গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

মেনু

বাংলাদেশ-ইইউ অংশীদারিত্ব চুক্তির পথে অগ্রগতি

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:৪৯ পিএম, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১০:৫৬ এএম ২০২৬
বাংলাদেশ-ইইউ অংশীদারিত্ব চুক্তির পথে অগ্রগতি
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার পর সমন্বিত অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা কাঠামো চুক্তির (পিসিএ) ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের মাধ্যমে সম্পর্ককে নতুন পর্যায়ে নেওয়ার উদ্যোগ চূড়ান্তের পথে এগোচ্ছে। আগামী ২০ এপ্রিল বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে উভয় পক্ষের সম্মতিতে এই প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।

বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষে ইউরোপীয় কমিশনের হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ কালা কালাস। কূটনৈতিক সূত্র বলছে, এই ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি মূল পিসিএ চুক্তি চূড়ান্ত করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মতে, ১৯ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল তুরস্ক থেকে ব্রাসেলসের উদ্দেশে রওনা দেবে। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। দলে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। ২০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, পিসিএ চুক্তি নিয়ে গত এক বছর ধরে ধারাবাহিক আলোচনা, নথি বিনিময় ও দরকষাকষি হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে উভয় পক্ষ খসড়া চূড়ান্তে পৌঁছায়। এরপরই ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত আসে। এখন এটিকে মূল চুক্তির রাজনৈতিক ভিত্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি এখনো চূড়ান্ত চুক্তি নয়। ইইউর ২৭টি সদস্য দেশের অনুমোদনসহ আরো কিছু প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে পরবর্তী ধাপে পূর্ণাঙ্গ চুক্তি স্বাক্ষর সম্ভব হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালের মধ্যে চূড়ান্ত পিসিএ স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে।

এক কূটনীতিক জানান, দুই পক্ষই মূলত নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। এখন যা হচ্ছে তা হলো রাজনৈতিক সম্মতির আনুষ্ঠানিক রূপায়ণ। ভবিষ্যতে শীর্ষ পর্যায়ের সফরের মাধ্যমে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র আরো জানায়, সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউরোপীয় কমিশনের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে ২০০১ সালের সহযোগিতা চুক্তির পর সম্পর্ক ক্রমেই বিস্তৃত হয়েছে। ২০২৩ সালে নতুন করে অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তির আলোচনা শুরুর সিদ্ধান্ত হয়। এরপর বিভিন্ন দফায় আলোচনা শেষে বর্তমান পর্যায়ে ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের অবস্থায় পৌঁছেছে দুই পক্ষ।

বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে রাজনৈতিক সংলাপ, বাণিজ্য, উন্নয়ন সহযোগিতা, সুশাসন ও মানবাধিকারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ–ইইউ সম্পর্ক আরো গভীর ও কাঠামোগত রূপ পাবে।
সানা/আপ্র/১৭/৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
২৮ জুলাই ২০২৬

প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ...

গ্যাস সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
২৮ জুলাই ২০২৬

গ্যাস সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

চলমান গ্যাস সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন বাংলাদেশের...

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করলো চীন
২৮ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করলো চীন

বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও দর্শনার্থীদের জন্য ১৪০তম চায়না ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট ফেয়ার (ক্যান্টন ফেয়ার)...

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুত ইসি, ভোটের তারিখ এখনো চূড়ান্ত নয়
২৮ জুলাই ২০২৬

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুত ইসি, ভোটের তারিখ এখনো চূড়ান্ত নয়

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে ভোটের দিনক্...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই