গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

পাচার অর্থ পুনরুদ্ধারে ১১ মামলা অগ্রাধিকার

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:৩৪ পিএম, ২২ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১২:২৪ এএম ২০২৬
পাচার অর্থ পুনরুদ্ধারে ১১ মামলা অগ্রাধিকার
ছবি

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ আমলে সংঘটিত অর্থ পাচার ও দুর্নীতির অনুসন্ধান করে একটি পূর্ণাঙ্গ শ্বেতপত্র প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে -ফাইল ছবি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার সংক্রান্ত ১১টি মামলা সরকারের অগ্রাধিকারে রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, এসব মামলার অর্থ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ চলছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ আমলে সংঘটিত অর্থ পাচার ও দুর্নীতির অনুসন্ধান করে একটি পূর্ণাঙ্গ শ্বেতপত্র প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টিও সরকারের অগ্রাধিকারে রয়েছে।

তিনি আরো জানান, অর্থ পাচারের গন্তব্য হিসেবে প্রাথমিকভাবে ১০টি দেশ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও হংকং-চায়না রয়েছে। এর মধ্যে মালয়েশিয়া, হংকং ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের সম্মতি পাওয়া গেছে, বাকি দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে।

সংসদে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে গঠিত আন্তসংস্থা টাস্কফোর্স ১১টি অগ্রাধিকার মামলা চিহ্নিত করেছে। এসব মামলায় অর্থ পাচারকারীদের তালিকায় রয়েছে শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবার, সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো গ্রুপ, সিকদার গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, ওরিয়ন গ্রুপ, নাবিল গ্রুপ, এইচ বি এম ইকবাল ও তাঁর পরিবার এবং সামিট গ্রুপ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং দমনের অংশ হিসেবে বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ শনাক্ত ও ফেরত আনার কাজে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তির মাধ্যমে তথ্য বিনিময় ও সম্পদ উদ্ধারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি আরো জানান, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে পাচার হয়েছে বলে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির তথ্যে উঠে এসেছে, যা গড়ে বছরে প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার। একই অধিবেশনে তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে এক হাজার জনকে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং ২০ লাখ জনকে ফ্রিল্যান্সার কার্ড প্রদান করা হবে। ইতোমধ্যে সাড়ে সাত হাজার কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। 
সানা/আপ্র/২২/৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

বন্ধুকে খুন করে মাটিচাপা, ওপর থেকে সিমেন্ট ঢালাই
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বন্ধুকে খুন করে মাটিচাপা, ওপর থেকে সিমেন্ট ঢালাই

পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে রাজধানীর লালবাগে ব্যবসায়ী বন্ধু শেখ ওয়াসিম রনিকে (৪৩) হত্যার পর লাশ মাট...

শাহজালালে ৭৪ ভরি স্বর্ণালংকারসহ আটক তিনজন
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শাহজালালে ৭৪ ভরি স্বর্ণালংকারসহ আটক তিনজন

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৭৪ ভরি স্বর্ণালংকারসহ চোরাচালান চক্রের তিন সদস্যকে...

কাপড়ের রোলের আড়ালে শাহজালালে মিলল ১,৬৫৫ মোবাইল
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কাপড়ের রোলের আড়ালে শাহজালালে মিলল ১,৬৫৫ মোবাইল

হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ারফ্রেইট এলাকা থেকে কাপড়ের রোলের আড়ালে অবৈধভাবে আনা ১...

চাঁদা না দিলে ১০০ পুলিশ থাকলেও গুলি, চিকিৎসককে হুমকি
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চাঁদা না দিলে ১০০ পুলিশ থাকলেও গুলি, চিকিৎসককে হুমকি

চট্টগ্রামে এক চিকিৎসকের কাছে বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদ এবং তাঁর সহযোগী মো....

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই