চট্টগ্রামে হারিয়ে যাওয়া সরকারি অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা চেয়েছে র্যাব। এসব অস্ত্র উদ্ধারে সঠিক তথ্য দিয়ে সহায়তা করলে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে র্যাব-৭। আগামী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত স্বেচ্ছায় ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে হারানো অস্ত্র বা গোলাবারুদের তথ্য দিলে তথ্যদাতার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। তবে নির্ধারিত সময়ের পর এসব অস্ত্র বা গোলাবারুদ কারও কাছে পাওয়া গেলে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম মহানগরের চান্দগাঁওয়ে র্যাব-৭-এর মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান র্যাব-৭-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান। হারানো সরকারি অস্ত্র উদ্ধার ও সাম্প্রতিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে র্যাব-৭ সিপিসি-৩-এর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার মো. তাওহিদুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, হারানো অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত এসব অস্ত্র সমাজের সবার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই কারও কাছে এ ধরনের সরকারি অস্ত্র থাকলে তা র্যাবের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সঠিক তথ্য দিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে সহযোগিতা করলে নির্ধারিত হারে নগদ অর্থ পুরস্কার দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
র্যাবের গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রাইফেল, সাবমেশিন গান, লাইট মেশিনগান ও স্নাইপারের তথ্য দিয়ে উদ্ধারে সহায়তা করলে দুই লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। শটগান, পিস্তল ও গ্যাস গানের ক্ষেত্রে পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা। প্রতিটি সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার সেলের তথ্যের জন্য এক হাজার ৫০০ টাকা এবং সব ধরনের গোলাবারুদের ক্ষেত্রে প্রতি রাউন্ডের জন্য ৫০ টাকা হারে পুরস্কার দেওয়া হবে।
র্যাব জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে আইনগত সুরক্ষা দেওয়া হবে। দেশজুড়ে হারানো সরকারি অস্ত্র উদ্ধারে র্যাবকে প্রধান সমন্বয়কারী করে বিশেষ যৌথ অভিযানও চলছে।
সানা/আপ্র/১৫/৯/২০২৬