গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

মেনু

ডালিয়ায় বিপৎসীমা ছাড়িয়ে প্রবাহ, ডুবে গেছে নিম্নাঞ্চল; যমুনায় তীব্র নদীভাঙন

তিস্তা-যমুনায় পানি বৃদ্ধিতে ভাঙন ও বন্যা আতঙ্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮:১৮ পিএম, ২৩ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২১:২২ এএম ২০২৬
তিস্তা-যমুনায় পানি বৃদ্ধিতে ভাঙন ও বন্যা আতঙ্ক
ছবি

ছবি সংগৃহীত

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টিপাতে দেশের উত্তরের প্রধান নদীগুলোতে পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে তিস্তা নদীর পানি নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে লালমনিরহাট ও নীলফামারীর বিস্তীর্ণ এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে বন্যা ও নদীভাঙনের শঙ্কা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল ৩টার দিকে তিস্তার পানি বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হয়। এরপরও পানির উচ্চতা ওঠানামা অব্যাহত থাকে। আগে দিনের বিভিন্ন সময় পানি বিপৎসীমার নিচে থাকলেও বিকেলের দিকে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে তা বিপৎসীমা ছাড়িয়ে যায়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণেই নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া না গেলেও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশাচাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ি ও খগাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের অন্তত কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। অনেক পরিবার ইতোমধ্যে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।

জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ি ও শৌলমারী ইউনিয়নেও একই পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। পানির চাপ বাড়ায় রাস্তাঘাট, ফসলি জমি, পুকুর ও শাকসবজির ক্ষেত তলিয়ে গেছে।

এদিকে লালমনিরহাটের তিস্তা তীরবর্তী এলাকায় পানির চাপ বাড়ায় মানুষের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, পানি কমতে শুরু করলে নদীভাঙনের ঝুঁকি আরো বাড়তে পারে।

অন্যদিকে বগুড়ার ধুনট উপজেলায় যমুনা নদীর ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। শহড়াবাড়ি এলাকায় জিও ব্যাগ ও টিউব দিয়ে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হলেও নদীর তীব্র স্রোতে প্রায় ১৫০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন এখন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও জনবসতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক দিন ধরে চলমান ভাঙনে ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ও বালুভর্তি টিউব ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা চালালেও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলো চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে।

উত্তরের নদীগুলোতে একসঙ্গে পানি বৃদ্ধি ও ভাঙনের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
সানা/আপ্র/২৩/৬/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত
২৩ জুন ২০২৬

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত

মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম জোরদার, প্রচারণা ও মনিটরিং বাড়ানোর নির্দেশ

ফেসবুকে আবেগঘন বার্তা দিয়ে সিলেটবাসীকে বিদায় জানালেন ডিসি সারওয়ার আলম
২৩ জুন ২০২৬

ফেসবুকে আবেগঘন বার্তা দিয়ে সিলেটবাসীকে বিদায় জানালেন ডিসি সারওয়ার আলম

সিলেটের জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব থেকে বিদায়ের মুহূর্তে সিলেটবাসীর উদ্দেশে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন সারওয়া...

হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু
২৩ জুন ২০২৬

হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু

দেশে গত এক দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে...

দেশের বিভিন্নস্থানে ভারি বৃষ্টির আভাস
২৩ জুন ২০২৬

দেশের বিভিন্নস্থানে ভারি বৃষ্টির আভাস

দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারি বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান মঙ্গলবার (২...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন

সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহারের প্রজ্ঞাপন বাতিল করে তাকে স্বপদে পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রোববার (২১ জুন) বিকেলে সিলেট নগরের কোর্ট পয়েন্ট এলাকায় ‘সিলেটের সর্বস্তরের নাগরিক সমাজ’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। আপনি কি মনে করেন এই মানববন্ধন ও দাবি সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 18 ঘন্টা আগে