গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

সংসার গুছিয়ে নেওয়ার আগেই ডেঙ্গুতে থেমে গেল চিকিৎসক আঁচলের জীবন

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:০৮ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২২:০৩ এএম ২০২৬
সংসার গুছিয়ে নেওয়ার আগেই ডেঙ্গুতে থেমে গেল চিকিৎসক আঁচলের জীবন
ছবি

বিয়ের ছবি-ভিডিও, স্বামীর সঙ্গে সমুদ্রভ্রমণের স্মৃতি আর পেশাগত জীবনের নানা অর্জনের ছবি এখনো আঁচলের ফেসবুকজুড়ে -ফেসবুকে থেকে সংগৃহীত ছবি

ফ্রিজ, আসবাবপত্রসহ সংসারের প্রয়োজনীয় টুকিটাকি জিনিস কিনেছিলেন দুজন মিলে। রাজধানীর খিলগাঁওয়ে আঁচল রায়ের মা-বাবার বাসার পাশেই ভাড়া নিয়েছিলেন ছোট্ট একটি বাসা। ধীরে ধীরে ঘরটি গুছিয়ে নেবেন, এরপর বরিশালে গিয়ে নতুন করে সংসার সাজাবেন-এমনই ছিল চিকিৎসক দম্পতি বিপ্লব চন্দ্র দাস ও আঁচল রায়ের পরিকল্পনা।

কিন্তু সেই সংসার আর গুছিয়ে নেওয়া হলো না।

বিয়ের মাত্র দেড় বছরের মাথায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তি হন আঁচল। তাঁকে বাঁচাতে চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। স্বামী বিপ্লবও চিকিৎসক হিসেবে যুক্ত ছিলেন তাঁর চিকিৎসায়, আবার স্বামী হিসেবে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পাশে ছিলেন। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে ২৭ সেপ্টেম্বর চলে যান আঁচল।

বিয়ের ছবি-ভিডিও, স্বামীর সঙ্গে সমুদ্রভ্রমণের স্মৃতি আর পেশাগত জীবনের নানা অর্জনের ছবি এখনো আঁচলের ফেসবুকজুড়ে। ছবিগুলোতে যে মানুষটিকে দেখা যায়, তিনি আর নেই। পড়ে আছে খিলগাঁওয়ের সেই ছোট্ট বাসা, কেনা কিছু আসবাবপত্র আর দুজনের দেখা ভবিষ্যতের স্বপ্ন।

বিয়ের পরও আলাদা শহরে: গত বছরের ১৮ এপ্রিল ঢাকায় ঘটা করে বিয়ে হয় বিপ্লব ও আঁচলের। তিন দিন পর বরিশালে হয় বউভাত। দুজনই চিকিৎসক। চাকরি, দায়িত্ব ও ভবিষ্যৎ নিয়ে দুজনেরই ছিল ব্যস্ততা।

বিয়ের পর নিয়মিত এক ছাদের নিচে থাকা হয়নি তাঁদের। চাকরির কারণে আঁচল ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায়, আর বিপ্লব জামালপুরে। পরে একজন ঢাকায় এবং অন্যজন বরগুনায় কর্মরত ছিলেন।

ছুটি পেলে কিংবা ঢাকায় কাজ থাকলে দেখা হতো দুজনের। সেই অল্প সময়েই চলত সংসারের হিসাব-নিকাশ। কী কিনবেন, কোথায় থাকবেন, কবে দুজন একসঙ্গে থাকতে পারবেন - এসব নিয়েই ছিল তাঁদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।

খিলগাঁওয়ে আঁচলের মা-বাবার বাসার পাশে একটি বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন তাঁরা। ফ্রিজ, আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনীয় কিছু জিনিসও কিনেছিলেন। ধীরে ধীরে ঘরটি সাজানোর কথা ছিল।

এরই মধ্যে ৪৫তম বিসিএসে স্বাস্থ্য ক্যাডারে বিপ্লব সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তখন তাঁদের পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ হয়। বরিশালে, বিপ্লবের বাড়ির এলাকায় পোস্টিং নিয়ে সেখানে নতুন করে সংসার শুরু করার কথা ভাবছিলেন তাঁরা। সংসার কিছুটা গুছিয়ে নিয়ে সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল।

২৮ সেপ্টেম্বর মুঠোফোনে কথা হয় বিপ্লবের সঙ্গে। তিনি জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের বরগুনার বেতাগী আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি ৪৫তম বিসিএসে স্বাস্থ্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

বিপ্লব বলেন, ডেঙ্গু তাঁদের সংসারটাও গোছানোর সময় দিলো না।

২১ সেপ্টেম্বরের সেই জ্বর: ২১ সেপ্টেম্বর আঁচলের জ্বর আসে। জ্বর নিয়েই সেদিন স্বামী-স্ত্রী দুজন পূজার কেনাকাটা করেছিলেন। পরে ল্যাব থেকে লোক এনে পরীক্ষা করানো হয়। তখন আঁচলের প্লাটিলেট ছিল এক লাখ। মুখে খাবারও খেতে পারছিলেন।

তারপরও বিপ্লব তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। আঁচল রাজি হননি। বলেছিলেন, পরিস্থিতি খারাপ হলে হাসপাতালে যাবেন।

এরপর দ্রুত কমতে থাকে তাঁর প্লাটিলেট। ২৫ হাজারে নেমে গেলে ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেদিন একটি কাজে বিপ্লব ছিলেন বরিশালে।

হাসপাতালে ভর্তির পর আঁচলের শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে। প্রথমে এইচডিইউ, পরে আইসিইউ। একপর্যায়ে তাঁকে একের পর এক জটিল চিকিৎসাপদ্ধতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

বিপ্লব বলেন, ‘আঁচল প্রটোকলের বাইরে কোনো ওষুধ খেতে চাইত না। আর নিজেই ছিল খুব ব্রাইট চিকিৎসক। হাসপাতালে ভর্তি হলে ক্যানুলা করতে হবে, এটা নিয়েও ভয় পেত। আর সেই আঁচলকেই হাসপাতালের এইচডিইউ, আইসিইউ ঘুরে কয়েক দফায় কষ্টদায়ক কিছু প্রসিডিউরের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে।’

চিকিৎসকদের পাশাপাশি নিজেও স্ত্রীর চিকিৎসায় যুক্ত ছিলেন বিপ্লব। স্ত্রীকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছেন চিকিৎসক হিসেবে, আবার পাশে থেকেছেন স্বামী হিসেবেও।

বিপ্লব বলেন, ‘চিকিৎসকদের পাশাপাশি নিজের মনের সান্ত্বনার জন্য আঁচলকে নিজেও সিবিআই দিই। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ।’

‘তুমি ফাইটার, তুমি ফিরবে’: আইসিইউতে থাকা স্ত্রীকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সাহস দিয়ে গেছেন বিপ্লব। বলছিলেন, ‘তুমি ফাইটার, তুমি ফিরবে।’

চিকিৎসক হিসেবে পরিস্থিতির কঠিন বাস্তবতা তিনি জানতেন। কিন্তু স্বামী হিসেবে বিশ্বাস করতে চাইছিলেন, আঁচল তাঁকে ছেড়ে চলে যাবেন না।

বিপ্লব বলেন, ‘আমার বিশ্বাস ছিল, ও আমাকে ছেড়ে আগে চলে যাবে না। তবে চলেই গেল।’

২৭ সেপ্টেম্বর থেমে যায় আঁচলের জীবন। চিকিৎসকদের সব চেষ্টা, স্বামীর আকুতি - কোনো কিছুই তাঁকে ফিরিয়ে আনতে পারেনি।

পড়াশোনাই ছিল ধ্যানজ্ঞান: নোয়াখালী মেডিকেল কলেজে তাঁদের পরিচয়। বিপ্লব ছিলেন পঞ্চম ব্যাচের শিক্ষার্থী, আঁচল সপ্তম ব্যাচের। ২০২৩ সালের অক্টোবরে তাঁরা একে অপরকে ভালোবাসার কথা জানান। পরে পারিবারিকভাবে তাঁদের বিয়ে হয়।

বিপ্লবের ভাষায়, আঁচল ছিলেন মেধাবী চিকিৎসক। পড়াশোনাকে তিনি ধ্যানজ্ঞান মনে করতেন। ২০২৪ সালের ১৪ নভেম্বর এমআরসিপি পার্ট ওয়ান পাস করার খবর ফেসবুকে পিন করে রেখেছিলেন। গত বছরের নভেম্বরে বিভাগীয় পরীক্ষাতেও পাস করেন।

মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে কাজ করছিলেন আঁচল। শিগগিরই চাকরি স্থায়ীকরণের তালিকায় তাঁর নাম আসার কথা ছিল।

বিপ্লব বলেন, বিসিএস ও পোস্টগ্র্যাজুয়েশনের ক্ষেত্রে আঁচল তাঁর চেয়ে এগিয়ে ছিলেন। স্ত্রীকে নিয়ে তাঁর গর্বের কথাও জানিয়েছেন তিনি।

তাঁর ভাষায়, ‘আমি আঁচলকে নিয়ে সব সময় গর্ব করতাম। আমি নিজেও চিকিৎসক। তারপরও আমার কাছে কেউ পরামর্শের জন্য এলে বলতাম, আমার স্ত্রী খুব ভালো ডাক্তার। তাঁর কাছ থেকে জেনে নিই আমি যে ওষুধটা দিতে চাচ্ছি, তা ঠিক আছে কি না।’

ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে সচেতনও ছিলেন দুজন। বাসায় মশারি টানাতেন, মশার কামড় থেকে বাঁচার চেষ্টা করতেন। কোথায় আঁচল ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন, তা তাঁদের জানা নেই। চাকরির কারণে তাঁকে হাসপাতালসহ বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়েছে।

বিপ্লব বলেন, সরকার ডেঙ্গুর জন্য দায়ী মশা নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে এত মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হতো না। তাঁর মতে, ডেঙ্গুর ধরনও দ্রুত বদলাচ্ছে।

যে ছবিটি আঁচল দেখে যেতে পারলেন না: আঁচলের মৃত্যুর পর ২৮ সেপ্টেম্বর ফেসবুকে তাঁদের দুজনের একটি ছবি পোস্ট করেন বিপ্লব। ছবিতে তাঁর পরনে পাঞ্জাবিটি আঁচলের দেওয়া। আর আঁচলের শাড়িটি দিয়েছিলেন বিপ্লবের ছোট বোন।

ছবিটি অনেক আগেই ফেসবুকে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ব্যস্ততার কারণে দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে আঁচল অভিমানও করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত আঁচল বেঁচে থাকতে আর ছবিটি প্রকাশ করা হয়নি।

ওই পোস্টে বিপ্লব লিখেছেন, ‘ছবিটা আপলোড দিতে এতটা দেরি হবে বুঝতে পারি নাই।’

‘আমরা দুজনে আবার এক হতে চাই’: স্ত্রীকে হারানোর পর ফেসবুকে আরেকটি পোস্টে তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজের অনুভূতির কথা লিখেছেন বিপ্লব।

সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশে তিনি লিখেছেন, ‘স্বাভাবিক মৃত্যুর দেশে জন্মাইনি যেহেতু, তিনি একটা অথবা আরেকটি মৃত্যুর উপহার দিতেই পারেন আমাকে। আমরা দুজনে আবার এক হতে চাই, বৈকুণ্ঠধামে। কারণ, ও বা আমি পরস্পরের সঙ্গে কথা না হলে কেউই ভালো থাকব না। স্বর্গে হোক কিংবা মর্তে।’

যে দুজন মানুষ একসঙ্গে একটি সংসার সাজানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন, তাঁদের একজন এখন শুধুই স্মৃতি। অন্যজনের সামনে পড়ে আছে সেই অসমাপ্ত সংসার, কেনা জিনিসপত্র আর দুজনের মিলে দেখা ভবিষ্যতের পরিকল্পনা।

আঁচলের চাওয়া সাদা ফুল: আঁচল মাঝেমধ্যে মজা করে বলতেন, তিনি যদি বিপ্লবের আগে মারা যান, তাহলে যেন তাঁর সমাধিতে সাদা ফুল নিয়ে যাওয়া হয়।

সেদিন কথাটি হয়তো নিছকই মজা ছিল। কিন্তু ২৭ সেপ্টেম্বর সেটিই বাস্তব হয়ে গেল। বিপ্লবকে রেখে আগেই পৃথিবী ছেড়ে গেলেন আঁচল।

বিপ্লব বলেন, ‘আগে মাঝেমধ্যে আঁচল মজা করে বলত, সে আমার আগে মারা গেলে তাঁর সমাধিতে যেন সাদা ফুল নিয়ে যাই। ওর কথামতো আমি সাদা গোলাপ নিয়ে গেলাম...।’

একটি ছোট্ট ঘর সাজানোর স্বপ্ন ছিল তাঁদের। ছিল একসঙ্গে থাকার অপেক্ষা, নতুন সংসারের পরিকল্পনা, ভবিষ্যৎ সন্তানের স্বপ্ন। অথচ ঘরটি গুছিয়ে ওঠার আগেই সবকিছু থেমে গেল। রয়ে গেল শুধু কিছু কেনাকাটা, কিছু ছবি, কিছু অপূর্ণ পরিকল্পনা আর সাদা গোলাপের এক মর্মস্পর্শী স্মৃতি। 


সানা/ডিসি/আপ্র/২৯/৯/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চ...

ঢাকা মেডিকেল এলাকায় এক দিনে তিন অজ্ঞাত লাশ
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল এলাকায় এক দিনে তিন অজ্ঞাত লাশ

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দুই অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। একই দিন হা...

‘কত সুন্দর সেবা পেতাম, সেই জায়গা ধ্বংস করে দেওয়া হলো’
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘কত সুন্দর সেবা পেতাম, সেই জায়গা ধ্বংস করে দেওয়া হলো’

রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের পর সীমিত পরিসরে আবারো...

হৃদয়ের কোনো সতর্কবার্তাকে অবহেলা না করার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হৃদয়ের কোনো সতর্কবার্তাকে অবহেলা না করার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

অসংক্রামক রোগের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয় উল্লেখ করে স্বাস্থ্য ও পরি...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

আওয়ামী লীগের দোসরদের গ্রেফতারে পুরস্কারের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের গোয়েন্দা তথ্য কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে এ ধরনের ব্যক্তিদের গ্রেফতারে যারা ভূমিকা রাখবেন, তাদের পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬-এর পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মন্ত্রীর এই ঘোষণার পক্ষে না বিপক্ষে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে