গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

চট্টগ্রাম বন্দরে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প, ২০ বছরে সাশ্রয় ১০০ কোটি টাকা

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:২৪ পিএম, ২০ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ০৩:০৯ এএম ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প, ২০ বছরে সাশ্রয় ১০০ কোটি টাকা
ছবি

সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে ছাদভিত্তিক পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সোমবার চুক্তি করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ -ছবি সংগহীত

চট্টগ্রাম বন্দরে ৮ দশমিক ৪২ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতার ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গ্রিনার গার্মেন্টস ইনিশিয়েটিভ লিমিটেডের (জিজিআই) সঙ্গে চুক্তি করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এ প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী ২০ বছরে বিদ্যুৎ বিল বাবদ প্রায় ১০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

‘গ্রিন পোর্ট ইনিশিয়েটিভের’ আওতায় সোমবার (১৯ অক্টোবর) চট্টগ্রাম বন্দরের ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টারে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। রাতে বন্দরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চুক্তিতে সই করেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান এবং জিজিআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরে আলম।

বন্দরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনা অনুসারে বেসরকারি বিনিয়োগে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্যে জিজিআই সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালন ব্যয়ভিত্তিক মডেলে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। ফলে প্রকল্পের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে কোনো মূলধনী বিনিয়োগ বা অর্থায়ন করতে হবে না।

পরিবেশবান্ধব এ সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর তারিখ থেকে পরবর্তী ২০ বছর চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। প্রকল্পটির সার্বিক নকশা প্রণয়ন, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনা, নির্মাণ, পরীক্ষা, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে জিজিআই। অন্যদিকে, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত দামে উৎপাদিত বিদ্যুৎ কিনবে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের দৈনন্দিন বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে এ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করবে। এর ফলে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমার পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়বে। একই সঙ্গে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ও প্যারিস চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কার্বন ক্রেডিট অর্জনেও উদ্যোগটি ভূমিকা রাখবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, “এই উদ্যোগের ফলে বন্দর একাধারে যেমন বিকল্প বিদ্যুৎ উৎস পাবে তেমনি জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমবে। এই সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে আগামী ২০ বছরে বন্দরের বিদ্যুৎ বিল বাবদ প্রায় ১০০ কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব হবে।”
সানা/আপ্র/২০/১০/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আজ রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
২০ অক্টোবর ২০২৬

পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আজ রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানী ঢাকার বাইরে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রংপুর, রাজশাহী ও চট্...

রাষ্ট্রপতির সহকারী প্রেস সচিব হলেন কাজী রাকিব হোসাইন
২০ অক্টোবর ২০২৬

রাষ্ট্রপতির সহকারী প্রেস সচিব হলেন কাজী রাকিব হোসাইন

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সহকারী প্রেস সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কাজী রাকিব হোসাইন। এ...

দুর্গাপূজায় হুমকি নেই, পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা দুষ্টচক্রের
২০ অক্টোবর ২০২৬

দুর্গাপূজায় হুমকি নেই, পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা দুষ্টচক্রের

দুর্গাপূজায় বাংলাদেশে কোনো হুমকি নেই। তবে কিছু দুষ্টচক্র পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে বলে সতর্ক করেছে...

ধর্ম আলাদা হলেও রাষ্ট্র সবার, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
২০ অক্টোবর ২০২৬

ধর্ম আলাদা হলেও রাষ্ট্র সবার, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

রাষ্ট্রে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও কর্তব্যের কথা তুলে ধরে সবাইকে একসঙ্গে দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্বের কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি

বাংলাদেশে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত বিশ্বের অন্য কোথাও নেই বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বিশ্বজুড়ে যখন হানাহানি ও হিংসার আগুন জ্বলছে, তখন বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসব ও বিজয়া দশমী ২০২৬ উপলক্ষ্যে ঢাকার রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে