গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

মশা মারতে কয়েকটি ওষুধ মিলিয়ে প্রয়োগের পরিকল্পনা ডিএনসিসির

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:২১ পিএম, ০৬ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ২২:০০ এএম ২০২৬
মশা মারতে কয়েকটি ওষুধ মিলিয়ে প্রয়োগের পরিকল্পনা ডিএনসিসির
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু মোকাবেলায় ভিন্ন ভিন্ন কীটনাশকের সমন্বিত ব্যবহারের চিন্তা করছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ডিএনসিসি। ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, মশা নিধনে ভিন্ন ভিন্ন কীটনাশকের সমন্বিত ব্যবহার (কম্বাইন্ড) একাধিক ল্যাবে পরীক্ষা করা হবে। এর ফলাফলের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। মশা নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ক্যাম্পেইন চালানোর কথাও বলেন তিনি।

সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে ডিএনসিসির প্রধান কার্যালয়ে ডেঙ্গু মোকাবেলায় চলমান কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণের জন্য মশা নিয়ন্ত্রণে গঠিত কারিগরি কমিটির জরুরি সভায় একথা বলেন ডিএনসিসি প্রশাসক।

ডিএনসিসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় মশা নিধনে নতুন ও অধিক কার্যকর কীটনাশক বাছাইকে ‘মূল এজেন্ডা’ হিসেবে ধরে আলোচনা করা হয়।

সেখানে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, “সামনে বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এখনই কার্যকর প্রস্তুতি গ্রহণ জরুরি। বর্তমানে লার্ভিসাইডিং কার্যক্রমে ‘টেমিফস’ ব্যবহার করা হচ্ছে।

তবে বিশ্বের কিছু দেশে যেমন ব্রাজিল ও ফিলিপিন্সে টেমিফসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ (রেজিস্টেন্স) তৈরি হয়েছে। নির্দিষ্ট পরিমাণ পানিতে সঠিক মাত্রায় ওষুধ প্রয়োগ না হলে এই প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্রুত তৈরি হতে পারে।
অধ্যাপক রাশেদুল ইসলাম অন্তত পাঁচটি ভিন্ন স্থানে পরীক্ষা চালিয়ে ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দেন।
সভায় কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, নোভালিয়ন, ম্যালাথিয়ন ও টেমিফস-এই তিনটি কীটনাশকের সেমি-ফিল্ড, ফিল্ড ও ল্যাব পর্যায়ে পরীক্ষা করে ‘ম্যালাথিয়ন’ তুলনামূলকভাবে অধিক কার্যকর ফল দিয়েছে। বিকল্প হিসেবে বিটিআই ব্যবহারের সম্ভাবনাও বিবেচনা করা যেতে পারে বলে তিনি মতামত দেন। ফগিং কার্যক্রম অনেক ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত ফল দেয় না এবং এ পদ্ধতির কার্যকারিতা সীমিত হওয়ায় ধীরে ধীরে ফগিং নির্ভরতা কমিয়ে আনার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন কবিরুল বাশার। প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক বেনজির আহমেদ, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, সদস্য, বিশেষজ্ঞ কমিটি (ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধকল্প) অধ্যাপক গোলাম সারোয়ার, ভেক্টর ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট রাজিব চৌধুরী সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সানা/ডিসি/আপ্র/৬/৪/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে ছয় বাংলাদেশি নিহত, নারায়ণগঞ্জে শোক
২৯ জুলাই ২০২৬

দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে ছয় বাংলাদেশি নিহত, নারায়ণগঞ্জে শোক

দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের কুইন্সটাউন (কোমানি) শহরের একটি সুপারশপে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয় ব...

চলতি বছরেই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: তথ্য উপদেষ্টা
২৮ জুলাই ২০২৬

চলতি বছরেই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: তথ্য উপদেষ্টা

চলতি বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী...

সাড়ে সাত বছরে সড়কে প্রাণ গেছে ৭৩৬৪ শিক্ষার্থীর
২৮ জুলাই ২০২৬

সাড়ে সাত বছরে সড়কে প্রাণ গেছে ৭৩৬৪ শিক্ষার্থীর

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদন

মিরপুরে টিসিবির লাইনে দেয়াল ধসে নিহত নারী-পুরুষ
২৮ জুলাই ২০২৬

মিরপুরে টিসিবির লাইনে দেয়াল ধসে নিহত নারী-পুরুষ

 রাজধানীর মিরপুরে টিসিবির পণ্য কিনতে এসে সীমানাপ্রাচীর ধসে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো আটজন...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 ঘন্টা আগে