ঢাকার পাঁচবারের এমপি এ কে এম রহমতুল্লাহকে ভাটারা এলাকায় বেরাইদ কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশেই শায়িত করা হয়েছে ।
বুধবার (৩ জুন) বিকাল সোয়া ৪টায় বেরাইদে রহমত উল্লাহ স্টেডিয়াম, বড় মসজিদ মাঠ ও বেরাইদ খেলার মাঠে মাইকের মাধ্যমে একযোগে জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে আওয়ামী লীগের প্রবীণ এ নেতাকে।
রহমতুল্লাহর ভাগনে ফারুক হোসাইন বলেন, ‘উনার ছেলে হেদায়েত উল্লাহ দেশের বাইরে থাকায় জানাজায় থাকতে পারেননি। তবে জানাজার সময় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কথা বলেন তিনি।’
দীর্ঘদিন ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে বুধবার ভোর পৌনে ৪টার দিকে মারা যান এ রাজনীতিবিদ; তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। বীর মুক্তিযোদ্ধা রহমতুল্লাহ আমৃত্যু আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তিনি ছিলেন প্রভাবশালী এক নাম।
১৯৮৬ সালের তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্মিলিত বিরোধী দলের হয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তিনি তৎকালীন ঢাকা-৫ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
এরপর ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এমপি হন তৎকালীন ঢাকা-৫ আসন থেকে।
২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ঢাকা-১০ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন রহমতুল্লাহ। ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-১১ আসন থেকে নির্বাচিত হন তিনি।
সানা/ডিসি/আপ্র/৩/৬/২০২৬