গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বড় নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:৩৪ পিএম, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২১:১১ এএম ২০২৬
রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বড় নিষেধাজ্ঞা
ছবি

ছবি সংগৃহীত

রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন করে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপের লক্ষ্যে আনা একটি বিল পাস করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ২৬২-১৫৯ ভোটে বিলটি পাস হয়।

এখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরের জন্য এটি হোয়াইট হাউসে পাঠানো হয়েছে।

‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ নামের এই বিলে রাশিয়ার জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা খাত, দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ শীর্ষ কর্মকর্তা, রুশ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ব্যবহৃত তেলবাহী জাহাজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার বিধান রয়েছে।

বিলটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধান হলো, রাশিয়ার জ্বালানি কেনা দেশগুলোর পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টকে দেওয়া। ফলে রাশিয়ার জ্বালানি কেনা চীন ও ভারতের মতো দেশও এই ব্যবস্থার আওতায় পড়তে পারে। তবে শুল্ক আরোপের বিষয়টি প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্ত ও আইনের নির্ধারিত শর্তের ওপর নির্ভর করবে।

বিল অনুযায়ী, রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল বা গ্যাসের বড় আমদানিকারক দেশ এবং রুশ নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়তাকারী দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের সুযোগ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধ প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী বিদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার বিধান রয়েছে।

এর আগে গত ৭ আগস্ট মার্কিন সিনেটে ৮৬-১১ ভোটে বিলটি পাস হয়েছিল। প্রতিনিধি পরিষদেও পাস হওয়ার পর এখন এটি ট্রাম্পের স্বাক্ষরের অপেক্ষায় রয়েছে। ট্রাম্প বিলটিতে স্বাক্ষরের সমর্থন জানিয়েছেন।

তবে বিলটি নিয়ে প্রতিনিধি পরিষদে পুরোপুরি ঐকমত্য ছিল না। ৫৮ জন ডেমোক্র্যাট সদস্য বিলটির পক্ষে ভোট দিলেও ১৫২ জন ডেমোক্র্যাট এর বিরোধিতা করেন। বিরোধিতাকারীদের একটি অংশ ট্রাম্পকে এত বিস্তৃত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাদের আশঙ্কা, এতে নির্বাহী বিভাগের বাণিজ্যিক ক্ষমতা আরও বাড়তে পারে।

বিলটিতে ইরানের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা বাড়ানোর বিধান রয়েছে। ইরানের জ্বালানি ও অস্ত্র খাতে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখার মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন কংগ্রেসকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন। বিলটির সমর্থকদের বক্তব্য, রাশিয়ার জ্বালানি আয়ের ওপর চাপ বাড়ানো এবং মস্কোর যুদ্ধ পরিচালনার অর্থের জোগান কমানোই এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

বিলটির প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন প্রয়াত রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম। তার মৃত্যুর পর তার সম্মানে বিলটির নামকরণ করা হয়। গ্রাহাম এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিলটি নিয়ে কাজ করেছিলেন।

এদিকে রাশিয়ার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ তেল কেনা ভারত এই বিলের সম্ভাব্য প্রভাবের মধ্যে রয়েছে। ভারতের মতো বড় ক্রেতাদের ওপর শুল্ক আরোপ করা হলে তা দেশটির যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্কেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, এ ধরনের শুল্ক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে।

ডিসি/ আপ্র/১৭/০৯/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

সুইডেনের নির্বাচনে মধ্য-বাম জোটের জয়
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুইডেনের নির্বাচনে মধ্য-বাম জোটের জয়

সুইডেনের জাতীয় নির্বাচনে মধ্য-বাম বিরোধীদলীয় জোট জয় পেয়েছে। ক্ষমতাসীন ডানপন্থি জোটকে হারিয়ে ৩৪৯ আসনে...

এআই ভুল মানুষের হাতে পড়লে ভয়াবহ বিপদ: রাজা চার্লস
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এআই ভুল মানুষের হাতে পড়লে ভয়াবহ বিপদ: রাজা চার্লস

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ভুল মানুষের হাতে পড়লে মানবজাতির জন্য ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনতে পারে বলে সতর্ক...

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ মিলেছে
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ মিলেছে

জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি সক্রিয় করার সময় এসে গেছে : পাকিস্তান
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি সক্রিয় করার সময় এসে গেছে : পাকিস্তান

ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের মক্কা লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার অভিযোগের পর ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ কা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

জুয়া ও মাদক অনেক অপরাধের মূল কারণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বর্তমানে সংঘটিত অনেক অপরাধের পেছনে জুয়া ও মাদককে অন্যতম মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, অপরাধের পর শুধু গ্রেফতার, বিচার ও শাস্তি দিলেই এটা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। অপরাধ কেন সংঘটিত হচ্ছে, তার মূল কারণ খুঁজে বের করে তা মোকাবিলা করতে হবে। প্রিয় পাঠক, মন্ত্রীর কথার সঙ্গে আপনি কি একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 19 ঘন্টা আগে