গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

মেনু

৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবি সংসদে

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১:২৬ পিএম, ২৯ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২৩:৪৭ এএম ২০২৬
৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবি সংসদে
ছবি

ছবি সংগৃহীত

সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন জাতীয় সংসদে প্রচলিত ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। তাঁর মতে, এ উদ্যোগ নিলে অপ্রদর্শিত অর্থ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরবে, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ হবে এবং কালো টাকার উৎস বন্ধ করা সম্ভব হবে।

রোববার (২৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও বাজেট অধিবেশনের ১৭তম দিনে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ প্রস্তাব দেন।

সংসদ সদস্য খোকন বলেন, অনেকেই ব্যাংকে টাকা না রেখে ঘরে নগদ অর্থ জমিয়ে রাখছেন। আবার যারা দেশ ছেড়ে গেছেন, তারাও বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ফেলে গেছেন। এ অবস্থায় ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট এক থেকে দুই মাসের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলে সেই অর্থ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরে আসবে।

তিনি আরো বলেন, যাদের অর্থের বৈধ উৎস নেই, তারা নির্দিষ্ট হারে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কর দিয়ে অর্থ বৈধ করতে পারবেন। এতে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যাংকে ফিরবে, বিনিয়োগ বাড়বে এবং অর্থনীতিতে তারল্য বাড়বে বলে তিনি দাবি করেন।

সংসদে তিনি বলেন, দেশে ব্যাংকের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি। “এমপি হলেই একটা ব্যাংক, নেতা হলেই একটা লিজিং কোম্পানি—এ সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে,” মন্তব্য করে তিনি ব্যাংকিং খাত পুনর্গঠনের আহ্বান জানান।

তিনি আরো বলেন, দুর্বল ব্যাংকগুলো জনগণের অর্থ দিয়ে টিকিয়ে রাখা হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর। তাই ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে খাতটিকে আরো কার্যকর করার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অর্থ পাচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার কথা বলা হলেও বাস্তবে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। তাই শুধু অর্থ ফেরত আনার চেষ্টা নয়, বরং এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে যাতে মানুষ দেশে অর্থ রাখতে আস্থা পায়।

তিনি বাজেটের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও যুব কর্মসংস্থান উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য, সংসদ সদস্যের এই প্রস্তাব আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত ভারতের ২০১৬ সালের নোট বাতিল উদ্যোগের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে, যেখানে ৫০০ ও ১০০০ রুপির নোট বাতিল করা হয়েছিল। ওই সিদ্ধান্ত নিয়ে পরবর্তীতে অর্থনৈতিক প্রভাব ও কার্যকারিতা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়।
সানা/আপ্র/২৯/৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ব্যক্তির করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়লো
২৯ জুন ২০২৬

ব্যক্তির করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়লো

চলতি অর্থবছরে আয়ের ওপর অন্তর্বর্তী সরকার যে করমুক্ত আয়সীমা নির্ধারণ করেছিল সেখানে রেখেই আগামী করবর্ষ...

বাংলাদেশ-পাকিস্তান বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা
২৯ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ-পাকিস্তান বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, খাদ্যপণ্য সরবরাহ ও শিল্প সহযোগিতা বৃদ্ধ...

জুনের ২৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার
২৯ জুন ২০২৬

জুনের ২৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার

অর্থনৈতিকভাবে দেশ যখন চ্যালেঞ্জিং সময় পার করছে, তখন রেমিট্যান্স পাঠানোর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে চাঙ...

বাড়লো ব্যক্তিগত ঋণ পরিশোধের মেয়াদ
২৭ জুন ২০২৬

বাড়লো ব্যক্তিগত ঋণ পরিশোধের মেয়াদ

খুচরা ঋণ বৃদ্ধি এবং সাধারণ গ্রাহকদের ঋণপ্রাপ্তি সহজ করার জন্য ব্যক্তিগত ঋণের সর্বোচ্চ পরিশোধের মেয়াদ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ট্রাইব্যুনাল আইন নিয়ে রিট বিতর্ক ও হেয় প্রতিপন্ন করার প্রচেষ্টা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন, ১৯৭৩-এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের করা রিট আবেদনটি ট্রাইব্যুনালকে বিতর্কিত ও হেয় প্রতিপন্ন করার একটি প্রচেষ্টা। আপনি কি মনে করেন চিফ প্রসিকিউটরের মন্তব্য সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 23 ঘন্টা আগে