গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মেনু

ইপিআই টিকা, যক্ষ্মা-এইডসের ওষুধ কিনতে ৪৬৩ কোটি টাকা অনুমোদন

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫:১৭ পিএম, ১০ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২১:৩৯ এএম ২০২৬
ইপিআই টিকা, যক্ষ্মা-এইডসের ওষুধ কিনতে ৪৬৩ কোটি টাকা অনুমোদন
ছবি

ছবি সংগৃহীত

জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই), যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি এবং এইচআইভি/এইডস রোগীদের চিকিৎসা সেবায় ব্যবহৃত টিকা ও ওষুধ ক্রয়ে মোট ৪৬৩ কোটি ৪৪ লাখ ৫৭ হাজার ২০ টাকার চারটি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার (১০ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, মাঠ পর্যায়ে ইপিআই কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ রুটিন ইপিআই ভ্যাকসিন সংগ্রহের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় আন্তর্জাতিক বিশেষায়িত সংস্থা ইউনিসেফের মাধ্যমে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সাত ধরনের ভ্যাকসিন কেনা হবে। এ খাতে ব্যয় হবে ৪১২ কোটি ৭১ লাখ ৪৫ হাজার ৭৫৫ টাকা।

এই অর্থে মোট ৭৭ লাখ ৯৫ হাজার ৬৩৬ ভায়াল ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হবে। ভ্যাকসিনগুলোর উৎপাদনকারী দেশ হচ্ছে জাপান, ডেনমার্ক, ভারত, বুলগেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, বেলজিয়াম এবং দক্ষিণ কোরিয়া। এর আগে একই অর্থবছরের চাহিদার ৫০ শতাংশ ভ্যাকসিন ৪১৯ কোটি ৯৭ লাখ ৬৯ হাজার ৮২৪ টাকায় ইউনিসেফের মাধ্যমে ক্রয় করা হয়েছিল।

এছাড়া জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় ব্যবহৃত অত্যাবশ্যকীয় অ্যান্টি-টিবি ড্রাগস (৪এফডিসি) অতিরিক্ত ক্রয়ের জন্য একটি ভেরিয়েশন প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। মেসার্স রেনেটা পিএলসির কাছ থেকে অতিরিক্ত ১ কোটি ৭ লাখ ৭৩ হাজার ইউনিট ওষুধ সংগ্রহ করা হবে। এজন্য মূল চুক্তির অতিরিক্ত ১৫ কোটি ৫১ লাখ ৩১ হাজার ২০০ টাকা ব্যয় হবে। এতে সংশোধিত চুক্তিমূল্য বেড়ে দাঁড়াবে ৯৩ কোটি ৭ লাখ ৮৭ হাজার ২০০ টাকা।

সভায় যক্ষ্মা রোগ নির্ণয়ের জন্য জরুরি জিনএক্সপার্ট কার্ট্রিজ অতিরিক্ত ক্রয়ের প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়। ইউনাইটেড ন্যাশনস অফিস ফর প্রজেক্ট সার্ভিসেস (ইউএনওপিএস)-এর কাছ থেকে অতিরিক্ত ২ লাখ ৯৬ হাজার ৪০০ কার্ট্রিজ সংগ্রহ করা হবে। এ খাতে অতিরিক্ত ব্যয় হবে ৩১ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৯৩৫ টাকা। এটা সংশোধিত চুক্তিমূলকভাবে দাঁড়াবে ১৯০ কোটি ১৭ লাখ ৮৪ হাজার ২৭৭ টাকা।

এদিকে জাতীয় এইচআইভি/এইডস কর্মসূচির আওতায় রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং সম্ভাব্য ওষুধ সংকট এড়াতে অ্যান্টি-রেট্রোভাইরাল ওষুধ অতিরিক্ত ক্রয়ের প্রস্তাবেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মেসার্স এস এস সাইন্টিফিক কর্পোরেশনের কাছ থেকে পাঁচটি আইটেমে ১৯ লাখ ৭৬ হাজার ৭৬০ ইউনিট ওষুধ কেনা হবে। এজন্য মূল চুক্তির অতিরিক্ত ব্যয় হবে ৩ কোটি ৫২ লাখ ১৬ হাজার ১৩০ টাকা। ফলে সংশোধিত চুক্তির মূল্যায়নের দাঁড়াবে ২১ কোটি ১২ লাখ ৯৬ হাজার ৮৭৪ টাকা।

এসি/আপ্র/১০/০৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ইউএনওকে ফুল দিয়ে বরণ জামায়াতের এমপির, প্রটোকল নিয়ে প্রশ্ন
৩০ জুলাই ২০২৬

ইউএনওকে ফুল দিয়ে বরণ জামায়াতের এমপির, প্রটোকল নিয়ে প্রশ্ন

কুষ্টিয়ার মিরপুরে নবনিযুক্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজ শাহীন খসরুকে কার্যালয়ে গিয়ে ফুল...

চীন-ভারত সম্পর্ক নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘এটা স্ত্রী-সতিনের মারামারি নয়’
৩০ জুলাই ২০২৬

চীন-ভারত সম্পর্ক নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘এটা স্ত্রী-সতিনের মারামারি নয়’

কোনো একটি দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন মানেই অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি নয় বলে মন্তব্য করেছেন পর...

ভারত সফরের সিদ্ধান্ত ঢাকার প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় দিল্লি
২৯ জুলাই ২০২৬

ভারত সফরের সিদ্ধান্ত ঢাকার প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় দিল্লি

ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে দিল্ল...

চলে গেলেন স্বর্ণযুগের প্রযোজক মুস্তাফিজুর রহমান
২৯ জুলাই ২০২৬

চলে গেলেন স্বর্ণযুগের প্রযোজক মুস্তাফিজুর রহমান

বাংলাদেশের টেলিভিশন নাটকের স্বর্ণযুগের অন্যতম নেপথ্য কারিগর, প্রযোজক ও নির্মাতা মুস্তাফিজুর রহমানকে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে