গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

পাঁচ বছরেও মেরামত হয়নি সাতক্ষীরার কয়ারবিল ব্রিজ, চলাচলে চরম দুর্ভোগ

আবদুল্লাহ আল মামুন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

আবদুল্লাহ আল মামুন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৭:০৯ পিএম, ০৪ জুন ২০২৬ | আপডেট: ০০:০৭ এএম ২০২৬
পাঁচ বছরেও মেরামত হয়নি সাতক্ষীরার কয়ারবিল ব্রিজ, চলাচলে চরম দুর্ভোগ
ছবি

ছবি প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদহা ইউনিয়নের কয়ারবিল এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকায় চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও যানবাহন চালকেরা। দ্রুত সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর ধরে ব্রিজটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন যানবাহন এই ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে। ভাঙা অংশে বাঁশ, কাঠ, ইটের রাবিশ ও মাটি ভরা বস্তা দিয়ে অস্থায়ীভাবে চলাচলের ব্যবস্থা করা হলেও তা এখন চরম বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। সামান্য অসাবধানতা বা ভারী যানবাহনের চাপে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থায় থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। ফলে প্রতিদিন চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে স্কুল–কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, রোগী ও কর্মজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন।

স্থানীয়রা জানান, এই সড়কটি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সঙ্গে সীমান্তবর্তী কলারোয়া উপজেলার যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। প্রতিদিন শত শত মোটরসাইকেল, ট্রাক, ইজিবাইক, ভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে এই পথ দিয়ে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ব্রিজটির বেহাল অবস্থার কারণে স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

কৃষকেরা জানান, ধান, মাছ, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে তাদের অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। ঝুঁকি এড়াতে অনেক সময় বিকল্প দীর্ঘ পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

এলাকাবাসীর আশঙ্কা, বর্ষা মৌসুম শুরু হলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হতে পারে। ভারী বৃষ্টিপাত ও পানির চাপ বাড়লে ব্রিজটির অবশিষ্ট অংশও ধসে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। এতে পুরো এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।

স্থানীয়রা জানান, জরুরি রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে এই ব্রিজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই দ্রুত সংস্কার না হলে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা অবিলম্বে কয়ারবিল ব্রিজটি সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
সানা/আপ্র/৪/৬/২০২৬

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ইতালি পাঠানোর প্রলোভনে ৫৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ, লিবিয়ায় ১৭ মাস বন্দি সুমন
২৯ অক্টোবর ২০২৬

ইতালি পাঠানোর প্রলোভনে ৫৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ, লিবিয়ায় ১৭ মাস বন্দি সুমন

অনাদি কুমার মণ্ডল: ইতালিতে সরাসরি পাঠানো ও ভালো বেতনের চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৫৮...

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে নামছেন চাঁদপুরের অর্ধলক্ষাধিক জেলে
২৯ অক্টোবর ২০২৬

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে নামছেন চাঁদপুরের অর্ধলক্ষাধিক জেলে

মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে আবারও নদীত...

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু
২৯ অক্টোবর ২০২৬

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শ...

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদের অংশগ্রহণ জরুরি
২৯ অক্টোবর ২০২৬

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদের অংশগ্রহণ জরুরি

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্র...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পুলিশকে শক্তিশালী না করলে দিনে-রাতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলা যাবে না

পুলিশকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির, পিপিএম বলেছেন, “আপনারা সাংবাদিক ভাইয়েরা পুলিশকে ব্যবহার করেন। পুলিশকে শক্তিশালী না করলে আমরা সমাজে দিনে-রাতে কেউই স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারব না।” রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট পুলিশ লাইনে জেলা পুলিশের আয়োজনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন আইজিপি সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 দিন আগে