্যে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করার দাবিতে মামলাটি করেন। এই মামলার রায়ের মাধ্যমেই ২০০৭ সালে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার বিভাগ পৃথক করা হয়।

মাসদার হোসেন ১৯৮৩ সালে মুনসেফ হিসেবে বিচার বিভাগে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি বিসিএস বিচার অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তবে বর্তমানে তিনি উচ্চ আদালতে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করছিলেন। পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তিনি বিচার বিভাগীয় সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।
সানা/আপ্র/১৬/৪/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

শাপলা চত্বর মামলায় একাত্তর টিভির নথিপত্র চাইলো ট্রাইব্যুনাল
১০ জুন ২০২৬

শাপলা চত্বর মামলায় একাত্তর টিভির নথিপত্র চাইলো ট্রাইব্যুনাল

এক যুগ আগে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত ‘হত্যা’ অভিযোগসংক্রান্ত...

বার কাউন্সিলের ফল বাতিল অবৈধ, প্রথম রিভিউয়ে উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষার নির্দেশ
১০ জুন ২০২৬

বার কাউন্সিলের ফল বাতিল অবৈধ, প্রথম রিভিউয়ে উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষার নির্দেশ

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী অন্তর্ভুক্তির লিখিত পরীক্ষার প্রথম রিভিউয়ের ফল বাতিলের সিদ্ধান্তকে অ...

হানিফসহ চার আওয়ামী লীগ নেতা পলাতক
১০ জুন ২০২৬

হানিফসহ চার আওয়ামী লীগ নেতা পলাতক

কুষ্টিয়া হত্যাকাণ্ডে রায় অপেক্ষমান

ব্যভিচারের মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা
১০ জুন ২০২৬

ব্যভিচারের মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা

অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া, ব্যভিচার ও মানহানির মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও তার স্ত...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেদনের ভিত্তি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে টিআইবির প্রতিক্রিয়া

টিআইবির প্রতিবেদন শুধু পত্রিকার কাটিংয়ের ওপর নির্ভর করে প্রণীত হয়-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলেছে, গবেষণা প্রতিবেদনকে ঢালাওভাবে পত্রিকার কাটিং-নির্ভর বলা মূল বিষয়কে পাশ কাটানোর ব্যর্থ প্রয়াস ছাড়া কিছু নয়। আপনি কি মনে করেন যে, টিআইবির এই বিবৃতি যৌক্তিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 19 ঘন্টা আগে