প্রধানমন্ত্রীর ১০ নির্দেশনায় এবারের ঈদ ব্যবস্থাপনায় ‘দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন’ এসেছে বলে দাবি করেছেন মাহদী আমিন।
সোমবার (১ জুন) বিকালে সংবাদ সম্মেলনে এসে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র এ দাবি করেন।
কোরবানির ঈদ ঘিরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার বিষয় তুলে ধরতে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে এ সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়।
মাহদী আমিন বলেন, এবার ঈদ ঘিরে সরকারের কার্যক্রমে ১০টি গণমুখী বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে । এর মধ্যে রয়েছে- নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রা নিশ্চিত করা; শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ; দেশীয় পশুর বাজার সুরক্ষা; দ্রুত বর্জ্য অপসারণ; গণপরিবহণে শৃঙ্খলা; চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট দম; নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ; জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা; চামড়া খাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা। এসব উদ্যোগের সমন্বিত বাস্তবায়ন ঈদ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন এনে দিয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় সেবাকে আরো জনসম্পৃক্ত করার প্রচেষ্টার প্রতিফলন ঘটিয়েছে।
গত ফেব্রুয়ারিতে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন। এরপর এপ্রিলের শুরুর দিকে মাহদী আমিন ও প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ শিবলীকে দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্রের দায়িত্ব।
আওয়ামী লীগের শাসনামলের কথা তুলে ধরে মাহদী আমিন বলেন, ১৬ বছরের প্রাতিষ্ঠানিক অবক্ষয় ও ধ্বংসস্তূপ মাত্র তিন মাসে সম্পূর্ণরূপে দূর করা সম্ভব নয়। এই কঠিন বাস্তবতা দেশবাসী অনুধাবন করে। তবু দীর্ঘদিনের দুঃশাসনে ক্লান্ত জনগণ এবারের ঈদে উপলব্ধি করেছে যে, রাষ্ট্র তাদের প্রতি সংবেদনশীল এবং প্রশাসন কেবল ক্ষমতার কেন্দ্র নয়, বরং জনসেবার কার্যকর ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যম।
অবিরামভাবে প্রধানমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছেন: প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, “বাংলাদেশের উন্নয়নের পাশাপাশি পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা এবং ভালো কাজগুলো করার জন্য প্রধানমন্ত্রী সবসময় সচেষ্ট। আপনারা হয়ত দেখেছেন, সরকারি ছুটিগুলো গেল আমরা সবাই কম-বেশি কাটিয়েছি, আমাদের প্রধানমন্ত্রী কিন্তু এক মুহূর্তও ঘরে বসে থাকেননি। প্রতিটি মুহূর্তই কাজ করেছেন।
রুমন বলেন, আমরা যারা তার খুব কাছে আছি এবং তার সঙ্গে কাজ করছি, তারা কিন্তু প্রতিনিয়তই দেখছি যে, কখন কোথায় কী কী করতে হবে, এটা কিন্তু উনি সবসময় চিন্তা করছেন এবং তার প্রতিফলন ঘটাচ্ছেন।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আপনারা দেখেছেন, ঈদের পরের দিন বর্জ্য অপসারণ হলো কিনা, দক্ষিণ সিটি প্রশাসক আব্দুস সালামকে নিয়ে নিজে গাড়ি চালিয়ে কিন্তু ঢাকার রাজপথের অলিতে গলিতে ঘুরে দেখেছেন। কোথায় কার গাফলতি, উনি নিজে গাড়িতে বসে ফোন করেছেন, এটা কার দায়িত্ব ছিল, কেন পরিচ্ছন্ন হলো না, তা পুঙ্খানুপুঙ্খ তদারকি করেছেন।
সানা/আপ্র/১/৫/২০২৬