গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

বাংলাদেশ-ইইউ অংশীদারিত্ব চুক্তির পথে অগ্রগতি

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:৪৯ পিএম, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১০:১৪ এএম ২০২৬
বাংলাদেশ-ইইউ অংশীদারিত্ব চুক্তির পথে অগ্রগতি
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার পর সমন্বিত অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা কাঠামো চুক্তির (পিসিএ) ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের মাধ্যমে সম্পর্ককে নতুন পর্যায়ে নেওয়ার উদ্যোগ চূড়ান্তের পথে এগোচ্ছে। আগামী ২০ এপ্রিল বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে উভয় পক্ষের সম্মতিতে এই প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।

বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষে ইউরোপীয় কমিশনের হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ কালা কালাস। কূটনৈতিক সূত্র বলছে, এই ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি মূল পিসিএ চুক্তি চূড়ান্ত করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মতে, ১৯ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল তুরস্ক থেকে ব্রাসেলসের উদ্দেশে রওনা দেবে। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। দলে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। ২০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, পিসিএ চুক্তি নিয়ে গত এক বছর ধরে ধারাবাহিক আলোচনা, নথি বিনিময় ও দরকষাকষি হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে উভয় পক্ষ খসড়া চূড়ান্তে পৌঁছায়। এরপরই ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত আসে। এখন এটিকে মূল চুক্তির রাজনৈতিক ভিত্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি এখনো চূড়ান্ত চুক্তি নয়। ইইউর ২৭টি সদস্য দেশের অনুমোদনসহ আরো কিছু প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে পরবর্তী ধাপে পূর্ণাঙ্গ চুক্তি স্বাক্ষর সম্ভব হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালের মধ্যে চূড়ান্ত পিসিএ স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে।

এক কূটনীতিক জানান, দুই পক্ষই মূলত নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। এখন যা হচ্ছে তা হলো রাজনৈতিক সম্মতির আনুষ্ঠানিক রূপায়ণ। ভবিষ্যতে শীর্ষ পর্যায়ের সফরের মাধ্যমে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র আরো জানায়, সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউরোপীয় কমিশনের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে ২০০১ সালের সহযোগিতা চুক্তির পর সম্পর্ক ক্রমেই বিস্তৃত হয়েছে। ২০২৩ সালে নতুন করে অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তির আলোচনা শুরুর সিদ্ধান্ত হয়। এরপর বিভিন্ন দফায় আলোচনা শেষে বর্তমান পর্যায়ে ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের অবস্থায় পৌঁছেছে দুই পক্ষ।

বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে রাজনৈতিক সংলাপ, বাণিজ্য, উন্নয়ন সহযোগিতা, সুশাসন ও মানবাধিকারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ–ইইউ সম্পর্ক আরো গভীর ও কাঠামোগত রূপ পাবে।
সানা/আপ্র/১৭/৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

বিচারপ্রক্রিয়ায় এআই ব্যবহারে সতর্ক থাকার আহ্বান আইনমন্ত্রীর
২৯ অক্টোবর ২০২৬

বিচারপ্রক্রিয়ায় এআই ব্যবহারে সতর্ক থাকার আহ্বান আইনমন্ত্রীর

বিচারিক সিদ্ধান্ত, রায় লেখা ও সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহারে সতর্ক থাক...

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা
২৯ অক্টোবর ২০২৬

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ...

ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগ আসবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
২৯ অক্টোবর ২০২৬

ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগ আসবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগ আসবে না। আওয়ামী লীগ হচ্ছে নিষিদ্ধ...

তাহসিফের মৃত্যু: যা আছে সুরতহাল প্রতিবেদনে
২৯ অক্টোবর ২০২৬

তাহসিফের মৃত্যু: যা আছে সুরতহাল প্রতিবেদনে

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সৌরির মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন না পেরেও নাক দিয়ে রক্ত...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পুলিশকে শক্তিশালী না করলে দিনে-রাতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলা যাবে না

পুলিশকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির, পিপিএম বলেছেন, “আপনারা সাংবাদিক ভাইয়েরা পুলিশকে ব্যবহার করেন। পুলিশকে শক্তিশালী না করলে আমরা সমাজে দিনে-রাতে কেউই স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারব না।” রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট পুলিশ লাইনে জেলা পুলিশের আয়োজনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন আইজিপি সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 দিন আগে