রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই ছিল তাঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সাক্ষাৎ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। পরে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিবসহ কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তাঁর যুক্তরাষ্ট্র সফর, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ এবং অধিবেশনের সাইডলাইনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, জাতিসংঘ মহাসচিব এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকসহ সফরের বিভিন্ন বিষয় রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
রাষ্ট্রপতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ভাষণের জন্য তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ও প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে ‘দূরদর্শী, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও দিকনির্দেশনামূলক’ হিসেবে উল্লেখ করে অভিনন্দন জানিয়েছিল।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, ভাষণে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে। গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানও এতে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রপতির ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান আরো সুসংহত ও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি জনস্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রেও সফরটি তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখেছে।
সাক্ষাৎকালে জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনা হয় বলে জানান রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম। বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ করতে আসায় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি।
সানা/আপ্র/২৯/৯/২০২৬