গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

২৫০ শতাংশ শুল্কের হুমকিতে যুদ্ধ থামিয়েছি, তবু নোবেল পাইনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:৪০ পিএম, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ২১:৫২ এএম ২০২৬
২৫০ শতাংশ শুল্কের হুমকিতে যুদ্ধ থামিয়েছি, তবু নোবেল পাইনি
ছবি

ফ্লোরিডায় এক নির্বাচনী সমাবেশে ভাষণ দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প -ছবি রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ২০২৫ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাত থামাতে তিনি দুই দেশের ওপর ২৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাণিজ্য শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন। তাঁর ভাষ্য, বাণিজ্যিক চাপের মুখে দুই দেশ গোলাগুলি বন্ধ করে এবং যুদ্ধের অবসান ঘটে। তবে এমন ভূমিকার পরও নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে স্থানীয় সময় গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ফ্লোরিডায় এক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প এসব কথা বলেন। ভারত-পাকিস্তান সংঘাতসহ তিনি মোট আটটি যুদ্ধের মীমাংসা করেছেন বলেও দাবি করেন। রয়টার্সের ভিডিওর বরাতে এ বক্তব্যের খবর জানিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে।

সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, ভারত ও পাকিস্তান দুটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। সংঘাত বন্ধ করতে তিনি বাণিজ্যকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। দুই দেশকে সতর্ক করে তিনি বলেছিলেন, যুদ্ধ চালিয়ে গেলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যের সুযোগ হারাতে হবে এবং উভয় দেশের ওপর ২৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর এ হুঁশিয়ারিতে দুই দেশই বিচলিত ও ক্ষুব্ধ হয়েছিল। পরে তারা গোলাগুলি বন্ধ করে, যার মধ্য দিয়ে সংঘাতের অবসান ঘটে।

নিজের কথিত কূটনৈতিক সাফল্যের প্রসঙ্গ টেনে নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ার বিষয়েও আক্ষেপ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, “আমি কি নোবেল পুরস্কার পেয়েছি? না।”

ভারতের বক্তব্য, যুদ্ধবিরতিতে তৃতীয় পক্ষের ভূমিকা ছিল না: গত বছর কাশ্মিরের পেহেলগামে প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক সংঘাত শুরু হয়। এর জেরে দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন, তাঁর হস্তক্ষেপেই সংঘাত থেমেছিল।

তবে ভারতের সরকার এ দাবি অস্বীকার করেছে। নয়াদিল্লির বক্তব্য, ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালে দুই দেশের মধ্যে সামরিক অভিযান বন্ধের সমঝোতা হয় সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে। ভারতের দাবি অনুযায়ী, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর সামরিক অভিযানবিষয়ক মহাপরিচালক তাঁর ভারতীয় সমকক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সামরিক কার্যক্রম বন্ধের অনুরোধ জানান। ভারত স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা ছিল না।

ফলে ভারত-পাকিস্তান সংঘাত থামানোর ক্ষেত্রে নিজের ভূমিকা নিয়ে ট্রাম্পের দাবি এবং ভারতের বক্তব্যের মধ্যে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের আক্ষেপও তাঁর কথিত কূটনৈতিক সাফল্যকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স, ইন্ডিয়া টুডে।
সানা/ডিসি/আপ্র/২৪/১০/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

৮১ বছরে জাতিসংঘ, সংকট উত্তরণে বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ
২৪ অক্টোবর ২০২৬

৮১ বছরে জাতিসংঘ, সংকট উত্তরণে বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

আজ ২৪ অক্টোবর, ৮১তম জাতিসংঘ দিবস। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞের পর বিশ্বশান্তি, আন্তর্জাতিক নিরাপ...

রোগ ও জলবায়ু সংকটে বিশ্বজুড়ে কলা উৎপাদন বড় ঝুঁকিতে
২৪ অক্টোবর ২০২৬

রোগ ও জলবায়ু সংকটে বিশ্বজুড়ে কলা উৎপাদন বড় ঝুঁকিতে

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ফল কলা জলবায়ু সংকট ও ছত্রাকজনিত রোগের কারণে ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে পড়েছে। বি...

জনসংখ্যার পতন ঠেকাতে পরিবারবান্ধব নতুন পরিকল্পনা চীনের
২৪ অক্টোবর ২০২৬

জনসংখ্যার পতন ঠেকাতে পরিবারবান্ধব নতুন পরিকল্পনা চীনের

জনসংখ্যা কমে যাওয়া ও জন্মহার রেকর্ড পরিমাণে নেমে আসার পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরিবারগুলোর জন্য সহায়তা বা...

পাঁচ বছর পর মায়ের সঙ্গে কথা বললেন সু চির ছেলে
২৪ অক্টোবর ২০২৬

পাঁচ বছর পর মায়ের সঙ্গে কথা বললেন সু চির ছেলে

মিয়ানমারের গৃহবন্দি গণতন্ত্রপন্থি সাবেক নেত্রী অং সান সু চির সঙ্গে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় পর প্রথমবারে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দল বিশৃঙ্খলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: প্রধানমন্ত্রী

দেশের বিভিন্ন স্থানে ও কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টির পেছনে পলাতক স্বৈরাচার ও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ বিষয়ে তাঁর কাছে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে দাবি করে তিনি বলেছেন, এক পক্ষ সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ সরবরাহ করছে, অন্য পক্ষ দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে