বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) নামে ভুয়া খুদে বার্তার মাধ্যমে প্রতারণার নতুন কৌশল নিয়ে সতর্ক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।
সম্প্রতি অনেক মোবাইল ব্যবহারকারী ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগসংক্রান্ত খুদে বার্তা পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছেন। এসব বার্তায় ট্রাফিক টিকিট নম্বর, আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং জরিমানা পরিশোধের জন্য ওয়েবসাইটের লিংকও যুক্ত থাকে। কিন্তু পুলিশ জানিয়েছে, এসব বার্তা প্রতারক চক্রের পাঠানো ভুয়া বার্তা।
এক ভুক্তভোগীর অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, বার্তায় অতিরিক্ত গতি ও অবৈধ পার্কিংয়ের অভিযোগ উল্লেখ থাকলেও তিনি কোনোভাবেই এমন কাজে যুক্ত ছিলেন না। পরে জানা যায়, একই ধরনের বার্তা এমন ব্যক্তিও পেয়েছেন, যাঁর কোনো যানবাহনই নেই।
ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ গত ২৫ মে এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, তাদের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো ভুয়া খুদে বার্তা পাঠানো হচ্ছে না।
প্রতারণা থেকে রক্ষা পেতে যা জানা জরুরি-
১. ৭ মে ঢাকার বিভিন্ন মোড়ে পরীক্ষামূলকভাবে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। এআইভিত্তিক ক্যামেরায় সড়ক পরিবহন আইন লঙ্ঘন শনাক্ত করা হচ্ছে এবং ডিজিটালভাবে মামলা তৈরি করা হচ্ছে।
২. প্রাথমিকভাবে এসব মামলার তথ্য ম্যানুয়ালি যাচাই করে ডাকযোগে গাড়ির মালিকের ঠিকানায় পাঠানো হচ্ছে।
৩. সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী পাঠানো চিঠিতে সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক টেকনিক্যাল ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকবে।
৪. প্রয়োজনে নির্ধারিত দুইটি নম্বর থেকে খুদে বার্তা পাঠানো হয়।
৫. জরিমানা পরিশোধ করা যায় অনুমোদিত অনলাইন ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে।
৬. ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ কখনোই পিন কোড, পাসওয়ার্ড বা ওটিপি জানতে চায় না।
৭. এআই বা ভিডিওভিত্তিক মামলার বিষয়ে তথ্য জানতে নির্ধারিত নম্বর অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সানা/ডিসি/আপ্র/৬/৬/২০২৬