গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

মেনু

ঋণখেলাপির রায়ে সংসদে যাওয়া আটকালো আসলাম চৌধুরীর

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:২০ পিএম, ৩০ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১৩:৩২ এএম ২০২৬
ঋণখেলাপির রায়ে সংসদে যাওয়া আটকালো আসলাম চৌধুরীর
ছবি

আসলাম চৌধুরী -ছবি সংগৃহীত

ঋণখেলাপির অভিযোগে চট্টগ্রাম-৪ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এর ফলে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারবেন না। একই সঙ্গে ওই আসনের নির্বাচনের ফলাফলও প্রকাশ করা যাবে না।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন। এর আগে গত ১৫ জুন শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করা হয়েছিল।

আদালতে আসলাম চৌধুরীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির, ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির এবং আইনজীবী মো. আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ এস এম ইলিয়াস হায়দার।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর গত ৩ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। পরে ঋণখেলাপির অভিযোগ তুলে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। তবে শুনানি শেষে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন আপিল খারিজ করে দিয়ে তার প্রার্থিতা বহাল রাখে।

পরে নির্বাচন কমিশনের ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে পৃথক রিট আবেদন করা হলে গত ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট তা খারিজ করে দেন। এরপর হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আনোয়ার সিদ্দিকী লিভ টু আপিল করলে গত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ তা গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আসলাম চৌধুরী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন, তবে ওই আসনের ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেন আদালত।

অনিশ্চয়তার মধ্যেই গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী জয়ী হন। কিন্তু আপিল বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন ফলাফলের গেজেট প্রকাশ স্থগিত রাখে। ফলে তার সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণও আটকে যায়। পরে ফলাফল প্রকাশ ও শপথ গ্রহণের অনুমতি চেয়ে তিনি আপিল বিভাগে আবেদন করেন। অন্যদিকে আনোয়ার সিদ্দিকীও পৃথক আপিল করেন।

আপিলের ধারাবাহিক শুনানিতে আদালত বন্ধু হিসেবে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম কামরুল হক সিদ্দিকী ও প্রবীর নিয়োগীর মতামত গ্রহণ করা হয়। চূড়ান্ত শুনানি শেষে মঙ্গলবার আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায় দেন। এর মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম-৪ আসন থেকে তার সংসদ সদস্য হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেল।
সানা/আপ্র/৩০/৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত বাসে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা
৩০ জুন ২০২৬

এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত বাসে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে কুচিয়ামোড়া সেতুর ওপর চলন্ত একটি যাত্রীবাহী বাসে হঠ...

দুপুরের মধ্যে ৮ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস
৩০ জুন ২০২৬

দুপুরের মধ্যে ৮ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

দেশের আট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে...

দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ
৩০ জুন ২০২৬

দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ

কাতারের শাহানিয়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচ বাংলাদেশি প্রবাসীর মরদেহ বাংলাদেশে পৌঁছেছে।মঙ্গলবার...

সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস, ফিরবেন যেকোনও সময়
৩০ জুন ২০২৬

সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস, ফিরবেন যেকোনও সময়

সুস্থ হয়ে উঠছেন মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ট্রাইব্যুনাল আইন নিয়ে রিট বিতর্ক ও হেয় প্রতিপন্ন করার প্রচেষ্টা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন, ১৯৭৩-এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের করা রিট আবেদনটি ট্রাইব্যুনালকে বিতর্কিত ও হেয় প্রতিপন্ন করার একটি প্রচেষ্টা। আপনি কি মনে করেন চিফ প্রসিকিউটরের মন্তব্য সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে