জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ানো হলেও রাজধানীর কোনো বাসে নতুন ভাড়ার তালিকা টাঙানো হয়নি বলে অভিযোগ করেছে নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি। সংগঠনটির দাবি, ভাড়ার তালিকা না থাকার সুযোগে যাত্রীদের কাছ থেকে ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এ নিয়ে পরিবহনকর্মী ও যাত্রীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক যুক্ত বিবৃতিতে জাতীয় কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শহীদ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে অবিলম্বে সড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে ভাড়া নৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি বন্ধের দাবি জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সরকার বাসসহ বিভিন্ন গণপরিবহনের ভাড়া বাড়িয়েছে। অথচ ঢাকা মহানগরীতে চলাচলকারী কোনো বাসে ভাড়ার তালিকা টাঙানো হয়নি। নগর পরিবহন ও দূরপাল্লার সব ধরনের বাসে দূরত্ব অনুযায়ী নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন বাধ্যতামূলক হলেও তা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ সংগঠনটির।
জাতীয় কমিটির দাবি, গত চার-পাঁচ দিন ধরে রাজধানীর নগর পরিবহন এবং ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর মধ্যে চলাচলকারী বাসগুলোতে এ ধরনের নৈরাজ্য চলছে। তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না বলেও বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়। গণপরিবহনে ভাড়াসংক্রান্ত অনিয়ম ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে অবিলম্বে ঢাকাসহ সারাদেশে বিআরটিএ ও জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
সানা/কেএমএএ/আপ্র/২৬/৯/২০২৬