গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

মেনু

কুষ্টিয়া হত্যাকাণ্ডে রায় অপেক্ষমান

হানিফসহ চার আওয়ামী লীগ নেতা পলাতক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:২৫ পিএম, ১০ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২২:৫৪ এএম ২০২৬
হানিফসহ চার আওয়ামী লীগ নেতা পলাতক
ছবি

মাহবুবউল আলম হানিফ -ফাইল ছবি

চব্বিশের অভ্যুত্থানকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফসহ চার আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা যে কোনো দিন হতে পারে।

বুধবার (১০ জুন) প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সদর উদ্দিন খান, জেলা সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। চারজনই বর্তমানে পলাতক।

এদিন আসামিপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন। পরে প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে সেই যুক্তি খণ্ডন করা হয়। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, ফারুক আহমেদ ও আবদুস সাত্তার পালোয়ান উপস্থিত ছিলেন।

গত ৭ জুন মামলায় আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করে যুক্তিতর্ক শেষ করে প্রসিকিউশন। এর আগে ১১ মে থেকে যুক্তিতর্ক শুরু হয়। ২৩ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তার জেরার মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়, যেখানে মোট ১৯ জন সাক্ষ্য দেন।

গত বছরের ৫ অক্টোবর চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা পড়ে। পরদিন ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ১৪ অক্টোবরের মধ্যে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়।

পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হলে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। এরপর দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আসামিদের হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

নির্দেশ উপেক্ষা করে হাজির না হওয়ায় গত বছরের ২৩ অক্টোবর আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগ দেয় ট্রাইব্যুনাল। পরবর্তীতে ২ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করা হয়।

প্রসিকিউশনের অভিযোগে তিনটি সুনির্দিষ্ট অপরাধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’ বা ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়, আন্দোলন দমন বিষয়ে পূর্বপরিকল্পনা ও নির্দেশনা প্রদান এবং কুষ্টিয়ায় আন্দোলন চলাকালে ছয়জনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ।

এ মামলায় অভিযোগে বলা হয়, আন্দোলন দমনে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সংগঠনের শীর্ষ পর্যায় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল এবং ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সহিংসতা সংঘটিত হয়। ট্রাইব্যুনাল এখন মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন নির্ধারণ করবেন।
সানা/আপ্র/১০/৬/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

শাপলা চত্বর মামলায় একাত্তর টিভির নথিপত্র চাইলো ট্রাইব্যুনাল
১০ জুন ২০২৬

শাপলা চত্বর মামলায় একাত্তর টিভির নথিপত্র চাইলো ট্রাইব্যুনাল

এক যুগ আগে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত ‘হত্যা’ অভিযোগসংক্রান্ত...

বার কাউন্সিলের ফল বাতিল অবৈধ, প্রথম রিভিউয়ে উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষার নির্দেশ
১০ জুন ২০২৬

বার কাউন্সিলের ফল বাতিল অবৈধ, প্রথম রিভিউয়ে উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষার নির্দেশ

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী অন্তর্ভুক্তির লিখিত পরীক্ষার প্রথম রিভিউয়ের ফল বাতিলের সিদ্ধান্তকে অ...

ব্যভিচারের মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা
১০ জুন ২০২৬

ব্যভিচারের মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা

অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া, ব্যভিচার ও মানহানির মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও তার স্ত...

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে
০৯ জুন ২০২৬

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল রানা ও স্বপ্...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেদনের ভিত্তি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে টিআইবির প্রতিক্রিয়া

টিআইবির প্রতিবেদন শুধু পত্রিকার কাটিংয়ের ওপর নির্ভর করে প্রণীত হয়-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলেছে, গবেষণা প্রতিবেদনকে ঢালাওভাবে পত্রিকার কাটিং-নির্ভর বলা মূল বিষয়কে পাশ কাটানোর ব্যর্থ প্রয়াস ছাড়া কিছু নয়। আপনি কি মনে করেন যে, টিআইবির এই বিবৃতি যৌক্তিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 20 ঘন্টা আগে