গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

মেনু

সমঝোতা না মানলে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮:২১ পিএম, ২৩ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২০:২৪ এএম ২০২৬
সমঝোতা না মানলে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প -ফাইল ছবি রয়টার্স

ওয়াশিংটনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক ইরান বাস্তবায়ন না করলে ‘যা করা দরকার, তা–ই করার’ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত সোমবার (২২ জুন) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে।

ট্রাম্প বলেন, “যদি ইরান সমঝোতার শর্ত না মানে অথবা তাদের আচরণ ঠিকঠাক না থাকে, তবে আমার যা করা দরকার, আমি সেটাই করব।”

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান নিজ নিজ দেশের পক্ষে একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। ওই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চলছে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাত ও সামরিক উত্তেজনার পর যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্য নিয়ে এই সমঝোতা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর আগে উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলা ও পাল্টা হামলায় জড়িয়ে পড়ে, যেখানে আঞ্চলিক পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে ওঠে।

চুক্তির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জ্বালানি তেল বিক্রির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ৬০ দিনের জন্য শিথিল করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, আঞ্চলিক সংঘাত ও লেবাননে যুদ্ধবিরতির মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে।

তবে চুক্তির ব্যাখ্যা ও বাস্তবায়ন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্যও দেখা দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, সমঝোতার আওতায় ইরান থেকে জব্দ অর্থ মূলত যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্য কেনার জন্য ব্যবহৃত হবে।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আবদোলনাসের হেম্মতি বলেন, সমঝোতা স্মারকের আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে কৃষিপণ্য কিনতে ইরানের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তেহরানের রাষ্ট্রীয় ও আধা সরকারি সংবাদমাধ্যমগুলোও একই অবস্থান তুলে ধরেছে।

তবে ট্রাম্প এ বিষয়ে ভিন্ন অবস্থান জানিয়ে বলেন, “ছাড় করা অর্থ শেষ পর্যন্ত খাদ্যপণ্য কেনার জন্যই ব্যয় হবে, যা তাদের খুবই প্রয়োজন। ইরানে ৯ কোটি ১০ লাখ মানুষ রয়েছে, কিন্তু তারা নিজেদের খাদ্য চাহিদা পুরোপুরি পূরণ করতে পারে না। এই অর্থ শেষ পর্যন্ত আমাদের কৃষকদের কাছেই ফিরে আসবে।”

তিনি আরো দাবি করেন, অর্থ ব্যবহারের ধরন যাই হোক না কেন, সেটি কার্যত খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনার দিকেই যাবে।

সুইজারল্যান্ডের বার্গেনস্টকে রোববার থেকে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে চলমান আলোচনায় সমঝোতা বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বলে জানা গেছে। ১৪ দফা অন্তর্বর্তী চুক্তির ভিত্তিতে স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানোই এই আলোচনার লক্ষ্য।

আলোচনায় কিছু বিষয়ে অগ্রগতি হলেও পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে মতপার্থক্য এখনো বড় বাধা হিসেবে রয়ে গেছে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান অবস্থায় দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা টিকিয়ে রাখা এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া রাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠতে পারে। সূত্র: রয়টার্স, তাসনিম সংবাদ সংস্থা


সানা/ডিসি/আপ্র/২৩/৬/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

তারেক রহমানের চীন সফরকালে ভারত-চীন বৈঠক
২৩ জুন ২০২৬

তারেক রহমানের চীন সফরকালে ভারত-চীন বৈঠক

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চলমান চীন সফরের মধ্যেই নয়াদিল্লিতে চীনের শীর্ষ কূটনীতিক ওয়াং...

হরমুজে ইরানের কর্তৃত্বের বার্তা কলিবফের
২৩ জুন ২০২৬

হরমুজে ইরানের কর্তৃত্বের বার্তা কলিবফের

হরমুজ প্রণালি আর কখনোই যুদ্ধ-পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের...

তৃণমূল থেকে ‘অপসারিত’ মমতা, নতুন চেয়ারম্যান অরূপ
২৩ জুন ২০২৬

তৃণমূল থেকে ‘অপসারিত’ মমতা, নতুন চেয়ারম্যান অরূপ

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নাটকীয় মোড় হিসেবে দেখা যাচ্ছে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস ঘিরে নতুন নেতৃত্ব সংকট...

কলকতায় সোহরাওয়ার্দী অ্যাভিনিউর নাম বদলের বিতর্ক
২৩ জুন ২০২৬

কলকতায় সোহরাওয়ার্দী অ্যাভিনিউর নাম বদলের বিতর্ক

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সরকার পরিবর্তনের দেড় মাসের মাথায় কলকাতার একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নাম প...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন

সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহারের প্রজ্ঞাপন বাতিল করে তাকে স্বপদে পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রোববার (২১ জুন) বিকেলে সিলেট নগরের কোর্ট পয়েন্ট এলাকায় ‘সিলেটের সর্বস্তরের নাগরিক সমাজ’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। আপনি কি মনে করেন এই মানববন্ধন ও দাবি সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 18 ঘন্টা আগে